প্রভু কি সত্যি মেঘারুঢ় হয়ে প্রত্যাবর্তন করবেন?

17-04-2023

আমরা একের পর এক বিপর্যয় দেখতে পাচ্ছি, এবং বিশ্বজুড়ে মহামারী ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বাসীরা অধীরভাবে অপেক্ষা করছে প্রভুর মেঘারুঢ় হয়ে প্রত্যাবর্তন করার এবং তাদের আকাশে নিয়ে যাওয়ার জন্য, তাদের এই অন্ধকার জগৎ থেকে এবং বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচাতে এবং স্বর্গরাজ্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তারা আকাশের দিকে তাকিয়ে অবিরাম প্রার্থনা করছে, অপেক্ষা করছে একটি মেঘের উপর প্রভুকে দেখার জন্য, নজর সরানোর সাহস নেই, এই ভয়ে যে প্রভু আসবেন এবং তাদের বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দেওয়া হবে। কিন্তু তারা এটা দেখে বিধ্বস্ত বোধ করছে যে বিপর্যয় এসে গিয়েছে, কিন্তু তারা এখনও আকাশের থেকে নিচে নেমে আসা প্রভু যীশুকে স্বাগত জানায়নি। অনেকেই ভাবছে যে প্রভু যীশু সত্যিই আসছেন কি না। কেউ কেউ অস্বস্তি বোধ করছে, এই ভেবে যে তারা হয়তো প্রভুর দ্বারা বিপর্যয়ের মধ্যে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। অসহায় বোধ করে, অনেক যাজক তাদের গল্প পরিবর্তন করছে, বলছে যে প্রভু আসবেন বিপর্যয়ের মাঝখানে বা বিপর্যয়ের পরে। কেউ কেউ সাহস করে দাবিও করে যে প্রভু ২০২৮ সালে বা ২০৩০ সালে আসবেন। ধর্মগ্রন্থের এই ব্যাখ্যাগুলো বিশ্বাসীদের বিপর্যয়ের মধ্যে পাঠাতে পারে, কিন্তু এই আশ্বাসের সঙ্গে যে সবকিছু ঠিক আছে। কিন্তু যতই যতই তারা বহুদিন ধরে বিশ্বাস ধরে রাখুক বা তারা কঠোর পরিশ্রম করুক না কেন, তারা প্রভুকে স্বাগত জানায়নি। আমরা কল্পনা করতে পারি এটা কতটা কঠিন হবে। বিশ্বাসী মানুষরা সবাই জানে বাইবেল কী বলে, এবং বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে কাঁদতে থাকা এবং দাঁতে দাঁত ঘষতে থাকা হল একটা লজ্জার চিহ্ন, অন্যদিকে, আপনার বিশ্বাসে সাফল্য বা ব্যর্থতা বিপর্যয়ের আগে প্রভুকে স্বাগত জানানোর মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। তাহলে এমনটা কেন হল যে ধর্মীয় জগতে যারা প্রভুকে স্বাগত জানায়নি তারা বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে? এটা কি হতে পারে যে প্রভু অবিশ্বস্ত, যার কারণে তিনি এখনও আবির্ভূত হননি? একেবারেই না। ধর্মীয় বিশ্ব প্রভুকে স্বাগত জানাতে ব্যর্থ হওয়ার অর্থ এই নয় যে তিনি প্রত্যাবর্তন করেননি। প্রকৃতপক্ষে, তিনি অনেক আগেই দেহরূপে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন, মানবপুত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়ে কাজ করেছিলেন। সমস্ত সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর শুনেছে এবং প্রভুকে স্বাগত জানিয়েছে। কিন্তু ধর্মের সেই মানুষরা যারা তাঁর মেঘারুঢ় হয়ে আসার ধারণাকে আঁকড়ে ধরে থাকে তারা এখনও প্রভুকে স্বাগত জানাতে পারেনি। ১৯৯১ সালে, পূর্বের বজ্রালোক সাক্ষ্য দিতে শুরু করে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের আবির্ভাবর এবং কাজের। পুরো তিন দশক ধরে এটাই তাদের সাক্ষ্য। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর লক্ষ লক্ষ বাণী ব্যক্ত করেছেন এবং সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষ যারা সত্যকে ভালবাসে তারা তাঁর বাণী পড়েছে, সেগুলোকে বিশুদ্ধ সত্য বলে চিনেছে, বুঝতে পেরেছে তারা ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর শুনতে পারছে, এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সামনে এসে প্রভুকে স্বাগত জানাচ্ছে। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দ্বারা প্রকাশিত সত্যগুলো দীর্ঘকাল ধরে অনলাইনে রয়েছে, পূর্ব থেকে পশ্চিমে একটি চমৎকার আলোর মতো জ্বলজ্বল করে, সমগ্র বিশ্বকে আলোকিত করছে, যা সম্পূর্ণরূপে প্রভু যীশুর কথা পূরণ করে: “বিদ্যুতের ঝলক যেমন হঠাৎ পূর্বদিক থেকে পশ্চিমদিক পর্যন্ত সমগ্র আকাশকে আলোকিত করে, ঠিক সেইভাবে মনুষ্যপুত্রের আগমন হবে(মথি ২৪:২৭)। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের আবির্ভাব এবং কাজ সমগ্র বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে, অন্যদিকে ধর্মীয় বিশ্বের খ্রীষ্টবিরোধী শক্তিরা পূর্বের বজ্রালোকের বিচার, নিন্দা এবং বিরোধিতা করেছে ঈশ্বরের আবির্ভাবের এবং কাজের দিকে নজর না দিয়েই। তাদের একমাত্র ভিত্তি হল যে যে প্রভু যীশু মেঘারুঢ় হয়ে আসেন না তিনি ভণ্ড। এবং প্রভুর আগত অবতার একজন ভণ্ড খ্রীষ্ট হবে। আমরা সবাই দেখতে পারি যে ধর্মীয় বিশ্ব প্রভুকে স্বাগত জানায়নি, কিন্তু বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে সম্পূর্ণরূপে কারণ তারা তাঁকে স্বাগত জানাতে প্রভু যীশুর ভবিষ্যদ্বাণী অনুসরণ না করে, তাদের নিজস্ব ধারণায় চলেছে, এবং নির্বিচারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রভুকে অবশ্যই মেঘারুঢ় হয়ে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। তারা আকাঙ্খা করছে প্রভু আসবেন এবং তাদের সরাসরি স্বর্গীয় রাজ্যে নিয়ে যাবেন কিন্তু তারা প্রভুর বাণী অনুশীলন করছে না। প্রভুকে স্বাগত জানানোর মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এমন একটি ভয়ানক ভুল করার অর্থ হল তাদের উন্নীত হওয়ার সুযোগ হারানো, এবং তারা শেষ পর্যন্ত বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে, কাঁদবে এবং দাঁতে দাঁত ঘষবে। এটা ঈশ্বরের বাণী পূরণ করে: “প্রজ্ঞার অভাবে আমার প্রজারা ধ্বংস হচ্ছে(হোশেয় ৪:৬)

প্রভু যীশু মেঘারুঢ় হয়ে আসবেন কিনা বা যদি তিনি মানবপুত্রের অবতার হিসেবে কাজ করেন তা জানতে, প্রথমে আমাদের একটি গভীর শ্বাস নিতে হবে এবং প্রভু যীশুর দ্বিতীয় আগমন সম্পর্কে তাঁর কিছু ভবিষ্যদ্বাণীকে গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে, এবং আমরা নিজেদেরকে জ্ঞানদীপ্ত বোধ করতে পারি। আসুন কয়েকটা স্তবক দেখি। “বিদ্যুতের ঝলক যেমন হঠাৎ পূর্বদিক থেকে পশ্চিমদিক পর্যন্ত সমগ্র আকাশকে আলোকিত করে, ঠিক সেইভাবে মনুষ্যপুত্রের আগমন হবে(মথি ২৪:২৭)। “বিদ্যুৎ ঝলকে যেমন আকাশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে, তেমনি করে মনুষ্যপুত্রও তাঁর দিনে উদ্ভাসিত হবেন। কিন্তু প্রথমে তাঁকে দুঃখ যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে এবং এ যুগের লোক তাঁকে প্রত্যাখ্যান করবে(লুক ১৭:২৪-২৫)। “কাজেই তোমরা প্রস্তুত হয়ে থাকবে, কারণ মনুষ্যপুত্র এমন সময়ে আসবেন, যে সময়ে তাঁর আগমন প্রত্যাশা করবে না(মথি ২৪:৪৪)। “নোহের সময়ে যা ঘটেছিল, মনুষ্যপুত্রের আবির্ভাবের সময়েও ঠিক তাই ঘটবে(মথি ২৪:৩৭)। “মাঝরাতে সাড়া পড়ে গেল, ‘দেখো, বর এসেছে, তাকে বরণ করতে এগিয়ে যাও’(মথি ২৫:৬)। “অতএব তুমি যদি লক্ষ্য না রাখো, আমি তোমার কাছে আসবো চোর হয়ে, আর তুমি জানবে না কখন আমি তোমার কাছে আসবো(প্রকাশিত বাক্য ৩:৩)। “দেখ, আমি চোরের মত আসব(প্রকাশিত বাক্য ১৬:১৫)। “দেখ, আমি দুয়ারে দাঁড়িয়ে করাঘাত করছি। যে আমার ডাক শুনে দুয়ার খুলে দেয়, আমি ভেতরে তার কাছে যাব, তার সঙ্গে পানাহার করব, সেও আমার সঙ্গে পানাহার করবে(প্রকাশিত বাক্য ৩:২০)। যদি আমরা এইগুলো নিয়ে ভালভাবে বিবেচনা করি, তাহলে সহজেই বোঝা যায় প্রভুর ভবিষ্যদ্বাণী তাঁর প্রত্যাবর্তন সম্পর্কে উল্লেখ করে, “মানবপুত্র,” “মানবপুত্রের আগমন হবে,” “মানবপুত্র আসবেন,” “মানবপুত্র তাঁর সেই দিনে,” “নোহের সময়ে যা ঘটেছিল মানবপুত্রের সময়ও তাই-ই ঘটবে।” প্রভু যীশু “মানবপুত্রের আবির্ভাব” বলেছেন বহু বার, যা অন্তিম সময়ে প্রভুকে স্বাগত জানানোর জন্য আমাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে “মানবপুত্র” বলতে কি বোঝানো হচ্ছে? নিঃসন্দেহে, মানবপুত্র বলতে দেহধারণকারী ঈশ্বরের আত্মাকে বোঝানো হচ্ছে। এটা শুধুমাত্র ঈশ্বরের অবতার সম্পর্কেই হতে পারে। প্রভু এটাও বহুবার বলেছেন যে তিনি প্রত্যাবর্তন করবেন “চোরের মত।” তাহলে এই “চোরের মত” কথাটার অর্থ কী? এর অর্থ প্রভু নীরবে, গোপনে আসবেন—যখন মানুষ জানবে না, ঈশ্বর মানবপুত্র হিসেবে দেহধারণ করবেন, গোপনে কথা বলতে এবং কাজ করার জন্য অবতরণ করবেন। আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে অন্তিম সময়ে প্রভুর প্রত্যাবর্তন হবে মানবপুত্র হিসেবে, এবং এটি বিপর্যয়ের আগে ঘটবে, অর্থাৎ, যখন পৃথিবী তার সবচেয়ে খারাপ অন্ধকার সময়ের মধ্যে থাকবে। “মাঝরাতে সাড়া পড়ে গেল, ‘দেখো, বর এসেছে, তাকে বরণ করতে এগিয়ে যাও’(মথি ২৫:৬)। পূর্বের বজ্রালোক ১৯৯১ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সাক্ষ্য বহন করছে, এবং এই ৩০ বছর ধরে, তারা সিসিপির উন্মত্ত নিপীড়ন, গ্রেপ্তার এবং ক্ষতির মধ্য দিয়ে গেছে। এমনকি সিসিপি নিজের দেশব্যাপী প্রচার যন্ত্র ব্যবহার করেছে, ছড়িয়ে দিয়েছে “সর্বশক্তিমান ঈশ্বর” নামটি যা পূর্বের বজ্রালোক সারা বিশ্ব জুড়ে সাক্ষ্য বহন করে, এটিকে একটি গৃহস্থালীর নাম করে দিয়েছে যার সাথে সবাই পরিচিত। এটা প্রভু যীশুর ভবিষ্যদ্বাণী পূরণ করে: “বিদ্যুৎ ঝলকে যেমন আকাশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে, তেমনি করে মনুষ্যপুত্রও তাঁর দিনে উদ্ভাসিত হবেন। কিন্তু প্রথমে তাঁকে দুঃখ যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে এবং এ যুগের লোক তাঁকে প্রত্যাখ্যান করবে(লুক ১৭:২৪-২৫)। পূর্বের বজ্রালোক বছরের পর বছর ধরে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সাক্ষ্য বহন করার পরে, সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষ যারা সত্যকে ভালবাসত সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাণী পড়েছিল এবং সেগুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছিল সত্য হিসেবে, গির্জাগুলোর প্রতি পবিত্র আত্মার বাণী হিসেবে। তারা ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর শুনেছিল এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছিল। তারা হল জ্ঞানী কুমারী যারা ঈশ্বরের সিংহাসনের সামনে উন্নীত হয়েছে এবং প্রভুর ভোজে যোগদান করছে। এমনকি এমন অনেক লোক রয়েছে যারা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বিচার ও নিন্দা করতেন, যারা পরে তাঁর বাণী পড়েছিল এবং শেষমেশ ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর শুনতে এবং ঈশ্বরের সামনে আসতে পেরেছিল। তারা তখন সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে প্রতিরোধ ও নিন্দা করার জন্য অনুশোচনায় অভিভুত হয়ে যায়। এই জ্ঞানী কুমারীরা যারা মেষশাবকের বিবাহের ভোজে যোগদান করছে তারা সাক্ষ্য দিচ্ছে যে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরই আবির্ভাব, অন্তিম সময়ে মানবপুত্রের অবতরণ। কিন্তু যারা আক্ষরিক শাস্ত্রকে আঁকড়ে ধরে থাকে, মেঘারুঢ় হয়ে আসা প্রভু ছাড়া অন্য কাউকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করে, তারা হল বোকা কুমারী যারা বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ছে। তারা কেবল অপেক্ষা করতে পারে বড় বিপর্যয়ের পরে প্রভু যীশুর মেঘের উপর আবির্ভূত হওয়ার জন্য। যেই প্রধান কারণে এই মানুষরা প্রভুকে স্বাগত জানাবে না তা হল তারা শুধুমাত্র মানুষের করা বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণী বিশ্বাস করে, কিন্তু প্রভু যীশুর নিজস্ব মুখের ভবিষ্যদ্বাণী নয়। তারা কেবল প্রভুর মেঘারুঢ় হয়ে আগমনকে মেনে নেবে, কিন্তু তারা এই সত্যটা প্রত্যাখ্যান করবে যে ঈশ্বর দেহধারণ করে আবির্ভূত হয়েছেন এবং মানবপুত্র হিসেবে কাজ করছেন। তারা অবিশ্বাস্যভাবে বিপথগামী এবং বোকা! প্রভু তাঁর প্রত্যাবর্তনের কথা বলার সময় বহুবার “মানবপুত্র”-এর উল্লেখ করেছেন, কিন্তু অনেক “বুদ্ধিমান” এবং “জ্ঞানী” যাজক এবং বাইবেল পণ্ডিত মানবপুত্রের ধারণাকে একেবারে ঘেঁটে তালগোল পাকিয়েছে, এবং সেটা করে একটা সাংঘাতিক ভুল করেছে। তারা নিজেদের বুদ্ধিমত্তার শিকার! সর্বশক্তিমান ঈশ্বর অনেক সত্য ব্যক্ত করেছেন, কিন্তু তারা তবুও তাঁকে মানবপুত্র হিসেবে দেখতে অস্বীকার করে। এটা কি শুধুই অন্ধত্ব নয়? তিনি যদি ঈশ্বরের অবতার না হতেন, তাহলে তিনি কীভাবে এত সত্য ব্যক্ত করতে পারতেন? তারা এখনও সেই ধারণা আঁকড়ে আছে যে তারা কেবল মেঘ থেকে অবতীর্ণ হওয়া প্রভু যীশুকে মেনে নিতে পারে, এবং সেই কারণেই তারা উন্নীত হওয়ার সুযোগ হারাচ্ছে, অন্যদিকে বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ছে। এটা একটা চিরন্তন অনুশোচনা হবে।

আমরা সবাই দেখতে পারি যে প্রভু কাজ করার জন্য প্রত্যাবর্তন করেছেন মানবপুত্রের অবতার হিসেবে। এটি একটি অবিসংবাদিত সত্য যা কেউ অস্বীকার করতে পারে না। কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন করে প্রকাশিত বাক্য ১:৭-এ কথিত “দেখ, মেঘবাহনে তিনি আসিতেছেন” সম্পর্কে এই ভেবে যে এর অর্থ হল প্রভু মেঘারুঢ় হয়ে অবতীর্ণ হবেন। এবং তিনি মেঘের সঙ্গে আসবেন, এবং তিনি মানবপুত্র হিসেবে আসবেন, এই দুটো কথা পরস্পরবিরোধী নয়? এটা মনে হতেই পারে, কিন্তু আসলে এখানে কোন বিরোধ নেই। মানুষের ধারণাশক্তির জন্য এটা একটা স্পর্ধা মাত্র। বাইবেলের যেকোনও ভবিষ্যদ্বাণী একেবারে পূরণ হবে, কিন্তু একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া আছে, এবং কিছু ধাপ আছে। মানবপুত্রের আবির্ভাব এবং প্রভুর মেঘারুঢ় হয়ে আগমনের জন্য একটা অনুক্রমও আছে। ঈশ্বর প্রথমে দেহধারণ করেন এবং গোপনে কাজ করতে আসেন, এবং তারপর তিনি প্রকাশ্যে মেঘের উপর আবির্ভূত হন। এটা কেন দুটো ধাপে ঘটে? এর মাঝে কী হয়? এর মধ্যে রহস্য রয়েছে। প্রথমে দেখা যাক প্রভু যীশু কি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। প্রভু যীশু বলেছেন, “আমার এখনও অনেককিছুই তোমাদের বলার আছে, কিন্তু এখন তোমরা সেগুলো বহন করতে পারবে না। সেই সত্যের আত্মা যখন আসবেন তিনি তোমাদের সকল সত্যের পথে পরিচালিত করবেন(যোহন ১৬:১২-১৩)। “তোমার বাক্যই সত্যস্বরূপ, সেই সত্যের দ্বারা তুমি তাদের শুচিশুদ্ধ কর(যোহন ১৭:১৭)। “কেউ যদি আমার কথা শোনে, এবং অবিশ্বাস করে, আমি তার বিচার করি না: কারণ আমি এই জগৎকে বিচার করতে আসি নি, এসেছি জগতের উদ্ধার করতে। যে আমার বাক্য গ্রহণ না করে আমাকে প্রত্যাখ্যান করে, তারও বিচারকারী রয়েছে: শেষের দিনে আমার মুখনিঃসৃত সেই বাণীই হবে তার বিচারক(যোহন ১২:৪৭-৪৮)। “পিতা কারও বিচার করেন না, বিচারের ভার সম্পূর্ণরূপে তিনি পুত্রকেই দান করেছেন। … তাঁকে তিনি বিচারকার্য নির্বাহের দায়িত্বও দিয়েছেন, কারণ তিনি মানবপুত্র(যোহন ৫:২২, ২৭)। এবং “বিচারের কাল সমাগত, ঈশ্বরের আপনজনদের দিয়েই তা হবে শুরু(১ পিতর ৪:১৭)। প্রভু যীশুর ভবিষ্যদ্বাণী সম্পূর্ণরূপে পূরণ হয়েছে। মানবপুত্র গোপনে এলেন যখন মানবজাতি একবারও এটা আশা করেনি এবং অনেক সত্য ব্যক্ত করেছেন, ও অন্তিম সময়ের বিচারকার্য করছেন। তিনি সত্যের আত্মা যিনি ঈশ্বরের মনোনীত মানুষদের সমস্ত সত্যের দিকে পরিচালিত করছেন এবং বিপর্যয়ের আগে জয়ীদের একটা দল গঠন সম্পন্ন করেছেন। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের রাজ্যের সুসমাচার বিশ্বের প্রতিটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এটা প্রমাণ করে যে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর শয়তানকে পরাজিত করে সমস্ত গৌরব অর্জন করেছেন। এখন যখন মহা বিপর্যয়গুলো শুরু হয়ে গিয়েছে, ঈশ্বর জয়ীদের একটা দল গঠন সম্পন্ন করেছেন এবং তাঁর মহান কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। বিপর্যয়ের পরে, ঈশ্বর প্রকাশ্যে সমস্ত মানুষ এবং সমস্ত জাতির সামনে মেঘারুঢ় হয়ে উপস্থিত হবেন। সেই সময়ে, মানবপুত্রের আবির্ভাব এবং প্রভুর মেঘারুঢ় হয়ে আগমনের ভবিষ্যদ্বাণীগুলি সম্পূর্ণরূপে পূরণ হবে। যেহেতু সর্বশক্তিমান ঈশ্বর আবির্ভূত হয়েছেন এবং ঈশ্বরের ঘর থেকে তাঁর বিচার শুরু করেছেন, যারা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে গ্রহণ করেছে তারা প্রতিদিন ঈশ্বরের বাক্য ভোজন ও পান করছে, এবং ঈশ্বরের বিচার এবং শুদ্ধি গ্রহণ করে, তারা ধীরে ধীরে পাপ এবং শয়তানের বাহিনী থেকে বেরিয়ে আসছে। বিপর্যয়ের আগে ঈশ্বর তাদের জয়ী করেছেন এবং তারাই হল প্রথম ফল। এটি সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত বাক্যের ভবিষ্যদ্বাণীগুলো কে পূরণ করে: “দেখ, আমি দুয়ারে দাঁড়িয়ে করাঘাত করছি। যে আমার ডাক শুনে দুয়ার খুলে দেয়, আমি ভেতরে তার কাছে যাব, তার সঙ্গে পানাহার করব, সেও আমার সঙ্গে পানাহার করবে(প্রকাশিত বাক্য ৩:২০)। “মানুষের মধ্যে থেকে ঈশ্বরের প্রতি ও মেষশাবকের প্রতি প্রথম ফল হিসাবে এরাই মুক্তি পেয়েছিল(প্রকাশিত বাক্য ১৪:৪)। পুরো তিন দশক হয়ে গেছে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর গোপনে এসেছেন অন্তিম সময়ে তাঁর বিচারকার্য করতে। তিনি অনেক সত্য ব্যক্ত করেছেন, উদঘাটন করেছেন বাইবেলের সমস্ত রহস্যের এবং ঈশ্বরের ৬,০০০ বছরের পরিচালনামূলক পরিকল্পনার। মানুষের কলুষিত সারসত্তা বিচার ও প্রকাশ করার জন্য তিনি অনেক কিছু বলেছেন, এবং সেই বাণীগুলো হল সত্যের পথ যা আমাদের আমাদের সাহায্য করে পাপ এবং শয়তানের শক্তি পরিত্যাগ করতে এবং সম্পূর্ণরূপে উদ্ধার হতে। ঈশ্বরের মনোনীত মানুষদের সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দ্বারা বিচার, শাস্তি, ছাঁটাই হয়, মোকাবিলা করা হয়, পরীক্ষা এবং পরিমার্জন করা হয়, তারা নিজেদের দুর্নীতি স্পষ্ট দেখতে পায়, লজ্জিত বোধ করে কোথাও লুকোনোর জায়গা পায়না, এবং অনুশোচনায় ভরে গিয়ে ঈশ্বরের সামনে মাথা নত করে, নিজেদের ঘৃণা এবং অশ্রদ্ধা করে। তারা এটাও দেখে যে ঈশ্বরের ধার্মিক স্বভাব কোনও অপরাধকে সহ্য করবে না এবং তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা গড়ে তুলবে, ধীরে ধীরে তাঁকে ভয় করবে সত্যিকারের অনুতাপ করে এবং পরিবর্তিত হয়ে মন্দকে পরিত্যাগ করবে। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বিপর্যয়ের আগে জয়ীদের একটা দল গঠন সম্পন্ন করেছেন এবং প্রথম ফল লাভ করেছেন। এই জয়ীদের সাক্ষ্যগুলো ভিডিও এবং চলচ্চিত্রে তৈরি করা হয়েছে যা অনলাইনে পাওয়া যায়, যেগুলো সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাসযোগ্য তাদের জন্য যারা দেখে। এটাই যে অন্তিম সময়ে ঈশ্বরের আবির্ভাব এবং কাজ তা পরিষ্কার! সর্বশক্তিমান ঈশ্বর অনেক সত্য ব্যক্ত করেছেন এবং অনেক বড় কাজ করেছেন, যা শুধু সমগ্র বিশ্বকে নয়, সমগ্র মহাবিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বিশ্বকে পরিবর্তন করেছেন, পুরাতন যুগের অবসান ঘটিয়ে নতুন যুগের সূচনা করেছেন। রাজ্যের যুগ শুরু হয়ে গিয়েছে। এর থেকে এটাই প্রমাণ হয় যে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর হলেন মানবপুত্রের আবির্ভাব, প্রত্যাবর্তিত প্রভু যীশু। আমাদের পরিত্রাতা আবির্ভূত হয়েছেন এবং কাজ করছেন! ঈশ্বরের ঘর থেকে শুরু করা বিচারকার্যের বেশিরভাগটাই ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং সেই সঙ্গে মহা বিপর্যয় ঘটেছে। আমরা বলতে পারি যে বিপর্যয়গুলো ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং সেগুলো শুধুই বাড়বে। সমস্ত অন্যায়কারী এবং মন্দ শক্তি যারা ঈশ্বরকে প্রতিরোধ করে তারা বিপর্যয়গুলোর দ্বারা দণ্ডিত এবং ধ্বংস হবে, অথচ যারা ঈশ্বরের অন্তিম সময়ের বিচার এবং শাস্তির মাধ্যমে পরিশুদ্ধ হয় তারা বিপর্যয়ের মাধ্যমে ঈশ্বরের দ্বারা সুরক্ষিত থাকবে। যখন বিপর্যয় শেষ হবে, শয়তানের এই মন্দ জগৎ ধ্বংস হয়ে যাবে, এবং তখন ঈশ্বর প্রকাশ্যে একটি মেঘের উপর সমস্ত মানুষের সামনে উপস্থিত হবেন। এটি প্রকাশিত বাক্য ১:৭-এর ভবিষ্যদ্বাণীর পরিপূর্ণতা হবে: “দেখ, মেঘবাহনে তিনি আসিতেছেন! প্রতিটি নয়ন তাঁকে দেখবে, দেখবে তারাও যারা তাঁকে বিদ্ধ করেছিল। পৃথিবীর সমস্ত মানবগোষ্ঠী তাঁর জন্য বিলাপ করবে।” কেন সব আত্মীয়রা হাহাকার করবে? কারণ সর্বশক্তিমান ঈশ্বর অনেক সত্য ব্যক্ত করেছেন এবং অনেক বড় কাজ করেছেন, কিন্তু তারা শুধু সেগুলো দেখতে অস্বীকার করেনি, তারা ধর্মীয় বিশ্বের খ্রীষ্টবিরোধী শক্তির সঙ্গে তাঁকে তিরস্কার করেছে, তাঁর বিচার এবং নিন্দা করেছে। তারা ঈশ্বরের স্বভাবকে ক্ষুব্ধ করেছে এবং বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত তারা কেবল তাদের বুক চাপড়াবে, কাঁদবে এবং দাঁতে দাঁত ঘষবে, যা উদ্ঘাটনকে পূর্ণ করবে দুঃখের ভবিষ্যদ্বাণী যা বলে “পৃথিবীর সমস্ত মানবগোষ্ঠী তাঁর জন্য বিলাপ করবে।” যারা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বিচার ও শাস্তি গ্রহণ করে পরিশুদ্ধ ও পরিপূর্ণ হয়েছে তারা ঈশ্বরকে প্রকাশ্যে দেখতে পাবে এবং উচ্ছ্বসিত আনন্দে নাচবে, ঈশ্বরের সর্বশক্তিমানতা, প্রজ্ঞা এবং ন্যায়পরায়ণতার প্রশংসা করে। যেমন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বলেছেন: “যারা আমাকে ভালোবাসে এবং নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে, তাদের ওপর আমার কৃপা বর্ষিত হয়। অপরপক্ষে, দুষ্টদের উপর যে দণ্ড আরোপিত হয়, তা আমার ধার্মিক স্বভাবের অকাট্য প্রমাণ, এবং, তদুপরি, আমার ক্রোধের সাক্ষ্য। বিপর্যয়ের সময়ে আমার বিরোধিতাকারী সকলে দুর্ভিক্ষ ও মহামারীর শিকার হয়ে কাঁদবে। আর যারা সব ধরনের মন্দ কাজ করলেও, বহু বছর ধরে আমাকে অনুসরণ করেছে, তারাও তাদের পাপের মূল্য পরিশোধ করা থেকে রেহাই পাবে না; তারাও এমন বিপর্যয়ের মধ্যে নিমজ্জিত হবে, যা লক্ষ লক্ষ বছরে কদাচিৎ পরিলক্ষিত হয়েছে, এবং তারা নিয়ত আতঙ্ক এবং ভয়ের বাতাবরণে বসবাস করবে। আর আমার অনুসারীদের মধ্যে যারা আমার প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছে, তারা আনন্দিত হবে এবং আমার ক্ষমতাকে সাধুবাদ করবে। তারা অনির্বচনীয় সন্তুষ্টি বোধ করবে এবং মানবজাতি এমন অভূতপূর্ব আনন্দের মধ্যে বসবাস করবে যা আমি পূর্বে কখনো তাদের উপর বর্ষণ করি নি। আমি মানুষের সৎকর্মকে মূল্যবান মনে করি এবং তাদের মন্দ কর্মকে ঘৃণা করি। যখন থেকে আমি প্রথম মানবজাতিকে পথ দেখাতে শুরু করি, তখন থেকেই আমি অধীর আগ্রহে আশা করেছি যে, একদল আমার সমমনস্ক মানুষকে অর্জন করবো। ইতিমধ্যে, যারা আমার সমমনস্ক মানুষ নয়, আমি তাদের কখনও ভুলি না; আমি সর্বদা অন্তর থেকে তাদের ঘৃণা করি, তাদের এমন প্রতিফল দানের সুযোগের অপেক্ষায় থাকি, যা দেখে আমি পরিতৃপ্ত হবো। এবার অবশেষে আমার দিন সমাগত, এবং আমাকে আর অপেক্ষা করতে হবে না!(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, তোমার নিয়তির জন্য যথাযথ সৎকার্যসমূহ প্রস্তুত করো)

সর্বশক্তিমান ঈশ্বর তাঁর অন্তিম সময়ের বিচারকার্যের জন্য সত্য ব্যক্ত করেন মানবজাতিকে সম্পূর্ণরূপে পরিশুদ্ধ এবং রক্ষা করার জন্য। এটাই হল মানবজাতির এক এবং একমাত্র সুযোগ উদ্ধার হওয়ার এবং ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করার, এবং সারাজীবনের একটা সুযোগ। মহা বিপর্যয়গুলো শুরু হচ্ছে। যারা জেগে ওঠে এবং দেরি না করে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাজকে দেখে, তাদের দেরি হবে না, কারণ সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বলেন, “আমি অসংখ্য মানুষকে শাস্তি দেওয়ার সময় ধর্মীয় জগতের যাদের আমার কাজের দ্বারা বিভিন্ন মাত্রায় জয় করা হয়েছে, তারা আমার রাজ্যে ফিরে আসবে, কারণ তারা দেখবে সাদা মেঘে আসীন সেই একক পবিত্র সত্তার আবির্ভাব(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের প্রতি ঈশ্বরের বাক্য, অধ্যায় ২৬)। আমরা দেখতে পারি যে কিছু মানুষ ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর শুনবে এবং তাঁর কাজ দেখবে, ঈশ্বরের সামনে উপস্থিত হবে, এবং বিপর্যয়ের মধ্যে তাঁর পরিত্রাণ লাভ করবে। এটা হল বিপর্যয়ের মধ্যে উন্নীত হওয়া এবং এটা তাদের একদম শেষ সুযোগ, আর সেই সঙ্গে মানবজাতির জন্য ঈশ্বরের মহান করুণা। বুদ্ধিমানরা জানবে কোনটা নির্বাচন করতে হবে। যারা ইচ্ছা করে প্রভুর মেঘারুঢ় হয়ে আসার জন্য অপেক্ষা করে তাদের অন্তটা কি হবে, সেটা বোঝাই যাচ্ছে। আসুন আজ সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাণীর একটা শেষ অংশ দেখি। “অনেকে হয়তো আমি যা বলছি তার পরোয়া না করতে পারে, কিন্তু তাও আমি সকল তথাকথিত সন্ত যারা যীশুকে অনুসরণ করে তাদের বলতে চাই যে, তোমরা যখন তোমাদের নিজেদের চোখে যীশুকে স্বর্গ থেকে সাদা মেঘে চড়ে অবতীর্ণ হতে দেখবে, তা হবে ন্যায়পরায়ণতার সূর্যের জনসমক্ষে আবির্ভাব। হয়তো তোমার জন্য তা দারুণ উত্তেজনার এক মুহূর্ত হবে, তবু তোমার জানা উচিত যে, যে সময়ে তুমি স্বর্গ থেকে যীশুকে অবতীর্ণ হতে দেখবে, সেই একই সময়ে তুমিও শাস্তি ভোগ করার জন্য নরকে নিমজ্জিত হবে। সেই সময়েই ঈশ্বরের পরিচালনামূলক পরিকল্পনার সমাপ্তি ঘটবে, এবং সেই সময়েই ঈশ্বর শিষ্টকে পুরস্কৃত করবেন এবং দুষ্টকে দণ্ড দেবেন। মানুষের কোনো প্রতীক দেখতে পাওয়ার আগেই ঈশ্বরের বিচার সম্পন্ন হয়ে যাবে, শুধুমাত্র সত্যের অভিব্যক্তিই থেকে যাবে। যারা প্রতীক না খুঁজে সত্যকে স্বীকার করে এবং ফলত যারা পরিশুদ্ধ, তারা ঈশ্বরের সিংহাসনের সম্মুখে ফিরে যাবে এবং সৃষ্টিকর্তার আলিঙ্গনে আবদ্ধ হবে। কেবলমাত্র যারা এই বিশ্বাসে অনড় থাকবে যে ‘যে যীশু সাদা মেঘে চড়ে আসে না, সে ভণ্ড খ্রীষ্ট’, তারা চিরকালীন দণ্ড ভোগ করবে, কারণ তারা কেবলমাত্র সেই যীশুকে বিশ্বাস করে যিনি প্রতীক প্রদর্শন করেন, কিন্তু সেই যীশুকে স্বীকার করে না যিনি কঠোর রায় ঘোষণা করেন এবং প্রকৃত পথ ও জীবনকে প্রকাশিত করেন। আর তাই এটাই হতে পারে যে যীশু যখন সাদা মেঘে চড়ে সবার সামনে প্রত্যাবর্তন করবেন, কেবল তখনই তাদের সঙ্গে বোঝাপড়া করবেন। তারা অত্যন্ত জেদী, নিজেদের ওপর অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী, অত্যন্ত অহংকারী। এরকম অধঃপতিতেরা কীভাবে যীশুর দ্বারা পুরস্কৃত হতে পারে? যারা সত্য স্বীকার করতে সক্ষম, তাদের জন্য যীশুর প্রত্যাবর্তন এক মহান পরিত্রাণ, কিন্তু যারা সত্যকে স্বীকার করতে অক্ষম, তাদের জন্য এটা তিরস্কারের প্রতীক। তোমাদের নিজেদের পথ নিজেদের বেছে নেওয়া উচিত এবং পবিত্র আত্মার ধর্মনিন্দা বা সত্যকে প্রত্যাখ্যান করা উচিত না। তোমাদের অজ্ঞ এবং অহংকারী মানুষ হওয়া উচিত না, এমন একজন মানুষ হওয়া উচিত যে পবিত্র আত্মার নির্দেশিকা মান্য করে এবং সত্যকে খোঁজার কামনা করে; একমাত্র এই উপায়েই তোমরা লাভবান হবে(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, যতক্ষণে তুমি যীশুর আধ্যাত্মিক দেহ প্রত্যক্ষ করবে, ততক্ষণে ঈশ্বর স্বর্গ ও পৃথিবীকে নতুন করে তৈরি করে ফেলবেন)

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।

সম্পর্কিত তথ্য

কেন আমরা শুধুমাত্র ঈশ্বরের কণ্ঠ শোনার মাধ্যমেই প্রভুকে স্বাগত জানাতে পারি?

এখন সব বিশ্বাসীরাই প্রভু যীশুর মেঘে চড়ে আগমনের জন্য আকুল, কারণ বিপর্যয় ক্রমশই আরো সঙ্কটজনক হয়ে উঠছে এবং সবরকমের ব্যাধির তীব্রতা বাড়ছে,...

ধর্মগুরুদের অনুসরণ করার অর্থই কি ঈশ্বরকে অনুসরণ করা?

আজ থেকে দু’হাজার বছর আগে আমাদের পরিত্রাতা প্রভু যীশু মুক্তির কার্য সম্পন্ন করতে এসেছিলেন এবং তাঁর উন্মত্ত নিন্দা করেছিল প্রধান পুরোহিত,...

রক্ষাকর্তা যখন ফিরে আসবেন, তিনি কি তখনও যীশু নামেই অভিহিত হবেন?

অন্তিম সময়ে, রক্ষাকর্তা সর্বশক্তিমান ঈশ্বর ইতিমধ্যেই পৃথিবীতে এসে গেছেন, তিনি সত্য প্রকাশ করছেন, মানবজাতিকে সম্পূর্ণভাবে উদ্ধার করতে...

“উন্নীত হওয়া” মানে আসলে কী?

২,০০০ বছর আগে, প্রভু যীশু ক্রুশবিদ্ধ হয়ে তাঁর মুক্তির কাজ সম্পন্ন করার পর, তিনি প্রত্যাবর্তন করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তখন থেকে,...

Leave a Reply

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন