ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: অন্তিম সময়ের বিচার | উদ্ধৃতি 78

13-03-2022

“বিচার” শব্দটি উল্লেখ করার সময়, তোমার মাথায় হয়ত সেই কথাগুলি আসতে পারে যা যিহোবা প্রতিটি অঞ্চলের মানুষদের নির্দেশ দেওয়ার জন্য বলেছিলেন এবং যীশু ফরীশীদের তিরস্কার করার জন্য যে শব্দগুলির ব্যবহার করেছিলেন। এই সমস্ত তীব্রতাব্যঞ্জক শব্দগুলি মানুষের প্রতি ঈশ্বরের বিচার ছিল না; সেগুলি ছিল ভিন্ন পরিবেশে অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ঈশ্বরের দ্বারা উচ্চারিত বাণী। এই বাণী অন্তিম সময়ে মানুষের বিচারের সময়ে খ্রিষ্টের বলা বাক্যের থেকে ভিন্ন। অন্তিম সময়ে খ্রিষ্ট মানুষকে শেখানোর জন্য, মানুষের সারবত্তা প্রকাশের জন্য এবং মানুষের কথা ও কাজের বিশ্লেষণ করার জন্য বিভিন্ন সত্য ব্যবহার করেন। এই শব্দগুলিতে বিভিন্ন সত্য অন্তর্ভুক্ত থাকে, যেমন মানুষের কর্তব্য কী, কীভাবে মানুষের ঈশ্বর অনুগত থাকা উচিত, কীভাবে মানুষের ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বস্ত থাকা উচিত, কীভাবে মানুষের স্বাভাবিক মানবতাসম্পন্ন জীবনযাপন করা উচিত, সেইসাথে থাকে ঈশ্বরের প্রজ্ঞা এবং স্বভাব ইত্যাদি বিষয়সমূহ। এই সমস্ত কথা মানুষের প্রকৃত চরিত্র এবং তার কলুষিত স্বভাবের দিকেই ইঙ্গিত করে। বিশেষ করে সেই সমস্ত কথা যা প্রকাশ করে মানুষ কীভাবে ঈশ্বরকে প্রত্যাখ্যান করেছে, কীভাবে মানুষ শয়তানের মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেছে এবং ঈশ্বরের বিরুদ্ধে শত্রু শক্তিতে পরিণত হয়েছে। বিচারের সময়, ঈশ্বর কেবলমাত্র কয়েকটি শব্দের মাধ্যমে মানুষের প্রকৃতি বিচার করেন না; তিনি দীর্ঘমেয়াদে তা প্রকাশ করেন, বিচার করেন এবং তাদের অপসারণ করেন। প্রকাশ, বিচার এবং অপসারণের এই সমস্ত ভিন্ন পদ্ধতি সাধারণ শব্দ দ্বারা প্রকাশ করা যায় না, সেই সত্যের দ্বারাই প্রকাশ করা যায় যার সম্পর্কে মানুষ একেবারেই অসচেতন। শুধুমাত্র এই ধরনের পদ্ধতিকেই প্রকৃত বিচার বলা যেতে পারে; শুধুমাত্র এই ধরনের বিচারের মাধ্যমেই মানুষ ঈশ্বরের প্রতি অনুগত এবং তাঁর অস্তিত্ব সম্বন্ধে দৃঢ় বিশ্বাসী হতে পারে এবং ঈশ্বর সম্পর্কে প্রকৃত জ্ঞান লাভ করতে পারে। এই বিচারের কাজই প্রতিফলিত করে ঈশ্বরের আসল চেহারা এবং মানুষ নিজের বিদ্রোহের সত্য অনুধাবন করে। বিচারের কাজ মানুষকে ঈশ্বরের ইচ্ছা, তাঁর কাজের উদ্দেশ্য এবং তাঁর দুর্বোধ্য রহস্য সম্পর্কে অনেক বেশি বোঝার সুযোগ দেয়। এটি মানুষকে নিজের কলুষিত প্রকৃতি এবং সেই কলুষতার মূল অনুধাবন করতে এবং সেইসাথে মানুষের কদর্যতা চিনতে শেখায়। এই সমস্ত প্রভাব বিচারের কাজের মাধ্যমে প্রতিভাত হয়, কারণ এই কাজের সার হল সত্য, পথ এবং ঈশ্বরের জীবনকে তাঁর অনুগামীদের কাছে উন্মুক্ত করার কাজ। এই কাজ ঈশ্বরের বিচারের কাজ। তুমি যদি এই সত্যগুলিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচনা না করো, যদি তুমি এগুলিকে এড়ানোর বা এগুলি ব্যতীত এক নতুন উপায় সম্পর্কে না ভেবে থাকো, তাহলে আমার মতে তুমি এক গুরুতর পাপী। যদি তুমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করো, তবুও সত্য বা ঈশ্বরের ইচ্ছার সন্ধান না করো বা ঈশ্বরের নিকটবর্তী হওয়ার পথ বেছে না নাও, তবে তুমি আসলে বিচার এড়ানোরই চেষ্টা করছ এবং তুমি একটা হাতের পুতুল ছাড়া কিছুই না, তুমি সেই বিশ্বাসঘাতক যে মহানুভাবের শুভ্র সিংহাসনের থেকে পালিয়েছে। ঈশ্বর তাঁকে অবহেলা করে পালিয়ে যাওয়া বিদ্রোহী কাউকেই রেহাই দেবেন না। এই ধরনের মানুষদের বরং আরও কঠোর শাস্তি পেতে হবে। বিচারের জন্য ঈশ্বরের সামনে আসা ব্যক্তিরা আরও শুদ্ধ হয়, তারা চিরকাল ঈশ্বরের রাজ্যে বাস করে। অবশ্য, এটি ভবিষ্যতের একটি বিষয়।

“বাক্য দেহে আবির্ভূত হল” থেকে

আরও দেখুন

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

শেয়ার করুন

বাতিল করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন