অধ্যায় ৩

বিজয়ী রাজাধিরাজ তাঁর মহিমময় সিংহাসনে আসীন। তিনি পরিত্রাণের কাজ সম্পন্ন করেছেন ও তাঁর জনগণকে মহিমায় আবির্ভূত হতে পরিচালিত করেছেন। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে তিনি হস্তে ধারণ করেন এবং নিজের দৈবিক প্রজ্ঞা ও শক্তি দিয়ে তিনি সিয়োন নির্মাণ করেছেন এবং তাকে দৃঢ় করেছেন। নিজ মহিমা দিয়ে তিনি পাপাচারপূর্ণ এই জগতের বিচার করেন; সমস্ত দেশ ও সমস্ত মানুষ; এই পৃথিবী ও সমুদ্র এবং সেখানে বসবাসকারী সমস্ত প্রাণী, এবং যারা ব্যভিচারের সুরায় মত্ত তাদের সবার ওপর তিনি তাঁর বিচারের রায় প্রদান করেছেন। ঈশ্বর অবশ্যই তাদের বিচার করবেন, তাদের ওপর ক্রুদ্ধ হবেন এবং এইভাবেই ঈশ্বরের মহিমা প্রকাশিত হবে। তাঁর বিচার তাৎক্ষণিক এবং এই বিচারে কোনো বিলম্ব হয় না। তাঁর ক্রোধানল এদের সমস্ত জঘন্য অপরাধকে পুড়িয়ে ছাই করে দেবে এবং তাদের ওপর যে যেকোনো সময় বিপর্যয় নেমে আসবে; তারা বুঝতে পারবে যে পালানোর আর কোনো পথ নেই, লুকোনোরও আর কোনো স্থান নেই, তারা কাঁদবে এবং দাঁতে দাঁতে ঘষবে, এবং তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনবে।

ঈশ্বরের পরমপ্রিয় বিজয়ী পুত্ররা অবশ্যই চিরতরে সিয়োনে স্থান পাবে, কোনোদিন সেখান থেকে তারা প্রস্থান করবে না। অসংখ্য মানুষ খুব কাছ থেকে তাঁর কন্ঠস্বর শুনবে, অত্যন্ত মনোযোগের সাথে তাঁর কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করবে এবং তাদের বন্দনাধ্বনি কখনোই থামবে না। একমাত্র প্রকৃত ঈশ্বর আবির্ভূত হয়েছেন! নিজেদের আত্মায় আমরা তাঁকে নিয়ে নিঃসংশয় হব এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে তাঁকে অনুসরণ করব; নিজের সমস্ত শক্তি নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যাব, মনে আর কোনো দ্বিধা রাখব না। এই পৃথিবীর শেষ পরিণতি আমাদের সামনে উন্মোচিত হচ্ছে; একটা সুষ্ঠু গির্জা-জীবন, সেইসঙ্গে, সমস্ত মানুষ, ঘটনা এবং আমাদের চারপাশে যে সমস্ত বস্তু রয়েছে সেগুলো এখনও আমাদের প্রশিক্ষণকে আরো জোরদার করে তুলছে। আমাদের যে হৃদয় এই পৃথিবীকে এত ভালোবাসে, এসো আমরা সত্বর তাকে ফিরিয়ে নিতে তৎপর হই। এসো তৎপর হই যাতে প্রত্যাহার করে নিতে পারি আমাদের অস্পষ্ট দৃষ্টিকে। আমরা যেন নিজের স্থানেই আবদ্ধ থাকি এবং কোনোভাবেই সীমারেখা অতিক্রম না করি। এসো নিজেদের মুখ আমরা বন্ধ রাখি যাতে ঈশ্বরের বাক্য মেনে পথ চলতে পারি এবং নিজেদের লাভ-ক্ষতি নিয়ে আর তর্কাতর্কি না করতে পারি। আহা, এসব কথা ভুলে যাও – একটা ধর্মনিরপেক্ষ পৃথিবী ও ধনৈশ্বর্যের জন্যই তোমরা লোভাতুর! আহ্‌, এসব থেকে নিজেদের মুক্ত করো – স্বামী, পুত্র-কন্যার ওপর তোমাদের আসক্তি! এবার, নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ও যাবতীয় সংস্কার পরিহার করো! আহা, জেগে ওঠো; সময় বড়ই অল্প! চোখ তুলে তাকাও, নিজেদের আত্মার ভেতর থেকে চোখ তুলে তাকাও, এবং ঈশ্বরকে নিয়ন্ত্রণভার নিতে দাও। যাই ঘটুক না কেন, লোটের স্ত্রীর মতো হয়ো না। পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকাটা যে কতটা যন্ত্রণার! সত্যিই বড় কষ্টের! আহা, জেগে ওঠো!

পূর্ববর্তী: অধ্যায় ২

পরবর্তী: অধ্যায় ৫

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

সম্পর্কিত তথ্য

প্রার্থনার অনুশীলন বিষয়ে

তোমরা তোমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রার্থনার উপর জোর দাও না। মানুষ প্রার্থনার বিষয়টিকে অবহেলা করে। প্রার্থনা সাধারণত করা হয়ে থাকে দায়সারাভাবে...

রাজ্যের যুগই হল বাক্যের যুগ

রাজ্যের যুগে, যে পদ্ধতিতে তিনি কাজ করেন তা পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে, এবং সমগ্র যুগের কাজ সম্পাদন করার জন্য, ঈশ্বর নতুন যুগের সূচনা করতে বাক্যের...

সেটিংস

  • লেখা
  • থিমগুলি

ঘন রং

থিমগুলি

ফন্টগুলি

ফন্ট সাইজ

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

পৃষ্ঠার প্রস্থ

বিষয়বস্তু

অনুসন্ধান করুন

  • এই লেখাটি অনুসন্ধান করুন
  • এই বইটি অনুসন্ধান করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন