আন্তরিক অনুশোচনার মাধ্যমে মানুষ ঈশ্বরের করুণা ও সহিষ্ণুতা লাভ করে (পর্ব ৩)

ঈশ্বরের করুণা ও সহিষ্ণুতা বিরল নয়—মানুষের প্রকৃত অনুতাপই বিরল

নীনবীবাসীদের প্রতি ঈশ্বর যতই কুপিত হয়ে থাকুন না কেন, যেই মুহূর্তে তারা অনশনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলো এবং চটবস্ত্র ও ভস্ম পরিধান করলো, তাঁর হৃদয় নরম হতে শুরু করলো এবং তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে শুরু করলেন। যখন তিনি তাদের নিকট প্রচার করেন যে তিনি তাদের নগরী ধ্বংস করবেন—তাদের স্বীকারোক্তি ও তাদের পাপের জন্য অনুতাপের প্রাকমুহূর্তে—ঈশ্বর তখনও তাদের উপর রাগান্বিত ছিলেন। একবার তারা যখন অনুতাপসিক্ত ধারাবাহিক কার্যক্রম সম্পন্ন করলো, নীনবীর মানুষদের প্রতি ঈশ্বরের কোপ ক্রমশ তাদের প্রতি করুণা ও সহিষ্ণুতায় রূপান্তরিত হল। একই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঈশ্বরের প্রকৃতির এই দুটি অভিমুখের সমাপতিত উদ্ঘাটনের মধ্যে পরস্পরবিরোধী কিছু নেই। তাহলে কোনো ব্যক্তি কীভাবে এই পরস্পরবিরোধিতার অভাবকে উপলব্ধি করবে ও জানবে? নীনবীর লোকেরা যখন অনুতাপ প্রকাশ করে, ঈশ্বর পালা-ক্রমে তাঁর এই দুই বিপরীত-মেরুর সারসত্যের প্রত্যেকটিকে অভিব্যক্ত ও প্রকাশিত করেন, এবং এইভাবে মানুষকে ঈশ্বরের সারসত্যের বাস্তবতা ও অলঙ্ঘনীয়তা দেখার সুযোগ করে দেন। ঈশ্বর তাঁর আচরণের মাধ্যমে মানুষকে বলতে চান: বিষয়টা এমন নয় যে ঈশ্বর মানুষকে সহ্য করেন না, বা এমন নয় যে তিনি তাদের ক্ষমা করতে চান না; বরং আসল কথা, তারা ঈশ্বরের কাছে খুব কম সময়েই প্রকৃত অনুতাপ করে এবং খুব কম ক্ষেত্রেই তারা নিজেদের অশুভ পথ থেকে প্রকৃত অর্থে সরে দাঁড়ায় এবং হিংসা পরিত্যাগ করে। অন্যভাবে বলতে গেলে, ঈশ্বর যখন মানুষের প্রতি কুপিত, তিনি আশা করেন যে মানুষ সৎভাবে অনুতাপ করতে পারবে এবং সত্যই তিনি মানুষের প্রকৃত অনুতাপ দেখার আশা করেন, যদি তা হয়, তাহলে তিনিও উদারভাবে মানুষের ওপর তাঁর ক্ষমা ও সহনশীলতা বর্ষণ করবেন। এ কথা বলার অর্থ, মানুষের দুষ্কর্ম ঈশ্বরকে ক্রুদ্ধ করে, অন্যদিকে ঈশ্বরের ক্ষমা ও সহনশীলতা তাদের ওপর বর্ষিত হয় যারা ঈশ্বরের বাক্য শোনে ও তাঁর সামনে প্রকৃত অর্থে অনুতাপ করে, যারা দুষ্ট কর্মের পথ থেকে সরে দাঁড়াতে পারে এবং হিংসা ত্যাগ করতে পারে। ঈশ্বরের আচরণ নীনবীয়দের প্রতি তাঁর ব্যবহারে স্পষ্টরূপে প্রকাশিত হয়েছিল: ঈশ্বরের করুণা ও সহনশীলতা অর্জন করা আদৌ কঠিন নয়, এবং তিনি প্রকৃত অনুশোচনা আকাঙ্ক্ষা করেন। যদি মানুষ তাদের অশুভ পথ থেকে সরে দাঁড়ায় ও হিংসা পরিহার করে, ঈশ্বর তাঁর হৃদয় ও তাদের প্রতি তাঁর আচরণ পরিবর্তন করবেন।

সৃষ্টিকর্তার ধার্মিক প্রকৃতি বাস্তব ও সুস্পষ্ট

নীনবীর লোকজনের প্রতি ঈশ্বর যখন তাঁর মনোভাব পরিবর্তন করেন, তখন তাঁর করুণা ও সহিষ্ণুতা কি একটা ছদ্ম-অভিব্যক্তি ছিল? অবশ্যই ছিল না। তাহলে ঈশ্বর কর্তৃক এই একটি পরিস্থিতির মোকাবিলা কালে, ঈশ্বরের প্রকৃতির এই দুটি অভিমুখের মধ্যে ক্রমপরিবর্তনের মাধ্যমে কী প্রদর্শিত হয়েছে? ঈশ্বরের প্রকৃতি একটি সম্পূর্ণ সমগ্রতা—তা আদৌ খণ্ডিত নয়। মানুষের প্রতি তিনি তাঁর রোষই প্রকাশ করুন কি তাঁর করুণা ও সহিষ্ণুতা, এ সকলই তাঁর ধার্মিক প্রকৃতির অভিব্যক্তি। ঈশ্বরের প্রকৃতি প্রাণময় এবং সুস্পষ্টভাবে দৃশ্যমান, এবং বিষয়গুলি যেভাবে ক্রমবিকশিত হয় সেই অনুযায়ী তিনি তাঁর চিন্তাভাবনা ও মনোভাব পরিবর্তিত করেন। নীনবীবাসীদের প্রতি তাঁর মনোভাবের রূপান্তর মানুষকে জানায় যে তাঁর নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও মতামত আছে; তিনি কোনো যন্ত্রমানব বা মৃন্ময় মূর্তি নন, তিনি স্বয়ং প্রাণময় ঈশ্বর। নীনবীর মানুষজনের প্রতি তিনি কুপিত হতে পারেন, ঠিক যেমন তাদের মনোভঙ্গির কারণে তিনি তাদের অতীতকে ক্ষমাও করতে পারেন। তিনি নীনবীবাসীদের উপর দুর্ভাগ্য ডেকে আনার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, এবং তাদের অনুতাপের কারণে তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তনও করতে পারেন। মানুষ কঠোরভাবে নিয়ম প্রয়োগ করতে পছন্দ করে, এবং এরকম নিয়মকে ব্যবহার করে ঈশ্বরকে সীমায়িত ও সংজ্ঞাবদ্ধ করতে পছন্দ করে, ঠিক যেমন তারা ঈশ্বরের প্রকৃতিকে বোঝার প্রচেষ্টায় সূত্র ব্যবহার করতে পছন্দ করে। তাই, মানবিক চিন্তার পরিধি যতদূর সংশ্লিষ্ট সেই অনুযায়ী, ঈশ্বর চিন্তাভাবনা করেন না, এবং তাঁর মৌলিক কোনো মতামতও নেই। কিন্তু বাস্তবে, বিষয় ও পরিস্থিতির পরিবর্তন অনুসারে ঈশ্বরের চিন্তাভাবনা ক্রমাগত রূপান্তরিত হয়। এই চিন্তাগুলির রূপান্তরণের সময় ঈশ্বরের সারসত্যের বিভিন্ন অভিমুখ উদ্ভাসিত হয়। এই রূপান্তরণ প্রক্রিয়া চলাকালীন, ঠিক যে মুহূর্তে ঈশ্বরের হৃদয় পরিবর্তন ঘটে, মানবজাতিকে তখন তিনি যা প্রদর্শন করেন তা তাঁর জীবনের বাস্তব অস্তিত্ব, এবং তিনি প্রদর্শন করেন যে তাঁর ধার্মিক প্রকৃতি ঘাত-প্রতিঘাতমূলক প্রাণশক্তিতে ভরপুর। একই সঙ্গে, মানবজাতির কাছে তাঁর ক্রোধ, তাঁর করুণা, তাঁর মমতা ও তাঁর সহিষ্ণুতার অস্তিত্বের সত্যতাকে প্রতিপন্ন করতে ঈশ্বর তাঁর নিজের প্রকৃত উদ্ঘাটনকে ব্যবহার করেন। ঘটনাদি কীভাবে বিবর্তিত হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে তাঁর সারসত্য যে-কোনো সময় এবং যে-কোনো স্থানে প্রকাশিত হবে। তিনি সিংহের মতো ক্রোধ ও মায়ের মতো করুণা ও সহিষ্ণুতার অধিকারী। তাঁর ধার্মিক প্রকৃতি কোনো মানুষের দ্বারা জেরা, লঙ্ঘন, পরিবর্তন বা বিকৃতির অনুমোদন করে না। সকল বস্তু ও সকল বিষয়ের মধ্যে, ঈশ্বরের ধার্মিক প্রকৃতি—অর্থাৎ, ঈশ্বরের ক্রোধ ও ঈশ্বরের করুণা—যে-কোনো সময়ে ও যে-কোনো স্থানে অভিব্যক্ত হতে পারে। সকল সৃষ্টির প্রতিটি কোণে তাঁর প্রকৃতির এই অভিমুখগুলিকে তিনি প্রাণবন্ত অভিব্যক্তি প্রদান করেন, এবং প্রতিটি চলমান মুহূর্তে প্রাণপ্রাচুর্যের সাথে তিনি ওগুলি বাস্তবায়িত করেন। ঈশ্বরের ধার্মিক প্রকৃতি স্থানকালের দ্বারা সীমাবদ্ধ নয়; বাক্যান্তরে, ঈশ্বরের ধার্মিক প্রকৃতি স্থানকালের বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী যান্ত্রিকভাবে অভিব্যক্ত বা প্রকাশিত হয় না, বরং সর্বকালে ও সর্বত্র এবং অতি সহজেই তা প্রকাশিত হয়। তুমি যখন লক্ষ্য করো যে ঈশ্বরের হৃদয় পরিবর্তন ঘটেছে, তিনি তাঁর ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ স্থগিত করেছেন এবং নীনবী নগরীকে ধ্বংস করা থেকে নিবৃত্ত হয়েছেন, তখন তুমি কি বলতে পারো যে ঈশ্বর কেবল করুণাপূর্ণ ও প্রেমময়? তুমি কি বলতে পারো যে ঈশ্বরের ক্রোধ শূণ্যগর্ভ বাক্যে নির্মিত? ঈশ্বর যখন ভয়ানক ক্রোধে কুপিত হন এবং তাঁর করুণা প্রত্যাহার করে নেন, তখন তুমি কি বলতে পারো যে মানুষের প্রতি তিনি প্রকৃত কোনো প্রেম অনুভব করেন না? ঈশ্বরের দ্বারা এই ভয়ঙ্কর ক্রোধ অভিব্যক্ত হয় মানুষের মন্দ কর্মের প্রতিক্রিয়াস্বরূপ; তাঁর ক্রোধ ত্রুটিপূর্ণ নয়। ঈশ্বরের হৃদয় বিচলিত হয় মানুষের অনুতাপের প্রতিক্রিয়াস্বরূপ, এবং এই অনুতাপই তাঁর হৃদয় পরিবর্তন ঘটায়। যখন তিনি বিচলিত অনুভব করেন, যখন তাঁর হৃদয় পরিবর্তন ঘটে, এবং যখন তিনি মানুষের প্রতি তাঁর করুণা ও সহিষ্ণুতা প্রদর্শন করেন, এর সকলকিছুই সম্পূর্ণভাবে ত্রুটিহীন; এগুলো পরিচ্ছন্ন, বিশুদ্ধ, কলঙ্কমুক্ত ও নিখাদ। ঈশ্বরের সহিষ্ণুতা নির্ভুলভাবে সহিষ্ণুতাই, ঠিক যেমন তাঁর করুণা করুণা ব্যতীত অন্য কিছু নয়। মানুষের অনুতাপ ও তাদের আচরণের তারতম্য অনুসারে ঈশ্বরের প্রকৃতি ক্রোধ অথবা করুণা ও সহিষ্ণুতা অভিব্যক্ত করে। তিনি যা-ই প্রকাশ করুন বা অভিব্যক্ত করুন, তার সমস্তটাই বিশুদ্ধ ও প্রত্যক্ষ; তার সারসত্য সৃষ্টির সকলকিছুর সারসত্যের থেকে স্বতন্ত্র। ঈশ্বর যখন তাঁর ক্রিয়াকর্মের অন্তর্নিহিত নীতিসমূহ অভিব্যক্ত করেন, সেগুলি সকল ত্রুটি বা দোষ থেকে মুক্ত, এবং ঠিক তেমনই দোষমুক্ত তাঁর চিন্তা, তাঁর ধারণা, তাঁর নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও তাঁর দ্বারা কৃত প্রতিটি কাজ। ঈশ্বর যেহেতু এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং যেহেতু তিনি এভাবেই কাজ করেছেন, তাই এভাবেই তিনি তাঁর কৃতকর্ম সম্পন্ন করেন। তাঁর কৃতকর্মের ফলাফল সঠিক ও ত্রুটিশূণ্য সম্যক এই কারণে যে তাদের উৎস নির্ভুল ও নিষ্কলঙ্ক। ঈশ্বরের ক্রোধ ত্রুটিশূন্য। একই ভাবে, ঈশ্বরের করুণা ও সহিষ্ণুতা—সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে কেউ যার অধিকারী নয়—পবিত্র ও নিখুঁত, এবং তা সুচিন্তিত পর্যালোচনা ও অভিজ্ঞতাকে ঠেকিয়ে রাখতে পারে।

নীনবীর গল্পটি পাঠ করে তোমাদের উপলব্ধির মাধ্যমে, তোমরা কি এখন ঈশ্বরের ধার্মিক প্রকৃতির সারসত্যের অপর দিকটি দেখতে পাও? ঈশ্বরের অনন্য ধার্মিক প্রকৃতির অপর পৃষ্ঠটি কি তোমরা দেখতে পাও? মানুষদের মধ্যে কেউ কি এ ধরনের প্রকৃতির অধিকারী? কেউ কি সেই ধরনের ক্রোধের অধিকারী, যা ঈশ্বরের ক্রোধ? ঈশ্বরের যেমন আছে কেউ কি তেমন করুণা ও সহিষ্ণুতার অধিকারী? সৃষ্টির মধ্যে কে এমন ভয়ঙ্কর ক্রোধ আহ্বান করে আনতে পারে এবং মানবজাতিকে ধ্বংস করার বা মানবজাতির উপর বিপর্যয় ডেকে আনার সিদ্ধান্ত নিতে পারে? এবং কে-ই বা মানুষকে করুণা অর্পন করার, সহনশীলতা দেখানোর ও ক্ষমা করার, এবং এর মাধ্যমে মানুষকে ধ্বংস করার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের যোগ্যতাসম্পন্ন? সৃষ্টিকর্তা তাঁর নিজস্ব অনন্য পদ্ধতি ও নীতির মাধ্যমে তাঁর ধার্মিক প্রকৃতি অভিব্যক্ত করেন, এবং তিনি কোনো মানুষ, ঘটনাবলী বা বস্তুসমূহের দ্বারা আরোপিত নিয়ন্ত্রণ বা বাধানিষেধের অধীন নন। তাঁর অনন্য প্রকৃতির কারণে কেউ তাঁর চিন্তা বা ধারণা পরিবর্তন করতে সমর্থ নয়, এবং কেউ তাঁকে সম্মত করাতে ও তাঁর কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করাতেও সমর্থ নয়। আচরণ ও চিন্তার যে সমগ্রতা সকল সৃষ্টির মধ্যে বিদ্যমান, তা তাঁর ধার্মিক প্রকৃতির বিচারের অধীনে বিরাজ করে। তিনি ক্রোধ না করুণার প্রয়োগ করবেন, তা কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না; শুধুমাত্র সৃষ্টিকর্তার সারসত্য—বা অন্য কথায়, সৃষ্টিকর্তার ধার্মিক প্রকৃতি—এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সৃষ্টিকর্তার ধার্মিক স্বভাবের অনন্য প্রকৃতি এমনই!

নীনবীর মানুষদের প্রতি ঈশ্বরের মনোভাবের রূপান্তরকে বিশ্লেষণ ও উপলব্ধি করার মাধ্যমে, ঈশ্বরের ধার্মিক প্রকৃতির মধ্যে দৃশ্যমান করুণাকে বর্ণনা করতে তোমরা কি “অনন্য” শব্দটি ব্যবহার করতে সক্ষম? আগে আমরা বলেছি যে ঈশ্বরের ক্রোধ তাঁর অনন্য ধার্মিক প্রকৃতির সারসত্যের একটি অভিমুখ। এখন আমি তাঁর ধার্মিক প্রকৃতি হিসাবে দুটি বিষয় সংজ্ঞায়িত করবো—ঈশ্বরের ক্রোধ এবং ঈশ্বরের করুণা। ঈশ্বরের ধার্মিক প্রকৃতি পবিত্র; লঙ্ঘিত হওয়া বা সওয়ালের সম্মুখীন হওয়া তা সহ্য করে না; এটা এমন এক জিনিস সৃজিত বা অসৃজিত সত্তাদের মধ্যে কেউ যার অধিকারী নয়। এটি ঈশ্বরের একই সাথে অনন্য ও একচেটিয়া সম্পদ। অর্থাৎ, ঈশ্বরের ক্রোধ পবিত্র ও অলঙ্ঘনীয়। একই ভাবে, ঈশ্বরের ধার্মিক প্রকৃতির অপর দিকটি—ঈশ্বরের করুণাও পবিত্র এবং অলঙ্ঘনীয়। কোনো সৃজিত বা অসৃজিত সত্তাই ঈশ্বরের ক্রিয়াকর্মে তাঁকে প্রতিস্থাপিত বা তাঁর প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না, এবং সদোমের বিনাশে বা নীনবীর পরিত্রাণে কেউ তাঁকে প্রতিস্থাপিত করতে বা তাঁর প্রতিনিধিত্ব করতে পারতোও না। এই হলো ঈশ্বরের অনন্য ধার্মিক প্রকৃতির যথার্থ অভিব্যক্তি।

—বাক্য, খণ্ড ২, ঈশ্বরকে জানার প্রসঙ্গে, স্বয়ং অনন্য ঈশ্বর ২

পূর্ববর্তী: আন্তরিক অনুশোচনার মাধ্যমে মানুষ ঈশ্বরের করুণা ও সহিষ্ণুতা লাভ করে (পর্ব ২)

পরবর্তী: আন্তরিক অনুশোচনার মাধ্যমে মানুষ ঈশ্বরের করুণা ও সহিষ্ণুতা লাভ করে (পর্ব ৪)

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।

সম্পর্কিত তথ্য

চতুর্থ দিবসে, ঈশ্বর আবার তাঁর কর্তৃত্ব প্রয়োগ করায় মানবজাতির বিভিন্ন ঋতু, দিন এবং বছরগুলি সৃষ্টি হয়

সৃষ্টিকর্তা তাঁর পরিকল্পনা সম্পাদনের জন্য তাঁর বাক্যসমূহের ব্যবহার করেছিলেন, এবং এইভাবে তিনি তাঁর পরিকল্পনার প্রথম তিন দিবস অতিবাহিত...

দ্বিতীয় দিবসে, ঈশ্বরের কর্তৃত্ব জলরাশির আয়োজন করে, এবং তৈরি করে নভোমণ্ডল এবং মানুষের বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে মৌলিক একটি স্থান আবির্ভূত হয়

বাইবেলের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদটি পাঠ করা যাক: “ঈশ্বর বললেন, সৃষ্ট হোক নভোমণ্ডল, বিভক্ত করুক জলরাশিকে! ঈশ্বর এইভাবে নভোমণ্ডল সৃষ্টি করে তার...

প্রথম দিবসে, ঈশ্বরের কর্তৃত্বের বদান্যতায় মানবজাতির দিন এবং রাতের সূচনা হয় এবং অবিচল থাকে

প্রথম অনুচ্ছেদটির প্রতি দৃষ্টিপাত করা যাকঃ: “ঈশ্বর বললেন, দীপ্তি হোক! দীপ্তির হল আবির্ভাব। ঈশ্বর দেখলেন, চমৎকার এই দীপ্তি। অন্ধকার থেকে...

তৃতীয় দিবসে, ঈশ্বরের বাক্যসমূহ জন্ম দেয় পৃথিবী এবং সমুদ্রের এবং ঈশ্বরের কর্তৃত্ব বিশ্বে প্রাণসঞ্চার করে

এরপর, পাঠ করা যাক আদিপুস্তক ১:৯-১১-এর প্রথম বাক্যটি: “ঈশ্বর বললেন, আকাশের নীচে সমস্ত জলরাশি এক স্থানে সংহত হোক, প্রকাশিত হোক শুষ্ক ভূমি!”...

সেটিংস

  • লেখা
  • থিমগুলি

ঘন রং

থিমগুলি

ফন্টগুলি

ফন্ট সাইজ

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

পৃষ্ঠার প্রস্থ

বিষয়বস্তু

অনুসন্ধান করুন

  • এই লেখাটি অনুসন্ধান করুন
  • এই বইটি অনুসন্ধান করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন