ধর্মোপদেশ ধারাবাহিকঃ প্রকৃত বিশ্বাসের সন্ধানে | ঈশ্বর কেন অন্তিম সময়ে বিচারের কাজ করেন?

09-05-2022

সমস্ত বিপর্যয় ক্রমশঃ আরো ভয়ানক রূপ ধারণ করছে আর সকল বিশ্বাসী অধীর আগ্রহে প্রভু যীশুর আগমনের জন্য অপেক্ষা করছে, যাতে আকাশে উত্তীর্ণ হয়ে প্রভুর সাথে তাদের মিলন হয়, এবং এই বিপর্যয় ও দুর্ভোগ থেকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের মুক্তি ঘটে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তারা কেউ প্রভু যীশুকে মেঘের মধ্যে থেকে নেমে আসতে দেখেনি, ফলে অনেকেই নিরাশ হয়েছে। বরং, এটা মানুষের কাছে পরম আশ্চর্যের বিষয় যে, মেঘের মধ্যে থেকে যীশুর আগমনকে স্বাগত জানানোর পরিবর্তে তারা দেখতে পাচ্ছে "পূর্বের বজ্রালোক" বারংবার প্রভুর প্রত্যাবর্তনের প্রমাণ দিয়ে চলেছে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর রূপে, যিনি সত্যকে প্রকাশ করছেন এবং বিচার কার্য সম্পাদন করছেন। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাক্য দেহে আবির্ভূত হলো এবং জ্যোতির মতো ছড়িয়ে পড়ল পূর্ব থেকে পশ্চিমে, প্রদীপ্ত করল সারা পৃথিবীকে, এবং যারা সত্যকে ভালোবাসে ও ঈশ্বরের আবির্ভাবের জন্য ব্যাকুল হয়, তারা সামনে এল, ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর শুনতে পেল এবং রওনা দিল মেষশাবকের বিবাহে উপস্থিত হতে। এইসব ঘটনায় সবাই খুব অবাক হয়ে গেল: পূর্বের বজ্রালোক কি সত্যিই ঈশ্বরের কাজ এবং তাঁর প্রদর্শন? এটা কি হতে পারে যে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের বাক্যই সৃষ্টিকর্তার কণ্ঠে মানবজাতির সাথে কথা বলছে? ঈশ্বর তাঁর বিচার কার্য অন্তিম সময়ে কেন করেন? আমাদের সমস্ত পাপ তো ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে, ঈশ্বর আমাদের পরিশুদ্ধ করেছেন, তাহলে আবার কেন আমাদের বিচার আর শাস্তির মধ্যে দিয়ে যেতে হবে? "প্রকৃত বিশ্বাসের সন্ধানে"-র এই পর্বে আমরা আপনাদের সাথে এই প্রশ্নের উত্তর সন্ধান করব, এবং ঈশ্বরের বিচার কার্যের গুরুত্ব বিষয়ে আরো জানবো।

আরও দেখুন

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

শেয়ার করুন

বাতিল করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন