এই কণ্ঠস্বর ঈশ্বরের

01-04-2023

পিয়ের, মার্কিং যুক্তরাষ্ট্র

আমি এক খ্রিস্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করি, যখন ছোট ছিলাম, আমি আমার বাবা-মায়ের সাথে গির্জায় উপাসনা করতে যেতাম। আমি জানি না কেন, কিন্তু, যত সময় এগিয়ে যেতে থাকে, আমি আমার হৃদয়ে এক অবিরাম শূন্যতা অনুভব করতে থাকি; আমি জানতাম না প্রার্থনা করার সময় প্রভুকে কী বলবো, এবং আমি যখন বাইবেল পড়তাম তখনও আমি আলোকিত অনুভব করতাম না। আমি অনুভব করছিলাম যে আমি প্রভুর থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছি, এবং আমি তীব্র ব্যথা অনুভব করছিলাম। পরে, আমি প্রায়শই যাজকদের ধর্মোপদেশ শুনতে চাইতাম, এবং এমন অনেক সিনেমা দেখেছিলাম যা নাকি বিশ্বাস জাগিয়ে তোলে। আমি প্রভুর চাহিদার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ কোনো কাজ যাতে না করি তার জন্যও যথাসাধ্য চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু তবুও আমার হৃদয়ে শূন্যতার অনুভূতি থেকে গিয়েছিল।

একদিন, আমার স্বামী এবং আমি মিলে ইউটিউবে “ইয়ার্নিং” (Yearning) নামে একটা খ্রিস্টান সিনেমা দেখি যা সত্যিই আমাদের স্পর্শ করে। সিনেমার একদম শুরুতে, সিনেমার প্রধান চরিত্র নিজের অভিজ্ঞতাগুলো লিখছিল, এবং সে বলে, “দুই হাজার বছর আগে প্রভু যীশু তাঁর অনুগামীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ‘দেখ, আমি শীঘ্রই আসছি(প্রকাশিত বাক্য ২২:৭)।” বাইবেল থেকে এই উদ্ধৃতি তৎক্ষণাৎ আমাদের আকৃষ্ট করে। প্রকাশিত বাক্যের ভবিষ্যদ্বাণীগুলো সবই রহস্যময়, আর এই সিনেমায় দেখলাম প্রধান চরিত্র সেই গ্রন্থের ভবিষ্যদ্বাণীর অংশটার বিষয়েই বলছে। এর পরে সে কী বলবে? আমরা দেখতে থাকি এবং আমাদের কৌতূহলও বাড়তে থাকে। এরপর সিনেমার মূল চরিত্রকে ঈশ্বরে বিশ্বাস করার জন্য সি-সি-পি গ্রেফতার করে। জেলে তার আলাপ হয় ভাই ঝাও-এর সাথে, যিনি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন। ভাই ঝাও একবার এক সুযোগে একটা কাগজের টুকরো গোপনে তার হাতে তুলে দিলেন। তাতে লেখা ছিল: “নিরুৎসাহিত হয়ো না, দুর্বল হয়ো না, আমি তোমার কাছে সবকিছু স্পষ্ট করে তুলব। রাজ্যের পথ অতটাও মসৃণ নয়, কোন কিছুই এত সহজ নয়! তোমরা চাও খুব সহজেই তোমাদের কাছে আশীর্বাদ আসুক, তাই নয় কি? আজ, সবাইকে তিক্ত পরীক্ষাসমূহের সম্মুখীন হতে হবে। এই পরীক্ষাসমূহ ব্যতীত, আমার জন্য তোমাদের প্রেমময় হৃদয় আরো শক্তিশালী হয়ে বিকশিত হবে না এবং আমার জন্য তোমাদের প্রকৃত ভালোবাসা থাকবে না। এমনকি, যদিও এই পরীক্ষাগুলি খুব সাধারণ ঘটনা সংক্রান্তও হয়ে থাকে তাহলেও, এগুলির মধ্যে দিয়েই সকলকে উত্তীর্ণ হতে হবে; তবে পরীক্ষাগুলি কতটা কঠিন হবে তা ব্যক্তিবিশেষের উপর নির্ভর করছে। … যারা আমার তিক্ততার ভাগীদার হবে, তারা অবশ্যই আমার মাধুর্যও লাভ করবে। তোমাদের কাছে এটাই আমার অঙ্গীকার এবং আশীর্বাদ(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, সূচনাকালে খ্রীষ্টের বাক্য, অধ্যায় ৪১)। “অন্তিম সময়ে তোমাকে অবশ্যই ঈশ্বরের নিকট সাক্ষ্য দিতে হবে। তোমার দুঃখকষ্ট যতই বিশাল হোক না কেন, তোমাকে একদম শেষ পর্যন্ত যেতে হবে, এবং এমনকি তোমার শেষ নিঃশ্বাসেও তোমায় অবশ্যই ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে হবে এবং ঈশ্বরের সমন্বয়সাধনে সমর্পণ করতে হবে; শুধুমাত্র এটিই প্রকৃতপক্ষে প্রেমময় ঈশ্বর, এবং কেবল এটিই দৃঢ় ও শক্তিশালী সাক্ষ্য(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, শুধুমাত্র বেদনাদায়ক পরীক্ষার অভিজ্ঞতার দ্বারাই তুমি ঈশ্বরের মাধুর্য জানতে পারবে)। এই দুটো অনুচ্ছেদ সেই প্রধান চরিত্রকে খুবই ছুঁয়ে যায়। সে খুবই সান্ত্বনা পায়, এবং সে তার বিশ্বাস আর শক্তি খুঁজে পায়। একই সাথে, এই অনুচ্ছেদ দুটো আমার স্বামীকে এবং আমাকেও বিস্মিত করে। এই বাক্যগুলো এত নির্ভরযোগ্য, এত শক্তিশালী এবং এত মর্মস্পর্শী হলো কীভাবে? যেন ঈশ্বর আমাদের সাথে সরাসরি কথা বলছেন, আমাদের কী করতে হবে তা বলছেন। যদিও এই বাক্যগুলো থেকে আমি অনুভব করি যে ঈশ্বরে বিশ্বাস চলার পথে কতটা কষ্ট হতে পারে, তবু, নিজের গভীর থেকে একটা আনন্দের অনুভূতি জাগে এবং এই বাক্যগুলো শুনে আমার ভিতরে বিশ্বাস এবং শক্তির সঞ্চার হয়। আমি ভাবলাম, “এই বাক্যগুলো কোথা থেকে এল? এগুলো কি ঈশ্বরের কাছ থেকে এসে থাকতে পারে? এমন কি হতে পারে, যে প্রভু সত্যিই ফিরে এসেছেন? কিন্তু প্রভু যখন আসবেন, তখন তাঁর মেঘবাহনে অবতীর্ণ হওয়ার কথা, এবং আমরা তো এখনও তাঁর মেঘবাহনে অবতীর্ণ হওয়ার কোনও চিহ্ন দেখিনি।” যদিও সেই সময়ে আমার কিছুটা ধন্দ জেগেছিল, তবু, আমি সত্যিই বাক্যগুলো খুবই উপভোগ করেছিলাম এবং আমার স্বামীকেবলেছিলাম, “এই কথাগুলো দারুণ! আমি এত জোরদার কথা এর আগে শুনিনি।” আমি সিনেমাটা পজ করি, একটা নোটবুক তুলে নিই আর সেখানে সেই বাক্যগুলো লিখে নিতে থাকি। লিখতে লিখতে আমি সেগুলো আবার পড়ি: “নিরুৎসাহিত হয়ো না, দুর্বল হয়ো না, আমি তোমার কাছে সবকিছু স্পষ্ট করে তুলব। রাজ্যের পথ অতটাও মসৃণ নয়, কোন কিছুই এত সহজ নয়!” আমি আমার স্বামীর দিকে তাকিয়ে বলি, “রাজ্যের পথ অতটাও?” আমি ভাবি, “কেবল স্বয়ং ঈশ্বরই জানবেন রাজ্যে যাওয়ার পথ কোনটা। এই বাক্যগুলো রাজ্যে যাওয়ার পথের কথাই বলছে, এবং এই বাক্য কোনো সাধারণ ব্যক্তির পক্ষে বলা সম্ভব হত না—এটা এমনই একটা বিষয় যেটা শুধু ঈশ্বরই জানবেন!” আমি আরও পড়তে থাকলাম: “আজ, সবাইকে তিক্ত পরীক্ষাসমূহের সম্মুখীন হতে হবে। এই পরীক্ষাসমূহ ব্যতীত, আমার জন্য তোমাদের প্রেমময় হৃদয় আরো শক্তিশালী হয়ে বিকশিত হবে না এবং আমার জন্য তোমাদের প্রকৃত ভালোবাসা থাকবে না। এমনকি, যদিও এই পরীক্ষাগুলি খুব সাধারণ ঘটনা সংক্রান্তও হয়ে থাকে তাহলেও, এগুলির মধ্যে দিয়েই সকলকে উত্তীর্ণ হতে হবে; তবে পরীক্ষাগুলি কতটা কঠিন হবে তা ব্যক্তিবিশেষের উপর নির্ভর করছে। … যারা আমার তিক্ততার ভাগীদার হবে, তারা অবশ্যই আমার মাধুর্যও লাভ করবে। তোমাদের কাছে এটাই আমার অঙ্গীকার এবং আশীর্বাদ।” এই বাক্যগুলোর সুর থেকে বোধগম্য করেছিল যে সেগুলো এমন একজনের দ্বারা কথিত যিনি সমস্ত কিছু পরিচালনা করেন, যিনি সরাসরি আমাদেরকে নিখাদ আন্তরিকতার সাথে জানান যে বিশ্বাসের পথ মসৃণ নয়, এবং, প্রতি ব্যক্তিকে আবশ্যিকভাবেই বিভিন্ন পরিমাণে ব্যথা এবং কষ্টের অভিজ্ঞতার মধ্যে দিতে যেতে হবে ঠিকই, কিন্তু এর উদ্দেশ্যে আমাদের ভালবাসা এবং বিশ্বাসকে নিখুঁত করা। এই-ই হল আমাদের জন্য ঈশ্বরের ভালোবাসা এবং আশীর্বাদ। আমি হঠাৎ আলো দেখতে পেলাম। আমি সবসময় মনে করতাম যে যে ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখলে তাঁর আশীর্বাদে জীবনে সবকিছু ঠিকঠাক এবং মসৃণভাবে চলতে থাকবে। আমি বিশ্বাস করতাম যে আমরা যদি অবিশ্বাসীদের মতো দুর্যোগ বা বিপর্যয়ের মুখোমুখি হই, তাহলে সেটা একটা খারাপ ব্যাপার কারণ ঈশ্বর আমাদের দণ্ড দিচ্ছেন। সেই ২০১০ সালের মতো, যখন আমি ভূমিকম্পে আমার সমস্ত বিষয়-সম্পত্তি হারাই। তখন, আমার মনে হত যে ঈশ্বর আমাকে দেখছেন না অথবা রক্ষা করছেন না, এবং এমন মনে হওয়ার ফলে আমি ব্যথিত ছিলাম, কারণ আমি ঈশ্বরকে ভুল বুঝবার পরিস্থিতিতে ছিলাম। এখন, এই বাক্যগুলো পড়ে, সেই ধরনের কঠিন পরিস্থিতি সম্পর্কে আমার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে গেল। একই সাথে, আমি এটাও বুঝতে পারলাম যে আমাকে ঈশ্বরকে মান্য করতে হবে, তাঁর কাছে প্রার্থনা করতে হবে, এবং যখন আমার পথে কষ্ট ও পরীক্ষা আসবে তখন ঈশ্বরের কাজগুলো বুঝতে হবে, এবং, তেমন করলে আমি দুর্বল আর নেতিবাচক হয়ে থাকবো না। আমি এই বাক্যগুলো নিয়ে ভাবতেই থাকি: “যারা আমার তিক্ততার ভাগীদার হবে, তারা অবশ্যই আমার মাধুর্যও লাভ করবে। তোমাদের কাছে এটাই আমার অঙ্গীকার এবং আশীর্বাদ।” “নিশ্চয়ই”, “প্রতিশ্রুতি” এবং “আশীর্বাদ”—এই শব্দগুলো থেকে বক্তার কর্তৃত্ব এবং ক্ষমতা বোঝা যাচ্ছে। তিনি আমাদের কিছু করতে বলছেন বটে, কিন্তু তিনি প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন, এবং, তার উপরে আবার, তিনি সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করার ক্ষমতাও রাখেন। এই কথাগুলো আমার হৃদয়কে আন্দোলিত করে, আমি আশ্চর্য হয়ে ভাবতে থাকি কীভাবে এই বাক্যগুলোর স্বরের সাথে প্রভু যীশু যে স্বর ব্যবহার করতেন তার এত মিল থাকতে পারে। যেমন, প্রভু যখন বলছেন, “আমিই পথ। আমিই সত্য এবং আমিই জীবন। আমার মাধ্যমে না গেলে কেউ পিতার কাছে যেতে পারে না(যোহন ১৪:৬); এবং “আমিই পুনরুত্থান এবং আমিই জীবন। আমার উপরে যদি কারও বিশ্বাস থাকে তার মৃত্যু হলেও সে জীবন লাভ করবে(যোহন ১১:২৫); “আমি তোমাদের সত্যই বলছি, তোমরা যদি ঈশ্বরের দিকে ফিরে না আস এবং শিশুদের মত না হও, তবে তোমরা কিছুতেই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না(মথি ১৮:৩)। এই বাক্যগুলোর মাধ্যমে বলা হয়েছে ঈশ্বর আমাদের থেকে কী চান এবং তিনি আমাদের কী প্রতিশ্রুতি দেন, এবং এগুলোয় অঙ্গীভূত রয়েছে ঈশ্বরের পরিচয় এবং মর্যাদা। আমরা যখন এগুলো শুনি তখন আমরা ঈশ্বরের বাক্যের কর্তৃত্ব এবং ক্ষমতা অনুভব করি। যখন আমরা দেখলাম যে সেই সিনেমার বাক্যগুলোও ঠিক সেইরকমই, তখন আমার স্বামীর এবং আমার দুজনেরই মনে হলো যেন সেগুলো ঈশ্বরের কাছ থেকেই এসেছে, এবং যেন সেগুলোও ঈশ্বরেরই স্বর। সেই সময়ে, আমি উত্তেজিত হয়ে উঠেছিলাম, কিন্তু বিভ্রান্তও হচ্ছিলাম: এই বাক্যগুলো তো বাইবেল থেকে আসেনি, তাহলে এগুলো কোথা থেকে আসছে? আমরা সিনেমাটা দেখতে থাকলাম। সিনেমায়, ভাই ঝাও কাজ করতে করতে সেই প্রধান চরিত্রকে বলছিলেন যে প্রভু যীশু ফিরে এসেছেন, এবং তিনি দেহধারণ করেছেন এবং অন্তিম সময়ে মানুষের বিচার ও মানুষকে পরিশুদ্ধ করার কাজ সম্পাদন করতে তিনি গোপনে অবতীর্ণ হয়েছেন। তখন, আমার স্বামী এবং আমি কিছুটা বিভ্রান্ত হলাম, কারণ আমরা সবসময় বিশ্বাস করতাম যে প্রভু যীশু একদিন মেঘবাহনে ফিরে আসবেন। কিন্তু তারপর সেই সিনেমায় ভাই ঝাওকে বলতে শুনলাম, “আমরা কেবলমাত্র মেঘবাহনে প্রভুর আগমনের ভবিষ্যদ্বাণীর উপর ভরসা রেখে অপেক্ষা করে চলেছি, কিন্তু প্রভুর প্রত্যাবর্তন-বিষয়ক অন্যান্য ভবিষ্যদ্বাণী উপেক্ষা করেছি। এটা খুব বড় ভুল! বাইবেলের অনেক অংশেই প্রভুর প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে আরো ভবিষ্যদ্বাণী রয়েছে। উদাহারণস্বরূপ, প্রভুর ভবিষ্যদ্বাণী: ‘দেখ, আমি চোরের মত আসব(প্রকাশিত বাক্য ১৬:১৫)। ‘মাঝরাতে সাড়া পড়ে গেল, “বর আসছে, বর আসছে, তাকে বরণ করতে এগিয়ে যাও”(মথি ২৫:৬)। এছাড়াও প্রকাশিত বাক্য 3:20 আছে, ‘দেখ, আমি দুয়ারে দাঁড়িয়ে করাঘাত করছি। যে আমার ডাক শুনে দুয়ার খুলে দেয়, আমি ভেতরে তার কাছে যাব, তার সঙ্গে পানাহার করব, সেও আমার সঙ্গে পানাহার করবে।’ এবং লূক 17:24-25, ‘বিদ্যুৎ ঝলকে যেমন আকাশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে, তেমনি করে মনুষ্যপুত্রও তাঁর দিনে উদ্ভাসিত হবেন। কিন্তু প্রথমে তাঁকে দুঃখ যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে এবং এ যুগের লোক তাঁকে প্রত্যাখ্যান করবে।’ এই সব ভবিষ্যদ্বাণীতে প্রভুর চোরের মতো ফিরে আসার কথা রয়েছে, রয়েছে মানবপুত্র হয়ে প্রত্যাবর্তনের কথাও; সেগুলো বলে যে তিনি মানুষের দরজায় করাঘাত করতে করতে তাদের সাথে কথা বলবেন, এই ধরণের সব ঘটনার কথা রয়েছে। প্রভুর প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গে, এর থেকে বোঝা যায় যে, তাঁর প্রকাশ্যে মেঘবাহনে অবতরণ ছাড়াও, তিনি এক গোপন উপায়ে নেমে আসবেন। যদি আমরা বিশ্বাস করি যে প্রভু কেবল মেঘবাহনে নেমে আসবেন, তবে তাঁর গোপনে আসার ভবিষ্যদ্বাণীগুলি পূর্ণ হতে পারে না। অন্তিম সময়ে প্রভুর প্রত্যাবর্তন সম্পর্কে বাইবেলে অনেক ভবিষ্যদ্বাণী রয়েছে। আমরা যদি অন্যান্য ভবিষ্যদ্বাণীগুলিকে একপাশে সরিয়ে রেখে বাইবেলের একটা বা দুটো অংশের উপর ভিত্তি করে প্রভু যেভাবে সাদা মেঘের উপর অবতীর্ণ হয়ে ফিরে আসবেন তার মধ্যেই আমাদের দেখাকে সীমাবদ্ধ করি, তাহলে আমরা সম্ভবত তাঁর প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানানোর সুযোগ হাতছাড়া করবো এবং তাঁর দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হবো।” তখন, আমার স্বামী এবং আমি অবিলম্বে আমাদের বাইবেল বের করে এবং এই স্তোত্রগুলোকে প্রতিটা শব্দ ধরে ধরে নিরীক্ষা করলাম। এবং, তেমন করতে করতেই আমি ভাবলাম, “এই স্তোত্রগুলো সত্যিই প্রভুর গোপনে ফিরে আসার কথা বলছে, তাই, যদিও এমন মনে হচ্ছে যে মেঘবাহনে অবতীর্ণ হওয়াই প্রভুর প্রত্যাবর্তনের একমাত্র উপায় নয়। এটা সত্যিই আমার চোখ খুলে দিলো।”

আমার স্বামী এবং আমি মিলে সিনেমাটা দেখতে থাকলাম। ভাই ঝাও তাঁর সহকারিতা করে চলেন, তিনি বলেন, “বাইবেলে প্রভুর ভবিষ্যদ্বাণী রয়েছে, ‘আমি চোরের মত আসব,’ এবং, ‘মাঝরাতে সাড়া পড়ে গেল, “বর আসছে, বর আসছে, তাকে বরণ করতে এগিয়ে যাও।”(মথি ২৫:৬)। ‘কিন্তু প্রথমে তাঁকে দুঃখ যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে এবং এ যুগের লোক তাঁকে প্রত্যাখ্যান করবে(লুক ১৭:২৫)। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের আবির্ভাব এবং কাজ এই ভবিষ্যদ্বাণীগুলোকে পূর্ণ করেছে। বাইরে থেকে তাঁকে দেখতে একজন সাধারণ মানুষের মতোই। তিনি স্বাভাবিক মানবতার ভেতর থেকে কথা বলেন। কে কল্পনা করতে পারে যে তিনিই প্রভুর আবির্ভাব? এর ফলে প্রভুর ফিরে আসার সেই ভবিষ্যদ্বাণী সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ কয়, ‘আমি চোরের মত আসব।’ যারা সুসমাচার প্রচার করেন তাঁরা ঈশ্বরের আবির্ভাব খোঁজে এমন প্রত্যেকের কাছে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাক্যের সাক্ষ্য দেন এবং ধৈর্যের সাথে তাঁর বাক্যের ভিত্তিতে সহকারিতা করে চলেন। এই হলো প্রভুর দরজায় কড়া নাড়া! সর্বশক্তিমান ঈশ্বর তাঁর আবির্ভাব এবং কাজের আরম্ভ থেকে ক্রমাগত সি-সি-পি-র নির্মম অত্যাচার এবং নিপীড়নের শিকার হয়েছেন এবং তিনি ধর্মীয় বিশ্বের উত্তাল প্রতিরোধ, নিন্দা এবং প্রত্যাখ্যান সহ্য করেছেন। এমনকি এমন অনেক দুরাত্মা এবং দানবও রয়েছে যারা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে প্রকাশ্যে আক্রমণ করেছে, ধিক্কার জানিয়েছে এবং অনলাইনে তাঁর অবমাননা করেছে। এর থেকে প্রভুর দ্বারা কথিত এই ভবিষ্যদ্বাণী সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ হয়: ‘কিন্তু প্রথমে তাঁকে দুঃখ যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে এবং এ যুগের লোক তাঁকে প্রত্যাখ্যান করবে।’ প্রভু যদি জনগণের কল্পনা অনুসারে অপার মহিমা নিয়ে একটি মেঘের উপর চেপে প্রকাশ্যে অবতরণ করতেন, তাহলে আগাছা, ছাগল, ভণ্ড সেবক এবং খ্রিস্টবিরোধীরাও নিশ্চয়ই সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে গ্রহণ করার জন্য উপাসনায় রত হত। তাহলে কীভাবে তাদের স্বরূপ উন্মোচিত হত? সর্বশক্তিমান ঈশ্বর এসেছেন এবং সমস্ত সত্য প্রকাশ করেছেন যা মানবজাতিকে শুদ্ধ করে এবং রক্ষা করে, এবং তিনি অন্তিম সময়ে তাঁর বিচারের কাজ করছেন। তাঁর মেষগণ তাঁর কণ্ঠস্বর শুনতে পান, এবং প্রতি সম্প্রদায়ের পবিত্র জ্ঞানীরা সর্বশক্তিমান ঈশ্বর যে বাক্যগুলো প্রকাশ করেছেন তা শুনতে পান এবং সেগুলোকে সত্য হিসেবে এবং ঈশ্বরের স্বর হিসেবে জানতে পারেন, এবং তাঁরা সকলেই সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে নিজেদের নিবেদন করেছেন। এই হল সেই মনোনয়ন। এই মানুষেরা ঈশ্বরের সিংহাসনের সামনে মনোনীত হয়েছেন, এবং খ্রীষ্টের আসনের সামনে বিচার ও দণ্ড পেয়েছেন। তাঁরা প্রথমে শুদ্ধ হন, ঈশ্বর দ্বারা তাঁরা জয়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন, এবং তাঁরাই হন সেইসমস্ত প্রথম ফল। এর থেকে যে ভবিষ্যদ্বাণী পূর্ণ হয় তা হলো, ‘এঁরা কেউ নারী সংস্পর্শে কলুষিত হয়নি, কারণ এঁরা কৌমারব্রতী। মেষশাবক যেখানে যান এঁরাও সেখানে তাঁর অনুসরণ করেন। ঈশ্বর ও মেষশাবকের উদ্দেশ্যে এঁরা মানবজাতির শ্রেষ্ঠাংশরূপে উদ্ধারপ্রাপ্ত। এঁদের মুখে কোন মিথ্যা উচ্চারিত হয়নি, এঁরা নিষ্কলঙ্ক।’ শ্বর গোপনে অবতরণ করে এই দলকে জয়যুক্ত করার পর, তাঁর মহান কাজ সম্পূর্ণ হবে। এর পরে, তিনি প্রকাশ্যে মেঘবাহনে নেমে আসবেন এবং সমস্ত জাতিরাষ্ট্র ও সমস্ত মানুষের সামনে আবির্ভূত হবেন। এর থেকে যে ভবিষ্যদ্বাণী পূর্ণ হয় তা হল, ‘দেখ, মেঘবাহনে তিনি আসিতেছেন! প্রতিটি নয়ন তাঁকে দেখবে, দেখবে তারাও যারা তাঁকে বিদ্ধ করেছিল। পৃথিবীর সমস্ত মানবগোষ্ঠী তাঁর জন্য বিলাপ করবে।’ তখনই দেখা যাবে সেই দৃশ্য যখানে ঈশ্বর প্রকাশ্যে মেঘবাহনে অবতরণ করছেন, এবং সকলের চোখে তিনি দেখা দিচ্ছেন। যারা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের প্রতিরোধ এবং নিন্দা করেছে, তারাও তাঁকে দেখতে পাবে মেঘবাহনে অবতরণ করতে, এবং, সেই কারণেই, ‘পৃথিবীর সমস্ত মানবগোষ্ঠী তাঁর জন্য বিলাপ করবে।’ ঈশ্বর পর্যায়ক্রমে এবং পরিকল্পনা অনুসারে কাজ করেন; প্রভুর প্রত্যাবর্তনের ভবিষ্যদ্বাণীগুলো এখন অনেকাংশে পূর্ণ হয়েছে, যা বাকি আছে তা হলো মেঘবাহনে প্রভুর অবতরণ, যা বিপর্যযসমূহের পরে পূর্ণ হবে।” যখন দেখলাম যে ভাই ঝাও-এর সহকারিতা যুক্তিসঙ্গত এবং সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত, তখন হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করতে পারলাম যে প্রভু সত্যিই ফিরে এসেছেন, যে তিনি দেহধারণ করেছেন এবং গোপনে আমাদের মধ্যে এসেছেন। আমার স্বামী এবং আমি বুঝতে পারলাম যে আমরা বোকার মতো সর্বদা মেঘবাহনে প্রভুর অবতরণের ধারণাকে আঁকড়ে রেখেছিলাম, কিন্তু একই সাথে, গোপনে প্রভুর আগমনের মহান সংবাদ শুনতে পেরে আমরা আনন্দিত হলাম। আমি না ভেবে থাকতে পারলাম না, যে, “এতে আশ্চর্যের কিছুই নেই যে এই বাক্যগুলোকে এতটা কর্তৃত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী মনে হচ্ছে, এবং মনে হচ্ছে যেন সেগুলো ঈশ্বরেরই কণ্ঠস্বর। দেখা যাচ্ছে, এগুলো আসলে ঈশ্বরেরই দ বলা!” উত্তেজনায় ভরপুর হয়ে, আমরা ছবিটা দেখতে থাকলাম। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বলেছেন, “অনেকে হয়তো আমি যা বলছি তার পরোয়া না করতে পারে, কিন্তু তাও আমি সকল তথাকথিত সন্ত যারা যীশুকে অনুসরণ করে তাদের বলতে চাই যে, তোমরা যখন তোমাদের নিজেদের চোখে যীশুকে স্বর্গ থেকে সাদা মেঘে চড়ে অবতীর্ণ হতে দেখবে, তা হবে ন্যায়পরায়ণতার সূর্যের জনসমক্ষে আবির্ভাব। হয়তো তোমার জন্য তা দারুণ উত্তেজনার এক মুহূর্ত হবে, তবু তোমার জানা উচিত যে, যে সময়ে তুমি স্বর্গ থেকে যীশুকে অবতীর্ণ হতে দেখবে, সেই একই সময়ে তুমিও শাস্তি ভোগ করার জন্য নরকে নিমজ্জিত হবে। সেই সময়েই ঈশ্বরের পরিচালনামূলক পরিকল্পনার সমাপ্তি ঘটবে, এবং সেই সময়েই ঈশ্বর শিষ্টকে পুরস্কৃত করবেন এবং দুষ্টকে দণ্ড দেবেন। মানুষের কোনো প্রতীক দেখতে পাওয়ার আগেই ঈশ্বরের বিচার সম্পন্ন হয়ে যাবে, শুধুমাত্র সত্যের অভিব্যক্তিই থেকে যাবে। যারা প্রতীক না খুঁজে সত্যকে স্বীকার করে এবং ফলত যারা পরিশুদ্ধ, তারা ঈশ্বরের সিংহাসনের সম্মুখে ফিরে যাবে এবং সৃষ্টিকর্তার আলিঙ্গনে আবদ্ধ হবে। কেবলমাত্র যারা এই বিশ্বাসে অনড় থাকবে যে ‘যে যীশু সাদা মেঘে চড়ে আসে না, সে ভণ্ড খ্রীষ্ট’, তারা চিরকালীন দণ্ড ভোগ করবে, কারণ তারা কেবলমাত্র সেই যীশুকে বিশ্বাস করে যিনি প্রতীক প্রদর্শন করেন, কিন্তু সেই যীশুকে স্বীকার করে না যিনি কঠোর রায় ঘোষণা করেন এবং প্রকৃত পথ ও জীবনকে প্রকাশিত করেন। আর তাই এটাই হতে পারে যে যীশু যখন সাদা মেঘে চড়ে সবার সামনে প্রত্যাবর্তন করবেন, কেবল তখনই তাদের সঙ্গে বোঝাপড়া করবেন। তারা অত্যন্ত জেদী, নিজেদের ওপর অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী, অত্যন্ত অহংকারী। এরকম অধঃপতিতেরা কীভাবে যীশুর দ্বারা পুরস্কৃত হতে পারে? যারা সত্য স্বীকার করতে সক্ষম, তাদের জন্য যীশুর প্রত্যাবর্তন এক মহান পরিত্রাণ, কিন্তু যারা সত্যকে স্বীকার করতে অক্ষম, তাদের জন্য এটা তিরস্কারের প্রতীক। তোমাদের নিজেদের পথ নিজেদের বেছে নেওয়া উচিত এবং পবিত্র আত্মার ধর্মনিন্দা বা সত্যকে প্রত্যাখ্যান করা উচিত না। তোমাদের অজ্ঞ এবং অহংকারী মানুষ হওয়া উচিত না, এমন একজন মানুষ হওয়া উচিত যে পবিত্র আত্মার নির্দেশিকা মান্য করে এবং সত্যকে খোঁজার কামনা করে; একমাত্র এই উপায়েই তোমরা লাভবান হবে(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, যতক্ষণে তুমি যীশুর আধ্যাত্মিক দেহ প্রত্যক্ষ করবে, ততক্ষণে ঈশ্বর স্বর্গ ও পৃথিবীকে নতুন করে তৈরি করে ফেলবেন)। যখন আমি এই বাক্যগুলো শুনলাম, তখন আমি আশ্চর্য হয়ে ভাবতে থাকলাম যে এই “তথাকথিত সন্ত” বলতে কি তাদের বোঝানো হয়েছে যারা ঈশ্বর যখন গোপনে আবির্ভূত হন তখন তাঁর কাজকে অস্বীকার করে, নাকি তাদের কথা বলা হয়েছে যারা কেবলই প্রভু যীশুর মেঘবাহনে অবতরণের জন্য অপেক্ষা করে চলেছে? এত বছর ধরে প্রায় পুরো ধর্মীয় জগৎ প্রভুর মেঘবাহনে অবতরণের প্রতীক্ষায় রয়েছে। অথচ, এই বাক্যগুলোর মাধ্যমে স্পষ্ট ভাবে বলা রয়েছে যে আমরা যদি অন্ধভাবে প্রভু যীশুর মেঘবাহনে অবতরণের ধারণাকে আঁকড়ে ধরে থাকি এবং ঈশ্বর যে ইতিমধ্যেই আমাদের মধ্যে গোপনে অবতীর্ণ হয়েছেন সেই সত্যকে স্বীকার না করি, তাহলে শেষমেশ ঈশ্বর আমাদের দণ্ড দেবেনই, এবং সেই সময়েই তাঁর অন্তিম সময়ের বিচার, শুদ্ধিকরণ এবং মানুষকে সম্পূর্ণরূপে উদ্ধার করার কাজ সম্পন্ন হবে। এই বাক্যগুলোর স্বর কঠোর, সেগুলো ঈশ্বরের অপ্রতিরোধ্য স্বভাবের পরিচয় বহন করে, সেগুলো কর্তৃত্ব এবং ক্ষমতাবাহী এবং আমাদের শ্রদ্ধায় ও ভয়ে পরিপূর্ণ করে। একই সাথে, এই বাক্যগুলোর মাধ্যমে আমাদের কিছু বিষয়ে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, এবং, সেইসাথে কিছু উপদেশ এবং উত্সাহ দেওয়া হয়, আর তা করা হয় এই আশায় যাতে আমরা এমন মানুষ হয়ে উঠতে পারি যারা সত্যের সন্ধান করতে ও সত্যকে গ্রহণ করতে সক্ষ, ম এবং যারা ঈশ্বরের কাজকে অন্ধভাবে সীমাবদ্ধ করে না বা প্রভুর প্রত্যাবর্তনকে অস্বীকার করে না। এই ছবিটা আমার স্বামীর এবং আমার খুবই আকর্ষণীয় লাগে এবং সেটা আমরা বেশ কয়েকবার দেখি। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাক্য সত্যিই আমাদের অন্তরের অন্তঃস্থল অবধি নাড়া দিয়েছিল। আমাদের উত্তেজনার অনুভূতি বেশ কিছুদিন ধরে বজায় ছিল।

একদিন অফিস যাওয়ার পথে আমার স্বামীকে ফোন করলাম এবং যত আমরা এই বিষয়ে আলোচনা করলাম, তত আমরা উপলব্ধি করলাম যে এই বাক্যগুলো অবশ্যই ঈশ্বরের বাক্য। ও আমাকে উত্তেজিত হয়ে বলল, “আমাদের এই বইটা জোগাড় করতেই হবে!” এর পরে আমাদের কী করা উচিৎ এবং আমাদের প্রভুকে কভাবে স্বাগত জানানো উচিৎ, তা খুঁজে বার করতে আমরা এতটাই আগ্রহী ছিলাম যে আমি কাজ সেরে ঘরে ফিরে আসার সাথে সাথেই আমরা “দ্য চার্চ অফ অলমাইটি গড” (সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের গির্জা) সার্চ করলাম ইন্টারনেটে। সেখানে আমরা দেখলাম একটা বই—“বাক্য দেহে আবির্ভূত হল”। প্রথমে, আমরা মুখবন্ধটা পড়লাম। সেখানে দেখলাম, সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বলেছেন: “‘ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস’-এর অর্থ একজন ঈশ্বর রয়েছেন তা বিশ্বাস করা; ঈশ্বরে বিশ্বাস করা সম্পর্কে এটিই সবথেকে সহজ ধারণা। উপরন্তু, একজন ঈশ্বর আছেন বলে বিশ্বাস করা আর ঈশ্বরে প্রকৃতপক্ষে বিশ্বাস করা এক নয়; বরং, এটা দৃঢ় ধর্মীয় অভিব্যক্তি সহ এক ধরনের সরল বিশ্বাস। ঈশ্বরের ওপর প্রকৃত বিশ্বাসের অর্থ নিম্নরূপ: সব কিছুর উপর ঈশ্বরের সার্বভৌমত্ব রয়েছে এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে, কেউ তাঁর বাক্য ও তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা লাভ করে, তার ভ্রষ্ট স্বভাবকে শুদ্ধ করে, ঈশ্বরের ইচ্ছা পূরণ করে এবং ঈশ্বরকে জানতে পারে। শুধুমাত্র এই ধরনের একটি যাত্রাকেই ‘ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস’ বলা যেতে পারে। তবুও লোকেরা প্রায়শই ঈশ্বরের উপর বিশ্বাসকে একটি সহজ এবং তুচ্ছ বিষয় হিসাবে দেখে। যারা এইভাবে ঈশ্বরে বিশ্বাস করে তারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করার অর্থ হারিয়ে ফেলেছে, এবং যদি তারা শেষ অবধি এই বিশ্বাস ধরেও রাখতে পারে, তবুও তারা কখনোই ঈশ্বরের অনুমোদন পাবে না, কারণ তারা ভুল পথে চলেছে(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য)। এই বাক্যগুলো কত মহান! এমনটা না ভেবে আমি পারলাম না; আমি বুঝতে পারলাম যে কথাগুলো একদম সত্যি। আগে আমার ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস সম্পর্কে যে ধারণাগুলো ছিল, তা সম্পূর্ণ বদলে দিল এই বাক্যগুলো। এর আগে, আমি শুধু জানতাম যে আমাদের অনেকবার বাইবেল পড়তে হবে, অনেক প্রার্থনা করতে হবে এবং অনেক ধর্মোপদেশ শুনতে হবে, এবং আমরা ঈশ্বরে বিশ্বাস করতাম শুধুমাত্র আশীর্বাদ ও অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য। আমার কোনো ধারণাই ছিল না, যে, ঈশ্বরকে সত্যিকারের বিশ্বাস করার মানে ঈশ্বরের বাক্যগুলোকে অনুভব করা, এবং, ঈশ্বর যে সমস্ত কিছুর উপর সার্বভৌমত্ব রাখেন—এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করা। এই বাক্যগুলো ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাসের প্রকৃত অর্থকে কি গভীর এবং সূক্ষ্মভাবে ব্যাখ্যা করেছে, এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার কি পরিষ্কার একটা পথ দেখিয়েছে! আমি আরও নিশ্চিত হলাম, যে, এই বাক্যগুলো ঈশ্বরের থেকেই এসেছে এবং এগুলো ঈশ্বরেরই কণ্ঠস্বর, কারণ সত্য এবং ঈশ্বরে বিশ্বাসের প্রকৃত অর্থ নিয়ে এত স্পষ্টভাবে বলতে পারেন একমাত্র স্বয়ং ঈশ্বরই।

আমরা পড়তেই থাকলাম, এবং দেখলাম, যে, সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বলছেন: “ঈশ্বরের সাথে মানুষের কখনোই তুলনা করা যায় না। তাঁর সারসত্য এবং তাঁর কাজ মানুষের কাছে ধারণাতীত এবং অজ্ঞেয়। ঈশ্বর যদি নিজে মানুষের জগতে তাঁর কাজ না করেন এবং তাঁর বাক্য না বলেন, তাহলে মানুষ কখনোই ঈশ্বরের ইচ্ছা বুঝতে সক্ষম হবে না। এবং তাই, যারা তাদের সমগ্র জীবন ঈশ্বরের জন্য উৎসর্গ করেছে, তারাও তাঁর অনুমোদন পেতে সক্ষম হবে না। যদি ঈশ্বর কাজ করার জন্য প্রস্তুত না হন, তবে মানুষ যতই ভালো কাজ করুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নিষ্ফল হবে, কারণ ঈশ্বরের চিন্তা সর্বদা মানুষের চিন্তার চেয়ে উচ্চতর এবং ঈশ্বরের জ্ঞান মানুষের বোধগম্যতার বাইরে। আর তাই আমি বলি যে যারা ঈশ্বর এবং তাঁর কাজকে ‘পুরোপুরি বোঝে’ বলে দাবি করে তারা অযোগ্য ব্যক্তি; তারা সকলেই দাম্ভিক ও অজ্ঞ। মানুষের ঈশ্বরের কাজকে সংজ্ঞায়িত করা উচিত নয়; অধিকন্তু, মানুষ ঈশ্বরের কাজকে সংজ্ঞায়িত করতে অক্ষম। … যেহেতু আমরা বিশ্বাস করি যে একজন ঈশ্বর আছেন, এবং যেহেতু আমরা তাঁকে সন্তুষ্ট করতে চাই এবং তাঁকে দেখতে চাই, তাই আমাদের সত্যের পথ অনুসন্ধান করা উচিত এবং ঈশ্বরের সাথে সুসংগত হওয়ার পথের সন্ধান করা উচিত। আমাদের তাঁর বিরুদ্ধে একগুঁয়ে বিরোধিতা করা উচিত নয়। এই ধরনের কাজের থেকে কীই বা লাভ হতে পারে?(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, ভূমিকা)। এই অনুচ্ছেদটি পড়ার পরে, আমরা বুঝতে পারি যে আমরা সকলেই সৃষ্ট জীব, চিরকালের মতো নগণ্য। অন্যদিকে, ঈশ্বর চিরকালই ঈশ্বর থাকবেন। তাঁর কথা ও কাজে এত রহস্য রয়েছে যে আমরা তার কিনারা করতে পারি না। আমাদের নম্র হয়ে তাঁর অনুসন্ধান করা উচিৎ, আমরা নির্বিচারে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারি না। আমরা তখন সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সেই বাক্য পড়ি যা বলছে, “তুমি হয়তো গবেষণার উদ্দেশ্যে বইটা খুলেছ, অথবা হয়তো গ্রহণ করবার অভিপ্রায় নিয়ে; তোমার মনোভাব যাই হোক না কেন, আশা করি তুমি এটি শেষ পর্যন্ত পড়বে এবং সহজে এটিকে একপাশে সরিয়ে দেবে না(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, ভূমিকা)। এটা পড়ে আমি অনুভব করলাম যে এই বাক্য কত আন্তরিক, যেন ঈশ্বর আমাদের সাথে সরাসরি কথা বলছেন, আমাদেরকে তাঁর বাক্য এবং কাজ অনুসন্ধানের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। আমি এই বইটা পড়া চালিয়ে যাওয়ার এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের গির্জার সাথে যোগাযোগ করার সিদ্ধান্ত নিলাম।

আমরা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের গির্জা ওয়েবসাইটে “চ্যাটবক্স”-এর মাধ্যমে মেসেজ পাঠালাম, এবং গির্জার ভাইবোনেরা দ্রুত আমাদের সাথে যোগাযোগ করলেন। এর পরে, আমরা প্রায়শই অনলাইনে ভাই ও বোনদের সাথে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাক্য পাঠ করতাম, আমাদের প্রত্যেকে নিজেদের অভিজ্ঞতা এবং উপলব্ধি ভাগ করে নিতাম। আমি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাক্য যত বেশি পড়তে থাকলাম, তত আমি অনেক সত্য জানতে পারলাম, যেমন অন্তিম সময়ে ঈশ্বর কীভাবে বিচারের কাজ সম্পাদন করবেন, উদ্ধার পাওয়া এবং সম্পূর্ণ পরিত্রাণ অর্জনের মধ্যে পার্থক্য কী, মনোনীত হওয়ার মানে কী, কোন ধরনের মানুষ স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করতে পারেন, এবং অবতারের রহস্য। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাক্য বলেছে, “যীশু যখন মানুষের জগতে অবতীর্ণ হয়েছিলেন, তিনি অনুগ্রহের যুগের সূচনা করেছিলেন এবং আইনের যুগের অবসান ঘটিয়েছিলেন। অন্তিম সময়ে, ঈশ্বর আরও একবার দেহরূপে আবির্ভূত হয়েছেন এবং এই অবতারের মাধ্যমে তিনি অনুগ্রহের যুগের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যের যুগের সূচনা করেছেন। যারা ঈশ্বরের দ্বিতীয় অবতারকে গ্রহণ করতে সক্ষম তাদের সকলকে রাজ্যের যুগে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেইসাথে তারা ব্যক্তিগতভাবে ঈশ্বরের নির্দেশনা গ্রহণ করতে সক্ষম হবে। যদিও যীশু মানুষের মধ্যে অনেক কাজ করেছিলেন, কিন্তু তিনি শুধুমাত্র সমস্ত মানবজাতির মুক্তি সম্পূর্ণ করেছিলেন এবং মানুষের পাপস্খালনের বলি হয়েছিলেন; তিনি মানুষকে তার সমস্ত ভ্রষ্ট স্বভাব থেকে মুক্তি দেননি। শয়তানের প্রভাব থেকে মানুষকে পুরোপুরি মুক্ত করার জন্য শুধু যীশুর পাপস্খালনের বলি হওয়া আর মানুষের পাপ বহন করার প্রয়োজন ছিল তাই নয়, বরং মানবজাতিকে সম্পূর্ণরূপে তার শয়তানোচিত ভ্রষ্ট স্বভাব থেকে উদ্ধার করার জন্য ঈশ্বরের আরো মহত্তর কর্মের প্রয়োজন ছিল। এবং তাই, এখন যখন মানুষ তার পাপের ক্ষমা পেয়েছে, ঈশ্বর মানুষকে নতুন যুগে নিয়ে যাওয়ার জন্য দেহরূপে ফিরে এসেছেন এবং শাস্তি ও বিচারের কাজ শুরু করেছেন। এই কাজ মানুষকে এক উচ্চতর জগতে নিয়ে এসেছে। যারা তাঁর রাজত্বের অধীনে আত্মসমর্পণ করে তারা উচ্চতর সত্য উপভোগ করবে এবং বৃহত্তর আশীর্বাদ লাভ করবে। তারা প্রকৃতপক্ষেই আলোতে বাস করবে, এবং তারা সত্য, পথ ও জীবন লাভ করবে(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, ভূমিকা)। “যিহোবার কাজ থেকে যীশুর কাজ পর্যন্ত, এবং যীশুর কাজ থেকে বর্তমান পর্যায় পর্যন্ত, এই তিনটি পর্যায় এক নিরবচ্ছিন্ন যোগসূত্রে ঈশ্বরের ব্যবস্থাপনার ব্যাপ্তিকে বিধৃত করে, এবং তা সবই এক আত্মার কাজ। পৃথিবীর সৃষ্টির পর থেকে ঈশ্বর সর্বদাই মানুষকে পরিচালনার কাজ করে চলেছেন। তিনিই আদি এবং অন্ত, তিনিই প্রথম এবং অন্তিম, এবং তিনিই সেই একক যে একটি যুগের সূচনা করেন এবং তিনিই সে যে সেই যুগকে সমাপ্ত করেন। বিভিন্ন যুগে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে তিনটি পর্যায়ের কাজ, অভ্রান্তভাবে এক আত্মার কাজ। যারা এই তিনটি পর্যায়কে পৃথক করে, তারা সকলেই ঈশ্বরের বিপক্ষে অবস্থান করে(বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, ঈশ্বরের কাজের দর্শন (৩))। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাক্যগুলো পড়ার পরে, আমি উপলব্ধি করতে পারলাম যে প্রভু যীশু শুধুমাত্র মানবজাতিকে মুক্তি দেওয়ার কাজ করেছিলেন; তিনি অন্তিম সময়ে মানুষকে বিচার করা, পরিশোধন করা এবং সম্পূর্ণরূপে উদ্ধার করার কাজ করেননি। যদিও প্রভুর প্রতি আমাদের বিশ্বাসের অর্থ হল আমাদের পাপগুলো ক্ষমা করা হয়েছে, তাতে আমাদের পাপপূর্ণ প্রকৃতিকে মুছে ফেলা যায় না, এবং সেই কারণেই আমরা এখনও প্রায়শই পাপ করে থাকি এবং তা স্বীকারও করে চলি, এবং সেই কারণেই আমরা পাপের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হতে পারি না। প্রভু যীশুর উদ্ধার কার্যের উপর ভিত্তি করে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর সত্য প্রকাশ করেন, এবং অন্তিম সময়ে বিচারের কাজ সম্পাদন করেন এবং মানুষকে চিরতরে শুদ্ধ ও রক্ষা করেন। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর এবং প্রভু যীশু এক ঈশ্বর, যিনি বিভিন্ন নাম গ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন কাজ করেন। কেবলমাত্র অন্তিম সময়ে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বিচারের কাজ অনুভব করার মাধ্যমেই আমাদের ভ্রষ্ট স্বভাব শুদ্ধ হতে পারে এবং আমরা ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশের উপযুক্ত হতে পারি। এই তথ্য আমাদের জেনে রাখা সত্যিই খুব দরকার! সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাক্য আমাদের কাছে ঈশ্বরের কাজ সম্পর্কিত এই রহস্যগুলো প্রকাশ করতে থাকে, এবং আমরা তা পড়ে গভীরভাবে প্রভাবিত হয়ে উঠি। সত্যিই, এগুলো ঈশ্বরের বাক্য ও কণ্ঠস্বর! কারণ একমাত্র ঈশ্বরই ঈশ্বরের কাজের রহস্য উদঘাটন করতে পারেন, শুধুমাত্র ঈশ্বরই পুরোনো যুগের অবসান ঘটিয়ে নতুন এক যুগ আনতে পারেন। কোনও মানুষের দ্বারা তা সম্ভব নয়।

আমরা আরও দেখলাম যে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর অনুশীলনের সাথে সম্পর্কিত অনেক সত্য জারি করেছেন, যেমন বিশ্বাসের নীতি, সততার নীতি, ঈশ্বরকে মান্য করার নীতি এবং ঈশ্বরকে সত্যিকারের ভালবাসার নীতি। এগুলো যথার্থভাবেই আমাদের সমৃদ্ধ করে এবং প্রভু যীশুর বাক্য সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ করে: “তোমাদের আরও অনেক বিষয়ে আমার বলার আছে কিন্তু এখন তোমাদের পক্ষে তা বহনে অপারগ। সেই সত্যের আত্মা যখন আসবেন তিনি তোমাদের সকল সত্যের পথে পরিচালিত করবেন। তিনি নিজে থেকে কিছুই বলবেন না, যা তিনি শুনবেন শুধুমাত্র তা-ই বলবেন এবং সমস্ত ভাবী ঘটনার কথা তিনি তোমাদের কাছে প্রকাশ করবেন(যোহন ১৬:১২-১৩)। আমরা সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হলাম যে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর প্রকৃতপক্ষে প্রত্যাবর্তিত প্রভু যীশু, সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাক্যগুলো ঈশ্বরের অভিব্যক্তি, এবং প্রকাশিত বাক্যে যে মুদ্রাঙ্কিত গ্রন্থের কথা রয়েছে, তা এগুলোই। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাক্য পাঠ করার মাধ্যমে, এখন আমরা এমন অনেক সত্য উপলব্ধি করতে পারি যা আমরা আগে কখনো উপলব্ধি করতে পারিনি, এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা এবং তাঁর বাক্যগুলো পাঠের মাধ্যমে, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম তার সমস্তটাই সমাধান হয়ে গিয়েছে। আমরা সত্যিই ঈশ্বরের সাথে মুখোমুখি হয়ে জীবনযাপন শুরু করেছি, আমরা এতই আশীর্বাদধন্য! আমি শিখেছি যে প্রভুকে স্বাগত জানানোর জন্য ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর শোনা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ!

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

সম্পর্কিত তথ্য

আমি ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর শুনেছি

দুই বছর আগে আমি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের অন্তিম সময়ের কাজ গ্রহণ করেছি। সত্যি বলতে কি, আমি অনেক বেশি অর্জন করেছি দশ বছর ধরে ধর্মীয়...

ধর্মে সত্য অর্জন করা যায় না

আমি ছোটবেলায় প্রভুকে বিশ্বাস করার বিষয়ে আমার মা-বাবার পথই বেছে নিয়েছিলাম, আর আমি সাগ্রহে আমার বিশ্বাস মেনে চলছিলাম। আমি সক্রিয়ভাবে...

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন