অধ্যায় ১০৩

বিশ্বব্রহ্মাণ্ড কম্পিত করে এক বজ্রকণ্ঠ প্রকাশিত হয়েছে। এই আওয়াজ এতই কর্ণবিদারী যে মানুষ সময় থাকতে তার পথ এড়িয়ে যেতে পারেনি। কেউ নিহত হয়েছে, কেউ নির্মূল হয়েছে, কারো বিচার হচ্ছে। প্রকৃতই এ এক অভাবনীয় দৃশ্য, এমন কোনো দৃশ্য কেউ আগে কখনো দেখেনি। ভালো করে শোনো: মুহুর্মুহু বজ্রনির্ঘোষের সঙ্গে কান্নার আওয়াজ, এবং এই আওয়াজ আসছে মৃতস্থান থেকে; এই আওয়াজ আসছে নরক থেকে। বিদ্রোহের যে পুত্রদের বিচার আমি করেছি এ তাদেরই আর্তনাদ। আমার কথা যারা শোনেনি, আমার বাক্যকে যারা অভ্যাসে পরিণত করেনি তাদের আমি কঠোর বিচার করেছি, তারা আমার ক্রোধের অভিশাপ কুড়িয়েছে। আমার কণ্ঠস্বরই আমার বিচার ও ক্রোধ; আমি কারো সঙ্গে কোমল আচরণ করি না এবং কাউকে করুণা করি না, কারণ আমিই স্বয়ং ন্যায়পরায়ণ ঈশ্বর এবং আমি ক্রোধে আচ্ছন্ন; দহন, পরিশোধন এবং ধ্বংসের দ্বারা আমি আবিষ্ট। আমার মধ্যে কিছুই গোপন নেই, আবেগপ্রবণতা নেই, বরং বিপরীত, আমার সবকিছুই খোলামেলা, ন্যায়পরায়ণ এবং নিরপেক্ষ। যেহেতু, আমার প্রথমজাত পুত্ররা ইতিমধ্যেই আমার সঙ্গে সিংহাসনে আসীন, তারা সমস্ত দেশ ও মনুষ্যজাতিকে শাসন করছে, তাই যে সমস্ত বস্তু এবং যে সমস্ত মানুষ নীতিবিগর্হিত, অধার্মিক তাদের বিচার শুরু হয়েছে। তাদের এক এক করে আমি পরীক্ষা করব, কোনোকিছুই বাদ দেব না এবং তাদের পুরোপুরি উন্মোচন করব। কারণ আমার বিচার সম্পূর্ণভাবে প্রকাশিত ও উন্মোচিত এবং কোনো কিছুই আমি গোপন রাখিনি; যা কিছু আমার ইচ্ছার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় তা আমি ছুঁড়ে ফেলে দেব, তারপর সেগুলোকে অতল গহ্বরে চিরকালের মতো ধ্বংস হয়ে যেতে দেব। সেখানে সেগুলো চিরকালের মতো জ্বলতে থাকবে। এটাই আমার ন্যায়পরায়ণতা এবং এটাই আমার সত্যনিষ্ঠা। কেউই এর পরিবর্তন ঘটাতে পারবে না, এবং সবাইকে আমার আজ্ঞার অধীনে থাকতেই হবে।

আমার উচ্চারিত শব্দকে অধিকাংশ মানুষই উপেক্ষা করে, ভাবে এগুলো নিছক কথার কথা এবং ঘটনাগুলো নিছক ঘটনাই। তারা অন্ধ! তারা কি জানে না যে আমিই স্বয়ং বিশ্বস্ত ঈশ্বর? আমার বাক্য ও ঘটনা একইসঙ্গে ঘটে। এটাই কি আসল ঘটনা নয়? সত্যিকথা বলতে কি, মানুষ আমার বাক্যের অর্থ বোঝে না, যারা আলোকপ্রাপ্ত শুধু তারাই অনুধাবন করতে পারে। এটাই ঘটনা। মানুষ আমার বাক্য দেখামাত্রই দিশেহারা হয়ে আত্মগোপনের জন্য চারিদিকে ছোটাছুটি শুরু করে দেয়। আমার বিচার যখন ঘোষিত হয় তখন এই ঘটনা আরো বেশি করে ঘটে। আমি যখন সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছি, আমি যখন এই পৃথিবীকে ধ্বংস করি, আমি যখন প্রথমজাত পুত্রদের সম্পূর্ণ করে তুলি – তখন আমার মুখনিঃসৃত একটি শব্দের মাধ্যমেই এই সমস্ত কিছু ঘটে। কারণ আমার শব্দই স্বয়ং হচ্ছে কর্তৃত্ব, এটাই বিচার। এটা বলা যেতে পারে যে আমিই স্বয়ং বিচার এবং আমিই মহামহিম, এ এক অপরিবর্তনীয় সত্য। এটা আমার পরিচালনামূলক আজ্ঞাসমূহের একটি দিক; এটা সেই দিক যার মাধ্যমে আমি মনুষ্যগণের বিচার করি। আমার চোখে সমস্ত কিছু – সমস্ত মানুষ, সমস্ত ঘটনা ও সমস্ত বিষয় আমার হাতে এবং আমার বিচারের অধীনে রয়েছে। কোনো ব্যক্তিই বা বস্তুই বর্বরের মতো বা যথেচ্ছ আচরণের সাহস করতে পারে না, এবং আমার উচ্চারিত বাক্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই সমস্ত কিছু পালন করতে হবে। মানুষের ধারণার মধ্যে থেকে প্রত্যেকেই আমার মতো ব্যক্তিত্বের কথা বিশ্বাস করে। কিন্তু যখন আত্মার স্বর শোনা যায়, তখন প্রত্যেকেই দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে পড়ে। আমার অসীম ক্ষমতা সম্পর্কে মানুষের সামান্যতম জ্ঞানও নেই, তারা এমনকী, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। এবার আমি তোমাকে বলছি, যে যে আমার বাক্যে সন্দেহ প্রকাশ করে, যে যে আমার বাক্যকে তুচ্ছজ্ঞান করে, তাদের সবাইকে ধ্বংস করা হবে, এরা সব নরকের চিরন্তন পুত্র। এ থেকেই বোঝা যায় যে আমার প্রথমজাত পুত্ররা সংখ্যায় খুব অল্প, কারণ আমি এভাবেই কাজ করি। আগেই বলেছি, কোনো অঙ্গুলিহেলন না করেই আমি আমার সমস্ত কার্য সাধন করি; আমি শুধু আমার বাক্যকে ব্যবহার করি। আর, এখানেই আমার অসীম ক্ষমতা নিহিত। আমার বাক্যে, আমি যা বলি তার উৎস ও উদ্দেশ্য কেউই খুঁজে পায় না। কোনো মানুষ এই কার্যসাধন করতে পারে না, তারা শুধু আমার নির্দেশ মেনে আমার ইচ্ছার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আমার ন্যায়পরায়ণতা অনুসারে সমস্ত কাজ করে যায়। এতে আমার পরিবার ন্যায়পরায়ণতা ও শান্তিলাভ করে, চিরজীবী হয় এবং চিরকাল নিজ লক্ষ্যে অটল ও অবিচলিত থাকতে পারে।

প্রত্যেককেই আমার বিচারের সম্মুখীন হতে হয়, আমার পরিচালনামূলক আজ্ঞাসমূহ প্রতিটি মানুষের জীবনকে ছুঁয়ে যায় এবং আমার বাক্য ও আমার ব্যক্তিত্ব সকলের সামনে প্রকাশিত হয়। এখন আমার আত্মার মহান কার্যসাধনের সময় (যারা আশীর্বাদধন্য হবে এবং যারা দুর্ভাগ্যের শিকার হবে, এখন তাদের একে অপরের থেকে পৃথক করা হবে)। আমার বাক্য নিঃসৃত হওয়া মাত্রই কারা আশীর্বাদ পাবে তাদের আমি চিহ্নিত করে ফেলেছি, এবং সেইসঙ্গে, কাদের ওপর দুর্ভাগ্য নেমে আসবে তাদেরও বেছে নিয়েছি। এই বিষয়টা স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ, এবং এটা আমি এক নজরেই দেখে নিতে পারি। (আমার মনুষ্যত্বের সাথে সম্পর্ক রেখেই এই কথাগুলো বলছি, আমার পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্য বা নির্বাচনের সঙ্গে এই বাক্যগুলির কোনো বিরোধ নেই)। পাহাড়-পর্বত, নদনদীর মাঝে এবং সমস্ত বস্তুর মধ্যে, এই ব্রহ্মাণ্ডের মহাশূন্য জুড়ে আমি বিচরণ করি, প্রতিটি স্থানের ওপর লক্ষ্য রাখি, সেটিকে পরিশুদ্ধ করি যাতে কোনো অপরিচ্ছন্ন স্থান ও বিশৃঙ্খল ভূমির আর অস্তিত্ব না থাকে এবং সেগুলি যাতে আমার বাক্যের ফলস্বরূপ ভস্মীভূত হয়ে শূন্যতায় বিলীন হয়ে যায়। আমার কাছে সবকিছুই সহজ। পৃথিবী ধ্বংসের জন্য আমার পূর্বনির্ধারিত সময় যদি এখন হয়ে থাকে, তাহলে একটি শব্দ উচ্চারণের মধ্যে দিয়ে আমি একে গ্রাস করতেপারি। তবে, এখনও সে সময় হয়নি। এই কাজের আগে আমাকে সব কিছু তৈরি রাখতে হবে যাতে আমার পরিকল্পনায় কোনো বাধা না পড়ে, আমার ব্যবস্থাপনায় কোনো বিঘ্ন না ঘটে। আমি জানি যুক্তিসঙ্গত ভাবে কীভাবে এই কাজ করতে হয়: আমার নিজের প্রজ্ঞা রয়েছে, আমার নিজস্ব পরিকল্পনা রয়েছে। মনুষ্যগণ একটি অঙ্গুলি হেলনও যেন না করে; আমার হাতে যাতে নিহত না হয় সেজন্য তারা যেন সতর্ক থাকে। আমার পরিচালনামূলক আজ্ঞাসমূহে ইতিমধ্যেই একথা বলা হয়েছে। এখন থেকে মানুষ আমার পরিচালনামূলক আজ্ঞাসমূহের কঠোরতা এবং এর নেপথ্যে থাকা নীতিগুলিকেও দেখতে পারবে, যেগুলির দুটি দিক রয়েছে: একদিকে, যারা আমার ইচ্ছা অনুসারে চলে না ও আমার পরিচালনামূলক আজ্ঞাসমূহকে লঙ্ঘন করে তাদের সবাইকে আমি হত্যা করি; অন্যদিকে যারা আমার পরিচালনামূলক আজ্ঞাসমূহকে লঙ্ঘন করে ক্রোধে আমি তাদের অভিশাপ দিই। এই দুটি দিক অপরিহার্য, এবং এগুলিই আমার পরিচালনামূলক আজ্ঞাসমূহের নেপথ্যের কার্যনির্বাহী নীতি। আবেগবর্জিত হয়ে এই দুটি নীতির ভিত্তিতেই প্রত্যেকের ব্যবস্থা করা হয়, তা সে ব্যক্তি যতই বিশ্বস্ত হোক না কেন। আমার ন্যায়পরায়ণতা, আমার মহিমা ও আমার ক্রোধ প্রকাশের জন্য এটাই যথেষ্ট এবং এগুলিই সমস্ত পার্থিব বস্তু, সমস্ত জাগতিক বস্তু ও যা কিছু আমার ইচ্ছার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, সে সমস্ত কিছুকেই পুড়িয়ে ছাই করে দেবে। আমার বাক্যের মধ্যে কিছু রহস্য রয়েছে যা গোপন থাকে, এবং আমার বাক্যে আরো কিছু রহস্য রয়েছে যা উন্মোচিত হয়েছে। তাই মানুষের ধারণায় ও মানুষের মনে আমার বাক্য চিরদিনই দুর্বোধ্য, তাদের কাছে আমার হৃদয় চিরকালই অতল। তাই আমকে এই ধারণা ও ভাবনা থেকে মনুষ্যজাতিকে মুক্ত করতে হবে। আর এটাই আমার পরিচালনামূলক পরিকল্পনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমার প্রথমজাত পুত্রদের অর্জন করার জন্য এবং আমি যা চাই তা সম্পন্ন করার জন্য এইভাবেএই কাজটি আমায় করতেই হবে।

এই পৃথিবীর বিপর্যয় দিন দিন আরো বাড়ে, এবং আমার গৃহে এই সর্বনাশা বিপর্যয় আরো প্রবল রূপ নেয়। মানুষের কাছে লুকোনোর মতো কোনো স্থান নেই, নিজেদের আড়াল করে রাখার কোনো জায়গা নেই। কারণ এখনই সেই সন্ধিক্ষণ, মানুষ জানে না ঠিক কোথায় পরের পদক্ষেপটা করতে হবে। আমার বিচারের পরেই এই বিষয়টা বোধগম্য হবে। মনে রেখো, এগুলি আমারই কাজের একেকটা ধাপ, আর এইভাবেই আমি আমার কার্য সাধন করি। আমার প্রথমজাত পুত্রদের সকলকেই আমি একে একে স্বাচ্ছন্দ্য প্রদান করবো এবং এক এক ধাপ করে উত্থিত করব; আর যারা সেবাপ্রদানকারী তাদের সকলকেই এক এক করে বাদ দেব এবং পরিত্যাগ করব। এটাও আমার পরিচালনামূলক পরিকল্পনার একটা অংশ। সেবাপ্রদানকারীদের সকলে প্রকাশিত হওয়ার পর, আমার প্রথমজাত পুত্রদেরও প্রকাশ ঘটবে। (আমার কাছে এই কাজ অত্যন্ত সহজ। আমার বাক্য শোনার পর সেবাপ্রদানকারীরা আমার বিচার ও আমার বাক্যকে ভয় পেয়ে ধীরে ধীরে নিজেদের সরিয়ে নেবে এবং একমাত্র আমার প্রথমজাত পুত্ররাই অবশিষ্ট থাকবে থাকবে। এটা এমন বিষয় নয় যা মানুষ নিজের ইচ্ছায় করতে পারে, বা এমন কিছুও নয় যা মানুষ নিজের সংকল্পে পরিবর্তন করতে পারে; বরং এটা মানুষের মধ্যে আমার আত্মার কার্যসাধন।) এটা কোনো দূরবর্তী ঘটনা নয়, এবং আমার কার্যের এই পর্যায়ে এবং আমার বাক্যে নিজেদের ভেতর থেকে এর অন্তত কিছুটা তোমাদের উপলব্ধি করা উচিত। আমার এত কথা বলার কারণ, এবং আমার উচ্চারিত শব্দের অনিশ্চিত প্রকৃতি, উভয়ই মানুষের কাছে দুর্বোধ্য। প্রথমজাত পুত্রদের সঙ্গে আমি আশ্বাস, সহানুভূতি ও ভালোবাসা দিয়ে কথা বলি (কারণ আমি তাদের সবসময় আলোকিত করি, আর যেহেতু তাদের নিয়তি পূর্বেই আমিই নির্ধারণ করেছি, তাই তাদের আমি পরিত্যাগ করব না), প্রথমজাত পুত্রদের ছাড়া বাকিদের সঙ্গে কঠোর বিচার করি, তাদের হুঁশিয়ারি দিই, ভীতি প্রদর্শন করি, যাতে তারা সবসময় এতটাই শঙ্কিত হয়ে থাকে তাদের স্নায়ু ক্রমাগত কাজ করতে থাকে। পরিস্থিতি যখন একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় এসে পৌঁছবে, তখন তারা এই অবস্থা থেকে পলায়ন করবে (যখন আমি পৃথিবীকে ধ্বংস করে দেব তখন এই সমস্ত মানুষের স্থান হবে অতল গহ্বরে), কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা আমার বিচারের হাত থেকে নিস্তার পাবে না বা এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তিও পাবে না। তাই এটাই তাদের বিচার; এটাই তাদের শাস্তি। বিদেশিরা যেদিন আসবে সেদিন আমি এক এক করে এই সমস্ত মানুষের স্বরূপ উদ্ঘাটন করব। এগুলিই আমার কাজের একেকটা ধাপ। আমার পূর্বোক্ত বাক্যগুলির নেপথ্য উদ্দেশ্য কি এবার তোমরা বুঝতে পেরেছ? আমার মতে, কিছু অপূর্ণ থেকে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে কিছু অন্তত পূর্ণ হয়েছে; কিন্তু কিছু পূর্ণ হয়েছে মানেই যে তা অর্জন করা গেছে, এমনটা মোটেই নয়। কারণ, আমার প্রজ্ঞা রয়েছে, আমার কাজের একটা ধরন রয়েছে যা মানুষের কাছে দুর্জ্ঞেয়। এই পদক্ষেপের ফল যখন অর্জন করব (যে দুষ্টেরা আমাকে প্রতিরোধ করে তাদের স্বরূপ যখন উদ্ঘাটন করব), তারপরে আমি পরের ধাপ শুরু করব, কারণ আমার ইচ্ছা অপ্রতিরোধ্য এবং কেউই আমার পরিচালনামূলক পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ার সাহস করে না এবং কোনোকিছুই সেখানে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে না – তাদের সবাইকে এই পথ পরিষ্কার করে দিতে হবে! অতিকায় লাল ড্রাগনের সন্তানেরা সব আমার কথা শোনো! আমি সিয়োন থেকে এসেছি এবং আমার প্রথমজাত পুত্রদের অর্জন করার জন্য, তোমাদের পিতার সম্মান ভূলুণ্ঠিত করার জন্য (অতিকার লাল ড্রাগনের বংশধরদের উদ্দেশ্যে এই কথাগুলি বলা হচ্ছে), আমার প্রথমজাত পুত্রদের সাহায্য করার জন্য এবং আমার প্রথমজাত পুত্রদের সঙ্গে হওয়া অন্যায়কে ন্যায়ে বদলে দেওয়ার জন্য এই পৃথিবীতে আমি দেহধারণ করেছি। তাই আর বর্বর হয়ো না; তোমাদের মোকাবিলা করার জন্য আমি আমার প্রথমজাত পুত্রদের অনুমতি দেব। অতীতে আমার পুত্ররা নিগৃহীত হয়েছে, নির্যাতিত হয়েছে, যেহেতু পুত্রদের হয়ে তাদের পিতা শক্তি প্রয়োগ করে, তাই আমার পুত্ররা সবাই আমার কোলে ফিরে আসবে, আর তারা নিগৃহীত বা নির্যাতিত হবে না। আমি অধার্মিক নই, বরং এটা আমার ন্যায়পরায়ণতারই পরিচয়, এবং এটা প্রকৃত অর্থেই “যাদের আমি ভালোবাসি তাদের প্রতি ভালোবাসা ও যাদের আমি ঘৃণা করি তাদের প্রতি ঘৃণা”। তোমরা যদি বল যে আমি অধার্মিক আহলে যত শীঘ্র সম্ভব এখান থেকে চলে যাও। নির্লজ্জের মতো আমার গৃহের আতিথ্য নিয়ো না। যত দ্রুত সম্ভব তোমার নিজ গৃহে ফিরে যাও যাতে আমাকে আর তোমার মুখদর্শন করতে না হয়। অতল গহ্বরই তোমাদের ভবিতব্য এবং সেখানেই তোমাদের স্থান। তোমরা যদি এই মুহূর্তে আমার গৃহে থেকে থাকো, তাহলে সেখানে তোমাদের আর কোনো স্থান হবে না, কারণ তোমরা ভারবাহী পশু, তোমরা আমার ব্যবহারের যন্ত্র। তোমরা যখন আমার আর কোনো কাজে লাগবে না তখন তখন আগুনে নিক্ষেপ করে তোমাদের আমি ভস্ম করে দেব। এটাই আমার পরিচালনামূলক আজ্ঞা; এভাবেই আমাকে কাজ করতে হয়, যে পদ্ধতিতে আমি কাজ করি সেটি এভাবেই প্রকাশিত হয় এবং এভাবেই আমার ন্যায়পরায়ণতা ও আমার মহিমার উদ্ঘাটন হয়। সবচেয়ে বড় কথা, এভাবেই আমার প্রথমজাত পুত্রদের আমার সঙ্গে রাজত্ব করার অনুমতি দেওয়া হবে।

পূর্ববর্তী: অধ্যায় ৯২

পরবর্তী: অধ্যায় ১০৮

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

সম্পর্কিত তথ্য

ঈশ্বরের সঙ্গে সহজ সম্পর্ক স্থাপন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

যে পথে মানুষ ঈশ্বরকে বিশ্বাস করে, ভালোবাসে এবং ঈশ্বরের আস্থাভাজন হয়ে ওঠে, সেই পথটি হল নিজের হৃদয়ে ঈশ্বরের পরম শক্তিকে স্থান দিয়ে তাঁর...

সেটিংস

  • লেখা
  • থিমগুলি

ঘন রং

থিমগুলি

ফন্টগুলি

ফন্ট সাইজ

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

পৃষ্ঠার প্রস্থ

বিষয়বস্তু

অনুসন্ধান করুন

  • এই লেখাটি অনুসন্ধান করুন
  • এই বইটি অনুসন্ধান করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন