ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: ঈশ্বরের কাজ সম্বন্ধে জানা | উদ্ধৃতি 188

23-03-2023

অন্তিম সময়ে ঈশ্বরের কার্যের দ্বারা, এবং আজ তাঁর পরিকল্পিত যে কার্য তিনি তোমাদের মাঝে করে চলেছেন, তার দ্বারা তোমরা যে সর্বোচ্চ উন্নতি এবং পরিত্রাণ অর্জন করেছ, ঈশ্বর বিশ্বাসী হিসাবে তোমাদের প্রত্যেকেরই উচিত তার প্রশংসা করা। ঈশ্বর তাঁর ব্রহ্মাণ্ডব্যাপী কার্যের একমাত্র কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছেন এই নির্দিষ্ট মানবগোষ্ঠীকে। তিনি তোমাদের জন্য তাঁর হৃদয়ের প্রতিটি রক্তবিন্দু উৎসর্গ করেছেন; এই ব্রহ্মাণ্ডে পবিত্র আত্মার করা সমস্ত কার্য তিনি পুনরুদ্ধার করে তোমাদের দিয়েছেন। এই জন্যই তোমরা সৌভাগ্যবান। উপরন্তু, তাঁর অপার মহিমা ইসরায়েলে তাঁর নির্বাচিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে সরিয়ে তিনি তোমাদের অর্পণ করেছেন এবং তাঁর পরিকল্পনার সর্বোচ্চ প্রকাশ তিনি এই গোষ্ঠীর মাধ্যমেই ঘটাবেন। সুতরাং, তোমরাই হবে তাঁর উত্তরাধিকারী এবং সর্বোপরি, ঈশ্বরের মহিমার উত্তরসূরী। হয়তো তোমাদের সকলেরই এই বাক্যগুলি স্মরণে রয়েছে “এই অকিঞ্চিৎকর ক্ষণিক দুঃখ দুর্দশা আমাদের জন্য গড়ে তুলেছে ক্রমবর্ধমান অতুল গৌরবের সম্পদ”। এই বাক্য তোমরা সকলে পূর্বেই শুনেছ, কিন্তু কেউই এর প্রকৃত অর্থ অনুধাবন করতে পারো নি। আজ তোমরা এর প্রকৃত তাৎপর্য গভীরভাবে অনুভব করতে পারছো। অন্তিম সময়ে ঈশ্বর তাঁর এই বাক্য সার্থক করে তুলবেন। আর তা করবেন সেই সব মানুষের মধ্যে, যারা সেই কুণ্ডলী পাকানো অতিকায় লাল ড্রাগনের দেশে তার দ্বারা বর্বরভাবে অত্যাচারিত। এই অতিকায় লাল ড্রাগন ঈশ্বরকে নিগ্রহ করে এবং সে তাঁর শত্রু, আর সেজন্য এই দেশে ঈশ্বরবিশ্বাসীরা অপমানিত ও নিপীড়িত। ফলে তোমাদের, অর্থাৎ এই নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যেই ঈশ্বরের বাক্য সার্থক হয়ে উঠবে। যেহেতু একটি ঈশ্বরবিরোধী দেশে এ কাজ শুরু হয়েছে, তাই ঈশ্বরের সকল কার্যই প্রবল প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়, তাঁর অনেক বাক্য সম্পাদন করতে সময় লাগে; এইভাবে, ঈশ্বরের বাক্যের দ্বারা মানুষ পরিমার্জিত হয়, যা-ও কষ্টভোগেরই অংশ। এই অতিকায় লাল ড্রাগনের দেশে কাজ চালিয়ে যাওয়া ঈশ্বরের পক্ষে খুবই দুরূহ। তবু, এই দুরূহতার মধ্যেই ঈশ্বর তাঁর কাজের একটি পর্যায় সম্পন্ন করেন, যাতে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রজ্ঞা ও বিস্ময়কর কর্মকাণ্ড, আর এই সুযোগকে ব্যবহার করে এই মানবগোষ্ঠীকে তিনি করে তোলেন সম্পূর্ণ। সেই ঘৃণ্য দেশের মানুষের কষ্টভোগ, তাদের ক্ষমতা এবং তাদের সমস্ত শয়তানোচিত স্বভাবের মধ্যে দিয়েই ঈশ্বর তাঁর পরিশোধন ও জয়ের কার্য করেন, যাতে এখান থেকে তিনি অর্জন করতে পারেন মহিমা, এবং অর্জন করতে পারেন সেই মানুষদের, যারা সাক্ষ্য দেবে তাঁর কর্মকাণ্ডের। এই ব্যক্তিদের জন্যে ঈশ্বর যা কিছু উৎসর্গ করেছেন, এটিই হল তার সম্পূর্ণ তাৎপর্য। অর্থাৎ, যারা ঈশ্বরের বিরোধিতা করে, শুধুমাত্র তাদের মধ্যে জয় করার কার্য সম্পাদনের মাধ্যমেই ঈশ্বরের মহান শক্তি প্রতীয়মান হয়। অন্যভাবে বলা যায়, কেবলমাত্র এই কলুষিত রাজ্যের মানুষই ঈশ্বরের মহিমার উত্তরসূরী হওয়ার যোগ্য, এবং শুধু এই ঘটনাই তাঁর অসীম ক্ষমতাকে সবার দৃষ্টিগোচর করতে পারে। এই কারণেই এই কলুষিত রাজ্য এবং তার বাসিন্দাদের মাধ্যমেই ঈশ্বরের মহিমা অর্জিত হয়। এটিই ঈশ্বরের ইচ্ছা। যীশুর কাজের ধারাটিও ছিল একই রকম, যে সকল ফরিশী তাঁকে নিপীড়ন করেছিল, তাদের মধ্যেই অর্জিত হয়েছিল তাঁর মহিমা; ফরিশীদের নিপীড়ন ও যিহুদার বিশ্বাসঘাতকতা না থাকলে যীশুকে উপহাস আর কলঙ্ক ভোগ করতে হত না, ক্রুশবিদ্ধ হতে হত না, ফলে তিনি মহিমা অর্জন করার সুযোগও পেতেন না। ঈশ্বর যেখানে প্রতি যুগে কাজ করেন, এবং যেখানে তিনি অবতার রূপে তাঁর কার্য সম্পাদন করেন, সেখানেই তিনি মহিমা অর্জন করেন এবং সেই মানুষদেরও অর্জন করেন, যাদের তিনি অর্জন করতে চান। এটি ঈশ্বরের কার্যের পরিকল্পনা, এবং এটিই তাঁর ব্যবস্থাপনা।

—বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, ঈশ্বরের কার্য কি ততটাই সহজ যতটা মানুষ মনে করে?

আরও দেখুন

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

Leave a Reply

শেয়ার করুন

বাতিল করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন