অদ্বিতীয় সত্য ঈশ্বর কে?

03-06-2022

আজকাল অধিকাংশ মানুষই আস্থাশীল এবং তাদের ঈশ্বরর অস্তিত্ব সম্পর্কে বিশ্বাস আছে। তারা তাদের হৃদয়ে অধিষ্ঠিত ঈশ্বরেই বিশ্বাস করে। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, বিভিন্ন স্থানে মানুষ বিভিন্ন প্রকারের ঈশ্বরে বিশ্বাস করতে শুরু করেছে, যা সংখ্যায় বেশ কয়েক শত, এমনকি কয়েক হাজারও হতে পারে। এত সংখ্যক ঈশ্বর কি থাকা সম্ভব? একেবারেই না। তাহলে কতজন আছেন, এবং সত্য ঈশ্বর কে? কোনও বিখ্যাত অথবা মহান ব্যক্তিত্ব এর স্পষ্ট উত্তর দিতে পারবে না, কারণ কোনও মানুষই ঈশ্বরকে দেখতে অথবা তাঁর প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসতে পারে না। প্রত্যেক মানুষের জীবনকাল স্বল্প এবং তারা যা অভিজ্ঞতা অর্জন করে ও স্বচক্ষে দেখে, তা খুবই সীমিত, তাহলে ঈশ্বরের হয়ে পরিষ্কার সাক্ষ্য কে দিতে পারবে? যারা পারবে তারা সংখ্যায় খুবই কম এবং বিরল। বাইবেলকে আমরা সর্বোত্তম এবং প্রামাণিক গ্রন্থ হিসাবে জানি যা ঈশ্বরের সাক্ষ্য বহন করে। ঈশ্বর যে সবকিছু সৃষ্টি করেছেন তারই প্রমাণ রয়েছে এখানে, এবং মানবজাতিকে সৃষ্টি করার পর থেকেই তিনি পৃথিবীতে মানুষের জীবনের পথপ্রদর্শনের কাজ কখনও বন্ধ করেন নি। তিনি মানুষের জন্য আইন এবং নির্দেশ জারি করেছিলেন, এবং তা দেহরূপী ঈশ্বরের সাক্ষ্য বহন করে, যে প্রভু যীশু মানবজাতিকে মুক্ত করতে আবির্ভূত হয়েছিলেন। এতে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে যে অন্তিম সময়ে ঈশ্বরের প্রত্যাবর্তন হবে মানুষকে সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করতে বিচারের কার্য করার জন্য এবং মানুষকে এক সুন্দর গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তাই একথা স্পষ্ট যে বাইবেল যে ঈশ্বরের সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে তিনিই হলেন সৃষ্টিকর্তা, অদ্বিতীয় সত্য ঈশ্বর। এই বিষয়টি সুপ্রতিষ্ঠিত। কেউ জিজ্ঞাসা করে, “বাইবেলে যে ঈশ্বরের সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, তিনি প্রকৃতপক্ষে কে? তাঁর নাম কী? আমরা তাঁকে কী নামে ডাকবো?” তিনি যিহোবা নামে পরিচিত ছিলেন, এবং পরবর্তীকালে দেহরূপে তাঁকে প্রভু যীশু নামে অভিহিত করা হয়েছে। তারপর প্রকাশিত বাক্যতে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে যে, অন্তিম সময়ে সর্বশক্তিমান আসবেন—সর্বশক্তিমান ঈশ্বর। এই ঈশ্বর হলেন তিনি, যিনি আকাশ, পৃথিবী, সমস্ত কিছু এবং মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন। তিনিই হলেন অদ্বিতীয় সত্য ঈশ্বর যিনি সর্বদাই মানবজাতিকে পথপ্রদর্শন এবং রক্ষা করে চলেছেন। তিনি চিরন্তন, তিনি সকলের উপর সার্বভৌম এবং সবকিছুকে শাসন করেন। তাই এই সৃষ্টিকর্তা এবং অদ্বিতীয় সত্য ঈশ্বর ব্যতিরেকে অন্য যে কেউই ভণ্ড ঈশ্বর। শয়তান হল একজন ভণ্ড ঈশ্বর, এবং যে সব পতিত দেবদূত তাকে অনুসরণ করেছে তারা ঈশ্বরের ছদ্মবেশ নিচ্ছে সব মানুষকে ঠকানোর জন্য। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বুদ্ধ, গুয়ানয়িন এবং দাওবাদের জেড সম্রাট সকলেই ভণ্ড ঈশ্বর। আরও অনেক ভণ্ড ঈশ্বর আছে, যেমন যারা অতীতের সম্রাটদের দ্বারা নিযুক্ত হয়েছে, এবং অন্য সব ধর্মের ঈশ্বরদের বিষয়েও জানার প্রয়োজন নেই। তাহলে আমরা কেন তাদের ভণ্ড ঈশ্বর বলি? কারণ তারা আকাশ ও পৃথিবীর সমস্ত কিছু, অথবা মানবজাতিকে সৃষ্টি করেনি। এটিই হল সবচেয়ে নিশ্চিত প্রমাণ। যারা সমস্ত কিছু সৃষ্টি করতে এবং সবকিছুকে শাসন করতে অক্ষম, তারা সকলেই ভণ্ড ঈশ্বর। তোমাদের কি মনে হয়, যে কোনও ভণ্ড ঈশ্বরের এই দাবি করার দুঃসাহস হবে যে সমস্ত কিছু তার সৃষ্টি করা? না। তারা মানুষদের সৃষ্টির বিষয়ে কী বলবে? তাদের সাহসই হবে না। শয়তানের হাত থেকে তারা মানবজাতিকে রক্ষা করতে পারবে এই দাবি করার দুঃসাহস কি তাদের আছে? নিশ্চিতভাবেই না। যখন প্রকৃতপক্ষে দুর্যোগ আসবে, তখন তুমি যদি ভণ্ড ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করো, সে কি দেখা দেবে? সে পারবে না—সে আত্মগোপন করবে, তাই তো? তাহলে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, ভণ্ড ঈশ্বরেরা মানবজাতিকে রক্ষা করতে পারে না এবং তাদের প্রতি বিশ্বাস হল বৃথা আস্থা। তাদের বিশ্বাস করা হবে নিজেকে নষ্ট করার সমান, এবং তা শেষপর্যন্ত ধ্বংসই ডেকে আনে। এই কারণেই কে প্রকৃত ঈশ্বর, যে প্রভু সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছেন তা নির্ধারণ করা যে গুরুত্বপূর্ণ, তাকে একেবারেই অত্যুক্তি বলা যায় না।

আদিপুস্তকের ১:১-এ কী বলা হয়েছে তা একবার দেখে নেওয়া যাক। “আদিতে ঈশ্বর আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করলেন।” এটিই হল বাইবেলের একেবারে প্রথম স্তবক। এটি অবিশ্বাস্যরকমের প্রামাণ্য এবং অর্থপূর্ণ। এতে ঈশ্বরের আকাশ, পৃথিবী এবং সমস্ত কিছু সৃষ্টির রহস্য মানবজাতির সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। আদিপুস্তক এমন এক নথি যা ঈশ্বরের বাক্য দিয়ে আলো এবং বায়ু সৃষ্টি করার প্রমাণ দেয়, সেই সঙ্গে সকল প্রাণী, উদ্ভিদ এবং আরো অনেক কিছু, এবং তাঁর আপন হাতে মানুষকে সৃষ্টি করার। ঈশ্বর সমস্ত কিছুকে সৃষ্টি করেছেন, এবং তিনি সমস্ত কিছুকে বজায় রাখেন এবং পরিপুষ্ট করেন। তিনি আমাদের বেঁচে থাকার জন্য সব কিছু প্রদান করেন। মানবজাতি এবং অন্যান্য সমস্ত প্রাণী বেঁচে থাকে ঈশ্বরের দ্বারা অভিষিক্ত আইনের অধীনে। এই হল সৃষ্টিকর্তার অনন্য ক্ষমতা এবং কর্তৃত্ব, এবং এমন কিছু যা কোনও মানুষ, দেবদূত অথবা শয়তানের মন্দ আত্মা কখনও অধিকার অথবা অর্জন করতে পারবে না। আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি একমাত্র যিনি সমস্ত কিছু এবং মানবজাতিকে সৃষ্টি করতে সক্ষম, তিনি হলেন সৃষ্টিকর্তা, অদ্বিতীয় সত্য ঈশ্বর।

ঈশ্বর সমস্ত কিছুকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি সবকিছুর উপর শাসন করেন। ইতিমধ্যে তিনি সকল মানবজাতিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং তাদের রক্ষা করছেন। দেখা যাক বাইবেলে কী বলা আছে, শুরুতে ঈশ্বর মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছিলেন, এবং আদম ও হবা শয়তানের দ্বারা প্রলুব্ধ হওয়ার পরে, মানুষ পাপের মধ্যে বাস করতো। আদম ও হবার উত্তরসূরীরা পৃথিবীতে বংশবৃদ্ধি করলো, কিন্তু তারা জানতো না কীভাবে বাঁচতে হয় অথবা কীভাবে প্রকৃত ঈশ্বরের উপাসনা করতে হয়। তাঁর পরিচালনামূলক পরিকল্পনার উপর ভিত্তি করে ঈশ্বর তাঁর বিধানের যুগের কাজ আরম্ভ করেন, আইন এবং আদেশ জারি করা, মানবজাতিকে শিক্ষা দেওয়া পাপ কী, তাদের কী করা উচিত এবং কী করা উচিত নয়, সুতরাং তারা জেনে গেল কীভাবে বাঁচতে হয় এবং যিহোবা ঈশ্বরকে কীভাবে উপাসনা করতে হয়। এইভাবেই ঈশ্বর মানবজাতিকে জীবনের সঠিক পথে পরিচালনা করেন। পরে বিধানের যুগে, মানুষ শয়তানের দ্বারা এত গভীরভাবে ভ্রষ্ট হয়ে গিয়েছিল তারা আইন মান্য করতে পারেনি এবং আরো বেশি করে পাপ করতে থাকে। দেওয়ার মতো যথেষ্ট পাপ-উৎসর্গও ছিলো না। এইভাবে চলতে থাকলে সমগ্র মানবজাতিই নিন্দিত এবং আইন মোতাবেক মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে যেত। মানবজাতিকে রক্ষা করতে ঈশ্বর প্রভু যীশু হিসাবে দেহধারণ করেন। তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে মানবতার জন্য ক্রুশবিদ্ধ করা হয় আমাদের পাপ-উৎসর্গ হিসাবে, মানুষের পাপের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য। এর পর থেকে কাউকে তাদের পাপের জন্য পাপ-উৎসর্গ করতে হয়নি। যতদিন তারা প্রভুকে বিশ্বাস করত, তাঁর কাছে পাপ স্বীকার করত এবং অনুতাপ করত, তাদের পাপকে ক্ষমা করে দেওয়া হত, এবং তারা ঈশ্বরের সম্মুখে আসতে পারতো এবং তিনি অনুগ্রহ করে যা দিতেন, সবই তারা উপভোগ করতে পারতো। প্রভু যীশুর পাপস্খালনের বলি ছাড়া, প্রত্যেকেই নিন্দিত হত এবং আইন মোতাবেক মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হত, এবং কোনওভাবেই আমরা আজও এখানে থাকতাম না। তাই আমরা জানি যে প্রভু যীশুই হলেন সমগ্র মানবজাতির মুক্তিদাতা, অদ্বিতীয় সত্য ঈশ্বরের আবির্ভাব। তাঁর আত্মা হল যিহোবা ঈশ্বরের আত্মা। তিনি হলেন যিহোবা ঈশ্বরের দেহরূপে আবির্ভাব। আরও সহজভাবে বলতে গেলে, যিহোভা ঈশ্বর মানুষরূপে পৃথিবীতে এসেছিলেন মানবজাতিকে মুক্ত করতে, এবং তিনিই অদ্বিতীয় সত্য ঈশ্বর।

অনুগ্রহের যুগে প্রভু যীশু মুক্তির কার্য করেছিলেন, এবং যারা প্রভুকে বিশ্বাস করেছিল, তাদের সকলের পাপই ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে। পাপের ক্ষমা প্রাপ্তির শান্তি এবং আনন্দ এবং মানুষের প্রতি ঈশ্বরের প্রদান করা সব প্রকারের অনুগ্রহ লাভ করা সত্ত্বেও, মানবজাতি পাপ করা থেকে কখনও বিরত থাকেনি। মানুষ পাপ, স্বীকারোক্তি এবং পুনরায় পাপ করার চক্রের মধ্যে জীবন যাপন করে। তারা পবিত্রতা লাভ করেনি অথবা ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করার যোগ্য হয়ে ওঠেনি। প্রভু যীশু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে অন্তিম সময়ে তিনি পুনরায় আসবেন মানুষকে পাপ থেকে সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করতে এবং তাদের পরিশুদ্ধ করতে, যাতে তাদের তাঁর রাজ্যে নিয়ে যেতে পারেন। ঠিক যেমন তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ী ঈশ্বর এখন দেহরূপে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি সর্বশক্তিমান ঈশ্বর, সত্য প্রকাশ করছেন এবং তাঁর অন্তিম সময়ের বিচারকার্য করছেন। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর লক্ষ লক্ষ বাক্য উচ্চারণ করেছেন, যার মাধ্যমে ঈশ্বরের ৬,০০০ বছরের পরিচালনামূলক পরিকল্পনার রহস্য প্রকাশ করা হয়েছে, এবং মানবজাতিকে তাদের পাপাচারের মূল উৎস এবং ঈশ্বরকে প্রতিরোধ করার বিষয়ে সব কিছু বলা হয়েছে, কীভাবে শয়তান মানুষকে ভ্রষ্ট করে, কীভাবে ঈশ্বর মানুষকে রক্ষা করতে ধাপে ধাপে কাজ করেন, কীভাবে ধর্মের অভ্যাস করে পরিশোধিত হওয়া যাবে এবং তাঁর রাজ্যে প্রবেশ করা যাবে, কীভাবে ঈশ্বরের প্রতি নিবেদন এবং ভালোবাসা অর্জন করা যাবে, সেই সঙ্গে প্রতি ধরনের মানুষের পরিণতি এবং চূড়ান্ত গন্তব্য। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের উচ্চারিত সত্যের মধ্যে এত সমৃদ্ধ বৈচিত্র আছে যে কোনও কিছুই বাদ যায়নি। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর যত সত্য প্রকাশ করেছেন তা দেখে, আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে তিনিই পুনরাবির্ভূত প্রভু যীশু, কারণ প্রভু ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, “সেই সত্যের আত্মা যখন আসবেন তিনি তোমাদের সকল সত্যের পথে পরিচালিত করবেন(যোহন ১৬:১৩)। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর যে এত সত্য প্রকাশ করছেন, তা কি প্রভু যীশুর ভবিষ্যদ্বাণী পূরণ হওয়া নয়? এর থেকে কি এটি প্রমাণ হয় না যে তিনি প্রভু যীশুর আত্মা যিনি কার্য সম্পাদন করার জন্য প্রত্যাবর্তন করেছেন? আর তাই, সর্বশক্তিমান ঈশ্বর এবং প্রভু যীশু একই আত্মার অংশ, এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বর হলেন সেই ত্রাতা যিনি মানবজাতিকে সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করতে পৃথিবীতে এসেছেন। একমাত্র স্বয়ং ঈশ্বরই পারেন সত্য প্রকাশ করতে। ঈশ্বর ছাড়া কোনও মানুষই সম্ভবত এই কাজ করতে পারবে না। মানবজাতির সমগ্র ইতিহাস জুড়ে কোনও মানুষই সত্য প্রকাশ করতে পারেনি। সব বিখ্যাত এবং মহান ব্যক্তিত্ব, এবং ঈশ্বরের ছদ্মবেশধারী সব শয়তান এবং মন্দ আত্মা যা বলে, সব প্রতারণামূলক এবং বিভ্রান্তিকর মিথ্যা, সেখানে সত্যের একটি শব্দও নেই। একমাত্র ঈশ্বরই পারেন সত্য প্রকাশ করতে এবং মানবজাতিকে রক্ষা করতে। এই বিষয়ে কোনও সংশয় নেই।

ঈশ্বর আকাশ, পৃথিবী এবং সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি সর্বদাই মানবজাতিকে পথপ্রদর্শন করা এবং তাদের রক্ষা করার জন্য কথা বলছেন এবং কাজ করে চলেছেন। আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি যে একমাত্র স্রষ্টা যিনি আকাশ, পৃথিবী এবং সমস্ত কিছু সৃষ্টি করতে পারেন, এবং মানবজাতির নিয়তির উপর কর্তৃত্ব করতে পারেন তিনিই হলেন অদ্বিতীয় সত্য ঈশ্বর। ঈশ্বর মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন, এবং একমাত্র ঈশ্বরই মানুষের নিয়তি এবং অগ্রগতির বিষয়ে চিন্তা করেন। এই পৃথিবী সৃষ্টি করার কর্ম সম্পূর্ণ করার পর থেকেই, ঈশ্বর মানবজাতির বিষয়ে মনোযোগ দিয়েছেন, আমাদের পরিচালনা করা এবং আমাদের যা প্রয়োজন তা প্রদান করার মাধ্যমে, আমাদের জন্য প্রাচুর্যের ব্যবস্থাও করেছেন। আমাদের সৃষ্টি করার পর তিনি আমাদের কাছ থেকে প্রস্থান করেননি এবং আমাদের উপেক্ষাও করেননি। মানবজাতি যখন আনুষ্ঠানিকভাবে পৃথিবীতে বসবাস করতে শুরু করে, ঈশ্বর তাঁর আইনের যুগের কাজ আরম্ভ করেন, পৃথিবীতে মানুষের জীবনের পথপ্রদর্শন করতে আদেশাবলী জারি করেন। মানুষ যখন শয়তানের দ্বারা এত বেশি ভ্রষ্ট হয়ে গিয়েছিল, যে তারা আর আইন মান্য করতেও অক্ষম হয়ে গিয়েছিল, তখন সকলেই আইন অনুসারে দণ্ডাদেশ পেয়েছিল এবং তাদের আর সংশোধনেরও উপায় ছিল না, ফলত ঈশ্বর প্রভু যীশু রূপে দেহধারণ করেন এবং ব্যক্তিগতভাবে মুক্তির কাজ সম্পূর্ণ করেন যাতে মানবজাতিকে তাদের পাপের জন্য ক্ষমা প্রদান করা যায়, ঈশ্বরের প্রদান করা অনুগ্রহ এবং আশীর্বাদ উপভোগ করার অনুমতি দেওয়া যায়। সেই যুগ যখন সমাপ্ত হল, ঈশ্বর পুনরায় অবতাররূপ ধারণ করলেন, এই ক্ষেত্রে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর হিসাবে, অন্তিম সময়ে বিচারের কাজ করতে মানবজাতিকে পাপ এবং শয়তানের শক্তি থেকে সম্পূর্ণ রক্ষা করতে, যাতে মানবজাতিকে এক সুন্দর গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া যায়। যদিও প্রতি যুগে ঈশ্বরের কার্যের একেকটি পৃথক নাম থাকে এবং তিনি বিভিন্ন ধরনের কার্য সম্পাদন করেছেন, সবই একমাত্র এক ঈশ্বরের দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে। তাঁর মাত্র একটি আত্মা আছে, এবং তিনিই হলেন অদ্বিতীয় সত্য ঈশ্বর। এটি তর্কাতীত। ঠিক যেমন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বলেছেন, “ঈশ্বর স্বয়ং তাঁর পরিচালনামূলক পরিকল্পনার সমগ্র কাজ রূপায়ণ করেন। প্রথম পর্যায়—পৃথিবী সৃষ্টির কাজ—স্বয়ং ঈশ্বরই ব্যক্তিগতভাবে করেছেন, তা যদি না হতো, তাহলে কেউই মানবজাতি সৃষ্টি করতে সক্ষম হতো না; দ্বিতীয় পর্যায় ছিল সমগ্র মানবজাতির মুক্তি, এবং তা-ও ব্যক্তিগতভাবে স্বয়ং ঈশ্বরেরই কৃত; তৃতীয় পর্যায়ের সম্পর্কে বলাই বাহুল্য: স্বয়ং ঈশ্বরের দ্বারাই ঈশ্বরের সকল কর্মের সমাপ্তি হওয়া অধিকতর প্রয়োজন। সমগ্র মানবজাতির মুক্তি, জয়, অর্জন এবং তাদের নিখুঁত করার কাজ স্বয়ং ঈশ্বর ব্যক্তিগতভাবেই নির্বাহ করেন। এই কাজ তিনি ব্যক্তিগতভাবে না করলে, মানুষ তাঁর পরিচয়ের প্রতিনিধিত্ব করতে পারতো না, তাঁর কর্মও সম্পাদন করতে পারতো না। শয়তানকে পরাজিত করতে, মানবজাতিকে অর্জন করতে, এবং মানুষকে পৃথিবীতে স্বাভাবিক জীবন দান করতে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে মানুষকে নেতৃত্ব দেন এবং ব্যক্তিগতভাবে তাদের মধ্যে কাজ করেন; তাঁর সমগ্র পরিচালনামূলক পরিকল্পনার স্বার্থে, এবং তাঁর সকল কাজের স্বার্থে, তাঁকে ব্যক্তিগতভাবেই এই কাজ করতে হয়(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, মানুষের স্বাভাবিক জীবন পুনরুদ্ধার করা এবং তাকে এক বিস্ময়কর গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া)। “শুরু থেকে আজ পর্যন্ত যে তিনটি পর্যায়ের কাজ হয়েছে, তা সবই স্বয়ং ঈশ্বরের দ্বারা সম্পন্ন হয়েছে এবং তা হয়েছে অদ্বিতীয় ঈশ্বরের দ্বারাই। এই তিন পর্যায়ের কাজের সত্য হল সকল মানবজাতির উপর ঈশ্বরের নেতৃত্বের সত্য, যা এমন এক সত্য যাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। তিন পর্যায়ের কাজের শেষে, সকল বস্তুকেই তাদের প্রকার অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করা হবে এবং ঈশ্বরের রাজত্বে ফেরানো হবে, কারণ সমগ্র বিশ্বব্রম্ভাণ্ড জুড়ে একমাত্র এই অদ্বিতীয় ঈশ্বরেরই অস্তিত্ব রয়েছে, এবং আর কোনও ধর্ম নেই। যিনি এই পৃথিবীকে সৃষ্টি করতে সক্ষম নন, তিনি তা শেষ করতেও সক্ষম হবেন না, কিন্তু যিনি এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তিনি নিশ্চিত ভাবেই একে সমাপ্ত করতে পারেন। অতএব, কেউ যদি একটি যুগের অবসান ঘটাতে না পারে এবং মানুষকে নিছক তার মনের উন্নতি সাধনে সাহায্য করে, তাহলে সে অবশ্যই ঈশ্বর হবে না, এবং নিশ্চিতভাবেই মানব জাতির প্রভু হবে না। এইরকম মহান কর্ম করতে সে অক্ষম; একমাত্র একজনই আছেন যিনি এই কাজ সম্পন্ন করতে পারেন, এবং যারাই এই কাজ করতে অক্ষম তারা নিশ্চিত ভাবেই শত্রু, এবং ঈশ্বর নয়। সমস্ত মন্দ ধর্মই ঈশ্বরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এবং যেহেতু তারা ঈশ্বরের সঙ্গে অসঙ্গত, তারা ঈশ্বরের শত্রু। সকল কর্মই সম্পাদিত হয় অদ্বিতীয় সত্য ঈশ্বরের দ্বারা, এবং সমগ্র বিশ্বব্রম্ভাণ্ডই এই অদ্বিতীয় ঈশ্বরের আদেশের অধীনে। তাঁর কাজ ইস্রায়েলেই হোক অথবা চীনে, সেই কাজ আত্মাই করুক অথবা দেহ, সব কর্মই সম্পাদিত হয় স্বয়ং ঈশ্বরের দ্বারা, এবং অন্যকারো পক্ষেই তা করা সম্ভব নয়। সঠিকভাবে বলতে গেলে যেহেতু তিনি সকল মানবজাতির ঈশ্বর, তাই তিনি স্বাধীনভাবে, কোনও শর্তের দ্বারা সংকুচিত না হয়ে কাজ করেন—এটিই হল সকল দর্শনের মধ্যে বৃহত্তম(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, ঈশ্বরকে জানার পথ হল তাঁর কাজের তিনটি পর্যায় জানা)। আমরা ঈশ্বরের বাক্য থেকে দেখতে পাই যে একমাত্র একজন ঈশ্বরই আছেন, একমাত্র স্রষ্টা, একমাত্র স্বয়ং ঈশ্বরই সমস্ত কিছু সৃষ্টি করতে পারেন, মানবজাতির সমগ্র নিয়তির উপর কর্তৃত্ব করতে পারেন, পৃথিবীতে মানবজাতির জীবনের পথপ্রদর্শন করতে পারেন, মানুষকে রক্ষা করতে পারেন এবং তাদের এক সুন্দর গন্তব্যের দিকে নিয়ে যেতে পারেন। ঠিক যেমন প্রকাশিত বাক্যে বলা হয়েছে, “আমিই আল্‌ফা এবং ওমেগা। প্রথম ও শেষ। আদি এবং আন্ত(প্রকাশিত বাক্য ২২:১৩)। ভণ্ড ঈশ্বরেরা সমস্ত কিছু সৃষ্টি করতে পারে না, মানবজাতিকে রক্ষা করা অথবা একটি যুগ সমাপ্ত করার কোনও প্রশ্নই নেই। একজন ভণ্ড ঈশ্বর কখনও সেইসব কাজ করতে পারে না যা প্রকৃত ঈশ্বর করেন। একজন ভণ্ড ঈশ্বর কেবলমাত্র কিছু চিহ্ন অথবা চমৎকার দেখাতে পারে, অথবা ধর্মবিরোধী বা প্রতারণামূলক কথা ছড়াতে পারে যাতে মানুষকে বিভ্রান্ত এবং ভ্রষ্ট করা যায়। তারা মানুষের মন জয় করতে সামান্য কিছু সুবিধা দিতে পারে, এবং মানুষকে তাদের জন্য ধূপ জ্বালিয়ে ঈশ্বর হিসাবে তাদের উপাসনা করাতে পারে। কিন্তু ভণ্ড ঈশ্বরেরা কখনও পাপ ক্ষমা করতে পারে না অথবা মানুষের ভ্রষ্টাচার পরিশোধন করার জন্য সত্য প্রকাশ করতে পারে না। তারা বিশেষ করে শয়তানের শক্তির থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করতে পারে না। যে সব ভণ্ড ঈশ্বর প্রকৃত ঈশ্বরের ছদ্মবেশ ধারণ করার দুঃসাহস দেখায়, তারা চূড়ান্ত মন্দ এবং নির্লজ্জ, এবং শেষপর্যন্ত তারা ঈশ্বরের দ্বারা শৃঙ্খলিত হবে এবং অতল গহ্বরে নিক্ষিপ্ত হবে—তারা দণ্ডপ্রাপ্ত হবে। যারা ঈশ্বরের বিরুদ্ধে যাবে শেষপর্যন্ত তারা সকলেই ঈশ্বরের দ্বারা অবলুপ্ত হবে।

তাই, সত্য ঈশ্বরের প্রার্থনা করতে হলে, তোমাকে তাঁর সন্ধান করতে হবে যিনি সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছেন, সমস্ত কিছুর উপর কর্তৃত্ব করেন, যিনি সত্য প্রকাশ করতে পারেন এবং মানবজাতিকে রক্ষা করার জন্য কাজ করতে পারেন। এটিই হল চাবিকাঠি। একমাত্র অদ্বিতীয় সত্য ঈশ্বরকে বিশ্বাস এবং উপাসনা করলে, তিনি যে সত্য প্রকাশ করেন তা গ্রহণ করলে এবং নিজের জীবনে এই সত্যকে লাভ করলে তুমি পাপের থেকে মুক্তি পাবে, ঈশ্বরের পরিত্রাণ লাভ করবে এবং সুন্দর গন্তব্যে প্রবেশ করতে পারবে। প্রকৃত ঈশ্বর কে, তা যদি তুমি না জানো, তাহলে তোমার আর প্রার্থনা এবং অনুসন্ধানের প্রয়োজন নেই। আমরা কোনও ভণ্ড ঈশ্বরকে প্রকৃত ঈশ্বর বলে ভুল করতে পারি না তারা কেবল কোনও চমৎকার দেখাচ্ছে, অথবা কোনও অসুখ সারাচ্ছে বলে। এই কাজ হবে পরিত্যাজ্য, কারণ তারা প্রকৃত ঈশ্বর নয়। ভণ্ড ঈশ্বরের উপাসনা করা হল ধর্মনিন্দা, এটি ঈশ্বরের বিরুদ্ধে যাওয়া এবং প্রকৃত ঈশ্বরের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার সমকক্ষ। ঈশ্বরের স্বভাব মানুষের কোনও অপরাধ সহ্য করবে না, তাই যারা ভণ্ড ঈশ্বরকে বিশ্বাস করে তারা ঈশ্বরের দ্বারা অভিশপ্ত এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বলেছেন, “যতদিন সেই পুরাতন পৃথিবীর অস্তিত্ব থাকবে, আমি আমার ক্রোধ পৃথিবীর সকল জাতির উপর নিক্ষেপ করবো, প্রশাসনিক ফরমানসমূহ ব্রহ্মাণ্ডজুড়ে প্রকাশ্যে জারি করবো, এবং যারা এই নির্দেশ লঙ্ঘন করবে তাদের ওপর নেমে আসবে শাস্তির বিধান। কথা বলার জন্য আমি যখন মহাবিশ্বের দিকে মুখ ফেরাবো, তখন সমগ্র মানবজাতি আমার কণ্ঠস্বর শুনতে পাবে, এবং তারপর মহাবিশ্ব জুড়ে আমার সমস্ত কাজ প্রত্যক্ষ করবে। যারা আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, অর্থাৎ যেসব মানুষ তাদের কর্মের দ্বারা আমার বিরোধিতা করে, তারা সকলেই আমার শাস্তির আওতায় পড়বে। মহাকাশের অগণিত নক্ষত্রকে আমি নতুন করে গড়বো, আমার সৌজন্যে সূর্য এবং চন্দ্রের নবীকরণ হবে—আকাশ আর আগের মত থাকবে না এবং পৃথিবীর অগণিত সৃষ্টির নবীকরণ হবে। সবই আমার বাক্যের দ্বারা পূর্ণ হবে। এই বিশ্বের বহু রাষ্ট্রেরই নতুন করে বিভাজন হবে এবং আমার রাজত্বের দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে, যাতে বিশ্বের বর্তমান জাতিগুলি চিরকালের জন্য নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে এবং গড়ে উঠবে এমন একটি রাজ্য, যে আমার উপাসনা করে। পৃথিবীর সমস্ত জাতি ধ্বংস হবে, কোনোটিরই অস্তিত্ব থাকবে না। এই বিশ্বের যেসব মানুষ শয়তানের অধীনে আছে তারা সকলেই নির্মূল হবে, এবং যারা শয়তানের উপাসক তারা সকলেই আমার দ্বারা প্রজ্বলিত অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হবে—অর্থাৎ, আমার স্রোতের অনুগামীরা ছাড়া আর সকলেই ভস্মীভূত হয়ে যাবে। আমি অসংখ্য মানুষকে শাস্তি দেওয়ার সময় ধর্মীয় জগতের যাদের আমার কাজের দ্বারা বিভিন্ন মাত্রায় জয় করা হয়েছে, তারা আমার রাজ্যে ফিরে আসবে, কারণ তারা দেখবে সাদা মেঘে আসীন সেই একক পবিত্র সত্তার আবির্ভাব। নিজস্ব প্রকার অনুযায়ী সমস্ত মানুষ বিভাজিত হবে, এবং তাদের কর্ম অনুযায়ী শাস্তির বিধান পাবে। যারা আমার বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিল তারা ধ্বংস হবে; যাদের পার্থিব ক্রিয়াকলাপ আমাকে জড়িত করে নি, তারা যেমন ভাবে নিজেদের মুক্ত করেছে সেই কারণে আমার পুত্র এবং আমার লোকেদের শাসনের অধীনে পৃথিবীতে বিদ্যমান থাকবে। অগণিত মানুষ ও অগণিত জাতির সামনে আমি নিজেকে প্রকাশ করব। আমার নিজের কণ্ঠে আমি সারা পৃথিবী ধ্বনিত করে আমার কাজের পরিসমাপ্তি ঘোষণা করবো, যাতে সমগ্র মানবজাতি তা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করতে পারে(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের প্রতি ঈশ্বরের বাক্য, অধ্যায় ২৬)

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।

সম্পর্কিত তথ্য

অবতারত্ব কী?

আমরা সবাই জানি যে দু’হাজার বছর আগে, মানুষকে মুক্তি দিতে ঈশ্বর মানুষের পৃথিবীতে প্রভু যীশুর অবতার গ্রহণ করেছিলেন এবং প্রচার করেছিলেন,...

বিশ্বাসের দ্বারা পরিত্রাণ কি ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশের অনুমোদন দেয়?

অব্যাহতভাবে এক অতিমারী ছড়িয়ে পড়ছে, এবং ভূমিকম্প, বন্যা, কীটপতঙ্গের প্রাদুর্ভাব, দুর্ভিক্ষের প্রকোপ শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক মানুষ ক্রমাগত...

অন্তিম সময়ে ঈশ্বর কেন আত্মারূপে না এসে অবতাররূপে আবির্ভূত হন?

যেহেতু সর্বশক্তিমান ঈশ্বর, ত্রাণকর্তা, অন্তিম সময়ে তাঁর বিচারের কাজের জন্য সত্য প্রকাশ করেছেন, তাই অনেক মানুষ প্রকৃত পথের সন্ধান এবং...

Leave a Reply

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন