অধ্যায় ৮৫

আমার ইচ্ছা পূরণ করার জন্য আমি বিভিন্ন মানুষকে ব্যবহার করে থাকি: যাদের আমি শাস্তি দিই, তাদের ক্ষেত্রে আমার অভিশাপ বাস্তবায়িত হয়, ঠিক যেমন যাদের আমি ভালোবাসি, তাদের ক্ষেত্রে বাস্তবে পরিণত হয় আমার আশীর্বাদ। এখন, তোমাদের মধ্যে কারা আমার আশীর্বাদ লাভ করবে, আর কারাই বা আমার অভিশাপ ভোগ করবে, এই প্রশ্নের উত্তর সম্পূর্ণভাবেই আমার একটি মাত্র বাক্যের উপর নির্ভরশীল; এই সমস্ত কিছুই নির্ধারিত হয়ে থাকে আমার কথনসমূহের দ্বারা। তুমি জানো যে বর্তমানে যার প্রতি আমি সদয়, সে সদাই আমার আশীর্বাদ লাভ করতে বাধ্য (যার অর্থ, ক্রমশ আমাকে জানতে পারা ও আমার সম্পর্কে অধিকতর নিশ্চিত হয়ে ওঠা, নতুন আলোক ও উদ্ঘাটনসমূহ লাভ করা, এবং আমার কর্মের গতির সঙ্গে সঙ্গতি রাখতে সক্ষম হয়ে ওঠা)। যাদের আমি ঘৃণা করি (এ হল আমার অভ্যন্তরীণ এক বস্তু যা মানুষ বাইরে থেকে দেখতে পায় না) তারা নিশ্চিতভাবেই আমার অভিশাপ ভোগ করবে এবং তারা নিঃসন্দেহে অতিকায় লাল ড্রাগনের বংশধর; সঠিকভাবে বলতে গেলে, তারা সেটির প্রতি আমার অভিশাপের ভাগীদার হবে। আর যাদের মুখদর্শন পর্যন্ত আমি করতে পারি না, যাদের মধ্যে আমি গুণের অভাব দেখতে পাই, এবং যাদের ত্রুটিমুক্ত করে তোলা বা ব্যবহার করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়, তাদেরও উদ্ধার হওয়ার সুযোগ থাকবে, এবং তারাও আমার সন্তান হিসেবেই গণ্য হবে। কারোর মধ্যে যদি আমার একটিও গুণ না থেকে থাকে, সে যদি আধ্যাত্মিক বিষয়গুলি অনুধাবন করতে না পারে, এবং সে যদি আমায় না জানে, অথচ তার মধ্যে যদি আন্তরিক মনোভাব থেকে থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তি আমার প্রজাগণের অংশ হিসেবেই গণ্য হবে। যারা আমার অভিশাপের ভাগীদার, আমি তাদের পরিত্রাণের অযোগ্য হিসাবে গণ্য করি, এবং তাদের উপরেই ভর করেছে মন্দ আত্মারা। তাদের বিতাড়িত করতে আমি উদগ্রীব। এদের জন্ম দিয়েছে অতিকায় লাল ড্রাগন, এবং এদেরই আমি সবথেকে বেশি ঘৃণা করি। এখন থেকে আমার আর তাদের সেবার কোনও প্রয়োজন নেই। আমি তাদের আর একেবারেই চাই না! আমি তাদের কাউকেই চাই না। এমনকি আমার সামনে যদি তারা কান্নাকাটি করে ও দাঁতে দাঁত ঘষে, তাহলেও তার কোনও ফল হবে না; আমি তাদের কারোর দিকেই দৃষ্টিপাত করি না। আমি শুধু তাদের বিতাড়িত করে দিই। তুমি কী ধরনের মানুষ? আমার সামনে আসার যোগ্যতা কি তোমার রয়েছে? তুমি কি উপযুক্ত? এখনও তুমি ভালো মানুষ হওয়ার ভান করছ এবং বিনয়ী সাজছ! যে অসংখ্য মন্দ কর্ম তুমি করেছ, তার পরেও কি আমি তোমাকে নিষ্কৃতি দিতে পারি? আর তারপর, যে মুহূর্তে আমার সামনে তোমার পুনরুত্থান ঘটবে, সেই মুহূর্ত থেকেই তুমি আবার আমাকে অমান্য করতে শুরু করে দেবে। কোনও দিনই তোমার কোনও সৎ অভিপ্রায় ছিল না; তুমি শুধুমাত্র আমাকে প্রতারণা করতে চাও! অতিকায় লাল ড্রাগনের বংশধর হওয়া সত্ত্বেও কি তোমার পক্ষে সত্যিই ভালো হওয়া সম্ভব? অসম্ভব! তোমাকে আমি ইতিমধ্যেই অভিশাপ দিয়েছি, এবং আমি সবিস্তারে তোমার বিচার করছি! আন্তরিকতা, সততা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে আমার সেবায় ব্রতী হও এবং তারপর নিজের অতল গহ্বরে ফিরে যাও! তুমি কি আমার রাজ্যের অংশীদার হতে চাও? তুমি স্বপ্ন দেখছ! কতদূর নির্লজ্জ তুমি! তোমার অপবিত্র ও অপরিচ্ছন্ন শরীর সহ তুমি ইতিমধ্যেই কিছুদূর কলুষিত হয়েছ, অথচ এখনও তোমার আমার সামনে দাঁড়ানোর সাহস হয়! সামনে থেকে সরে যাও! তুমি যদি আরও দেরি করো, তাহলে আমি তোমাকে গুরুতর দণ্ড দেব! আমার সামনে যারা কুটিলতা ও প্রতারণার আশ্রয় নেয়, তাদের অনাবৃত হতেই হবে। কোথায় লুকোবে তুমি? কোথায় আত্মগোপন করবে? যতই পালিয়ে বেড়াও বা আড়ালে থাকো না কেন, আমার নিয়ন্ত্রণ এড়ানো কি সত্যিই তোমার পক্ষে সম্ভব? তুমি যদি যথাযথভাবে আমার সেবা না করো, সেক্ষেত্রে তোমার পরমায়ু আরও সংক্ষিপ্ত হয়ে আসবে; অবিলম্বে তোমার মৃত্যু ঘটবে!

আমি তোমাদের অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলব যে আমার প্রথমজাত সন্তানগণ কী ধরনের মানুষ, এবং সে বিষয়ে আমি তোমাদের যথাযথ প্রমাণও দেব। অন্যথায়, তোমরা তোমাদের যথোপযুক্ত স্থান গ্রহণ করতে পারবে না এবং তার পরিবর্তে, তোমাদের স্থান কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে তোমরা নির্বিচারে সিদ্ধান্ত নেবে। কেউ কেউ অতিরিক্ত বিনয়ী হয়ে উঠবে, আবার কেউ কেউ হয়ে উঠবে অসংযত; এবং যাদের মধ্যে আমার কোনও গুণ নেই, বা যাদের মধ্যে গুণাবলীর অভাব অত্যন্ত প্রকট, তারা সকলেই আমার প্রথমজাত সন্তান হতে চাইবে। যারা আমার প্রথমজাত সন্তান, তাদের অভিব্যক্তিগুলি কী ধরনের? প্রথমত, তারা আমার ইচ্ছাকে অনুধাবন করার দিকে মনোযোগ দেয়, এবং সে ইচ্ছার প্রতি বিবেচনাশীল হয়। অধিকন্তু, তাদের প্রত্যেকের উপরেই পবিত্র আত্মা কর্মরত। দ্বিতীয়ত, তারা ক্রমাগত নিজেদের আত্মার মধ্যে অনুসন্ধান চালায়, অসংযমী জীবনযাপন থেকে বিরত থাকে, এবং সব সময়েই আমার বেঁধে দেওয়া গণ্ডীর মধ্যে থাকে; তারা চূড়ান্তভাবে স্বাভাবিক। উপরন্তু, এইভাবে আচরণ করার মধ্যে দিয়ে তারা কাউকে অনুকরণ করছে না। (যেহেতু পবিত্র আত্মার কর্মকে অনুধাবন করার প্রতি তাদের মনোযগ নিবদ্ধ, এবং তাদের প্রতি আমার ভালোসার বিষয়ে তারা সহানুভূতিশীল, তাই তারা সদা সতর্ক, এবং আমার প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা বা অবাধ্যতার যে মানসিকতা, তার কবলে পড়ার বিষয়ে তারা গভীরভাবে ভীত।) তৃতীয়ত, তারা আমার জন্য সম্পূর্ণ আন্তরিকভাবে কাজ করে, নিজেদের সমগ্র সত্তাকে নিবেদন করতে সক্ষম, এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা, নিজেদের খাদ্য, বস্ত্র, ব্যবহার্য জিনিসপত্র ও বাসস্থান ইত্যাদি সম্পর্কে যাবতীয় ভাবনাকে তারা ইতিমধ্যেই নির্মূল করে দিয়েছে। চতুর্থত, ন্যায়পরাণতার জন্য তারা সদাই ক্ষুধাতুর ও তৃষ্ণার্ত, এবং তারা বিশ্বাস করে যে তাদের বহু কিছুর অভাব আছে ও তাদের আত্মিক বড়ই অপরিণত। পঞ্চমত, যেমনটি আগেই উল্লেখ করেছি, জগতে তাদের সুনাম আছে, কিন্তু জগতের মানুষরা তাদের দূরে সরিয়ে দিয়েছে। বিপরীত লিঙ্গের মানুষদের প্রতি সম্পর্কের ক্ষেত্রে, তাদের মধ্যে নৈতিক বিশুদ্ধতা লক্ষ করা যায়। এই সমস্ত কিছুই প্রমাণ, কিন্তু এখন আমি তোমাদের কাছে তাদেরকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করতে পারব না, কারণ আমার কর্ম এখনও সেই স্তরে পৌঁছয়নি। আমার প্রথমজাত সন্তানগণ, মনে রেখো! তোমার মধ্যেকার জীবনবোধ, আমার প্রতি তোমার শ্রদ্ধা, আমার প্রতি তোমার ভালোবাসা, আমার বিষয়ে তোমার জ্ঞান, আমার জন্য তোমার অনুসন্ধান, তোমাদের বিশ্বাস—এই সমস্ত কিছুই তোমাদের প্রতি আমার ভালোবাসার উপাদান; এই সমস্ত কিছুই আমি প্রমাণ হিসেবে তোমাদের কাছে তুলে ধরছি, যাতে তোমরা প্রকৃতপক্ষেই আমার প্রিয়ভাজন সন্তান হয়ে উঠতে পারো এবং আমার সমান হয়ে উঠতে পারো, আমার পাশাপাশি অতুলনীয় মহিমায় তোমরাও যাতে আহারে, জীবনযাপনে ও আনন্দ উপভোগে আশীর্বাদ লাভ করতে পারো।

যারা আমাকে উৎপীড়ন করেছে, যাদের আমার বিষয়ে কোনও জ্ঞান ছিল না (আমার নাম প্রত্যক্ষ হওয়ার আগের সময়টিও তার অন্তর্গত), যারা বিশ্বাস করত যে আমি মানুষ, অথবা অতীতে যারা আমার বিরুদ্ধে নিন্দা করেছে বা কুৎসা রটিয়েছে, তাদের কারোর প্রতি ক্ষমাশীল হওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এমনকি এই মুহূর্তে যদি তারা আমার প্রতি তাদের বিশ্বাসের দুর্দান্ত কোনও সাক্ষ্যও পেশ করে, তাহলেও কোনও ফল হবে না। অতীতে আমাকে উৎপীড়ন করার কাজটি ছিল আমার সেবায় নিয়োজিত হওয়ারই অন্যতম পথ, এবং আজ যদি সেই সমস্ত মানুষরা আমার প্রতি বিশ্বাস প্রদর্শনও করে, তাহলেও তারা আমার যন্ত্রই থাকবে। আজ যাদের আমি প্রকৃতপক্ষেই ত্রুটিমুক্ত করে তুলেছি, শুধুমাত্র তারাই আমার কোনও ধরনের কাজে লাগতে পারে, কারণ আমি স্বয়ং ন্যায়পরায়ণ ঈশ্বর এবং আমি উঠে এসেছি মানবদেহ থেকে ও যাবতীয় পার্থিব সম্পর্ক থেকে আমি নিজেকে বিচ্ছিন্ন করেছি। আমি স্বয়ং ঈশ্বর, এবং অতীতে আমার চারপাশে যে সমস্ত মানুষ, ঘটনাবলী ও বস্তুসমূহ ছিল, সেগুলি সবই আমারই হাতে। আমি আবেগশূন্য এবং সমস্ত কিছুর প্রতিই আমি ন্যায়পরায়ণ আচরণ করে থাকি। আমি ন্যায়নিষ্ঠ, এবং লেশমাত্র কলুষও আমাকে দূষিত করতে পারেনি। তোমরা কি আমার বাক্যগুলির অর্থ বুঝতে পারছ? তোমরা কি এ অবস্থা অর্জন করতে পারবে? মানুষের ধারণা যে আমার মধ্যেও স্বাভাবিক মনুষ্যত্ব রয়েছে, এবং আমারও নিজস্ব পরিবার ও আবেগ-অনুভূতি রয়েছে—কিন্তু তোমরা কি জানো যে তোমাদের ধারণা সম্পূর্ণ ভুল? আমি ঈশ্বর! তোমরা কি এ কথা ভুলে গেছ? তোমরা কি বিভ্রান্ত? এখনও তোমরা আমায় জানো না!

আমার ন্যায়পরায়ণতা তোমাদের কাছে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশিত। যে কোনও ধরনের ব্যক্তির ক্ষেত্রে আমি যে ধরনের হস্তক্ষেপই করি না কেন, তা থেকে আমার ন্যায়পরায়ণতা ও আমার মহিমা উভয়ই প্রকাশিত হয়। যেহেতু আমি স্বয়ং সেই ঈশ্বর যিনি তাঁর ক্রোধ নিয়ে আসেন, তাই যে আমাকে উৎপীড়ন করেছে বা আমার নিন্দা করেছে, তেমন একটি ব্যক্তিকেও আমি রেহাই দেব না। এহেন কঠোর শর্তের অধীনে, তোমরা কি এই বিষয়টিকে অনুধাবন করতে পারছ? আমি যাদের নির্বাচন করেছি এবং যাদের ভাগ্য পূর্বনির্ধারিত, তারা বিরল মুক্তা বা গন্ধর্ব মণির সমগোত্রীয়; তারা বিরল। তার কারণ যারা আমার প্রজা হবে, তাদের তুলনায় যারা রাজা হিসেবে রাজত্ব করবে তারা সংখ্যায় মুষ্টিমেয় হতে বাধ্য, এবং এর থেকে আমার ক্ষমতা ও আমার বিস্ময়কর কর্মই প্রতিভাত হয়। আমি প্রায়শই এমন বলে থাকি যে আমি তোমাদের পুরস্কৃত করব ও তোমাদের রাজমুকুটে ভূষিত করব, এবং আমার সঙ্গে থাকার অর্থ অনিঃশেষ গৌরব। পুরস্কার, রাজমুকুট ও গৌরবের মতো শব্দগুলির মাধ্যমে আমি কী বোঝাতে চাইছি? মানুষের ধারণা যে পুরস্কার হল বস্তুগত সামগ্রী, যেমন খাদ্য, বস্ত্র বা অন্য কোনও ব্যবহারযোগ্য বস্তু, কিন্তু এটি আদ্যন্ত সেকেলে চিন্তাপদ্ধতি; এই শব্দগুলির মধ্যে দিয়ে আমি তা বোঝাতে চাইছি না, এবং এমনটা বরং এক ভ্রান্ত ধারণা। পুরস্কার অর্জিত হয় এই বর্তমান মুহূর্তে, এবং তা অনুগ্রহেরই অংশ বিশেষ। তবে এমন কিছু পুরস্কারও অবশ্য আছে যেগুলি জাগতিক আনন্দের সঙ্গে যুক্ত, এবং যারা আমার সেবায় ব্রতী, কিন্তু যাদের আমি উদ্ধার করব না, তারাও কিছু বস্তুগত আনন্দ উপভোগ করতে পারে (যদিও সেগুলি নিছকই বস্তুগত সামগ্রী, যা আমার সেবায় ব্যবহার্য)। রাজমুকুট কোনও পদের অভিজ্ঞান নয়; অর্থাৎ, এটি এমন কোনও বস্তুগত সামগ্রী নয় যা আমি তোমাদের দেব যাতে তোমরা সেটি ভোগ করতে পারো। বরং এটি হল একটি নতুন নাম, যাতে আমি তোমাদের ভূষিত করব, এবং তোমাদের মধ্যে যে নিজের এই নতুন নামের যোগ্য হয়ে উঠতে সক্ষম হবে, সেই ব্যক্তি রাজমুকুট লাভ করবে, যার অর্থ হল আমার আশীর্বাদ লাভ করা। পুরস্কার ও রাজমুকুট আমার আশীর্বাদেরই অংশ বিশেষ, কিন্তু আশীর্বাদের সঙ্গে তুলনা করা হলে দেখা যাবে যে তাদের মধ্যে আসমান-জমিন তফাৎ রয়েছে। নিছক মানবিক ধারণার সাহায্যে গৌরব বিষয়টি কল্পনাও করা সম্ভব নয়, কারণ গৌরব কোনও বস্তুগত সামগ্রী নয়। মানবিক কাছে, তা অত্যন্ত বিমূর্ত এক ধারণা। তাহলে, গৌরব বলতে ঠিক কী বোঝায়? তোমরা যে আমার সঙ্গেই গৌরবে অবতরণ করবে, সেই শব্দবন্ধনীর অর্থ কী? আমার সমগ্রতা—অর্থাৎ, আমি যা এবং আমার যা আছে, (আমার সন্তানদের প্রতি) করুণা ও স্নেহময় দয়াশীলতা, এবং (সমস্ত মানুষের প্রতি) ন্যায়পরায়ণতা, মহিমা, বিচার, ক্রোধ ও দহন—আমার ছবিই হল গৌরব। কেন আমি এমন বলে থাকি যে, আমার সঙ্গে রয়েছে অনিঃশেষ গৌরব? তার কারণ আমার সঙ্গে রয়েছে অনিঃশেষ প্রজ্ঞা এবং অতুলনীয় প্রাচুর্য। কাজেই আমার সঙ্গে গৌরবের স্তরে অবতরণ করার অর্থ হল, আমি তোমাদের ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ করেছি, আমি যা এবং আমার যা আছে, সে সবই তোমাদেরও রয়েছে, তোমরা সম্পূর্ণ হয়ে উঠেছ আমার দ্বারা, তোমরা আমাকে সম্মান করো, এবং আমার বিরোধিতা করো না। তোমাদের কাছে এমনটা নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে!

পৃথিবীর সমস্ত রাষ্ট্রের উত্তেজক পরিস্থিতি চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে, এবং তারা সকলেই ক্রমশ আমার সেবায় ব্রতী হওয়ার জন্য ও তাদের জন্য যে অগ্নিকাণ্ড আনতে চলেছি, তাকে গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠছে। আমার ক্রোধ ও দহন যখন এসে পৌঁছবে, তখন তার কোনও পূর্বাভাস থাকবে না। তবে, আমি কী করছি তা আমি জানি, এবং সে বিষয়ে আমার ধারণা আদ্যন্ত স্পষ্ট। আমার বাক্যগুলি সম্পর্কে তোমাদের নিশ্চিত থাকা উচিত, এবং তোমাদের সমস্ত কিছু সত্বর প্রস্তুত করে ফেলা প্রয়োজনীয়। বিদেশ থেকে যারা অনুসন্ধানী হয়ে আসবে, তাদের চালিত করার জন্য প্রস্তুত হয়ে ওঠো। এমনটা মনে রেখো! চিন—অর্থাৎ চিনের অন্তর্গত প্রত্যেকটি ব্যক্তি ও স্থান—আমার অভিশাপে শিকার হ য়েছে। আমার বাক্যগুলির অর্থ কি তোমরা বুঝতে পারছ?

পূর্ববর্তী: অধ্যায় ৮৪

পরবর্তী: অধ্যায় ৮৮

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

সম্পর্কিত তথ্য

ঈশ্বর হলেন মানুষের জীবনের উৎস

ক্রন্দনরত অবস্থায় এই জগতে ভূমিষ্ঠ হবার সময় থেকেই তুমি তোমার কর্তব্য পালন করা শুরু করো। ঈশ্বরের পরিকল্পনা ও তাঁর নির্ধারিত নিয়তি অনুসারে...

শুধুমাত্র অন্তিম সময়ের খ্রীষ্ট মানুষকে অনন্ত জীবনের পথ দেখাতে পারেন

জীবনের গতিপথ কারও নিয়ন্ত্রণে থাকে না, বা এটি সহজে অর্জন করতে পারার মতো বিষয়ও নয়। কারণ জীবন কেবল ঈশ্বর প্রদত্ত, অর্থাৎ, শুধুমাত্র ঈশ্বর...

ঈশ্বরের সঙ্গে সহজ সম্পর্ক স্থাপন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

যে পথে মানুষ ঈশ্বরকে বিশ্বাস করে, ভালোবাসে এবং ঈশ্বরের আস্থাভাজন হয়ে ওঠে, সেই পথটি হল নিজের হৃদয়ে ঈশ্বরের পরম শক্তিকে স্থান দিয়ে তাঁর...

পরিশিষ্ট ২ ঈশ্বর সমগ্র মানবজাতির ভাগ্য নির্ধারক

মানব প্রজাতির সদস্য এবং ধর্মপ্রাণ খ্রীষ্টান হিসাবে আমাদের সকলের দায়িত্ব এবং কর্তব্য হলো নিজেদের দেহ ও মনকে ঈশ্বরের অর্পিত দায়িত্বে নিযুক্ত...

সেটিংস

  • লেখা
  • থিমগুলি

ঘন রং

থিমগুলি

ফন্টগুলি

ফন্ট সাইজ

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

পৃষ্ঠার প্রস্থ

বিষয়বস্তু

অনুসন্ধান করুন

  • এই লেখাটি অনুসন্ধান করুন
  • এই বইটি অনুসন্ধান করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন