পথ … (৪)

ঈশ্বরের মাধুর্য যে মানুষ দৃষ্টিগোচর করতে পারে, বর্তমান যুগে ঈশ্বরকে ভালোবাসার উপায় সন্ধান করতে পারে, এবং তারা যে বর্তমান যুগের রাজ্যের প্রশিক্ষণ গ্রহণে ইচ্ছুক হয়েছে—এগুলি সবই ঈশ্বরের অনুগ্রহ, তদুপরি, তা তাঁর কৃত মানবজাতির উন্নয়নসাধনও বটে। আমি এই বিষয়ে চিন্তা করলেই, আমার মনে ঈশ্বরের মাধুর্যের বিষয়ে একটি গভীর উপলব্ধি তৈরি হয়। ঈশ্বর সত্যিই আমাদের ভালোবাসেন; তা না হলে কে-ই বা তাঁর মাধুর্য উপলব্ধি করতে পারত? শুধু এইজন্যই আমি মনে করি এই সমস্ত কাজ স্বয়ং ঈশ্বরের ব্যক্তিগতভাবেই করা, এবং মানুষ ঈশ্বরের দ্বারাই নির্দেশিত ও পরিচালিত হয়। আমি এজন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই, আর আমি চাই আমার ভাই ও বোনেরা ঈশ্বরের প্রশংসায় আমার সঙ্গে যোগদান করুক: “হে স্বয়ং সর্বোত্তম ঈশ্বর, সকল মহিমা স্বয়ং আপনারই! আপনার মহিমা যেন বহুগুণে আপনার নির্বাচিত ও অর্জিত লোকেদের কাছে প্রকাশিত হয়।” ঈশ্বর আমাকে আলোকিত করেছেন: তিনি আমাকে দেখিয়েছিলেন যে আমরা বহু যুগ আগেই পূর্বনির্ধারিত ছিলাম, তিনি অন্তিম সময়ে আমাদের অর্জন করতে চেয়েছিলেন, এইভাবে তিনি আমাদের মাধ্যমে মহাবিশ্ব এবং সমস্ত কিছুকে ঈশ্বরের মহিমা সম্পূর্ণরূপে প্রত্যক্ষ করার জন্য অনুমোদিত করেছেন। অর্থাৎ, আমরা হলাম ঈশ্বরের ছয় হাজার বছরের পরিচালনামূলক পরিকল্পনার অন্তিমরূপ; আমরা আদর্শস্বরূপ, সমগ্র মহাবিশ্বে ঈশ্বরের কাজের নমুনাস্বরূপ। শুধু এখনই আমি উপলব্ধি করতে পারি ঈশ্বর আমাদের কতটা ভালোবাসেন, তিনি আমাদের মধ্যে যে কাজ করেন এবং তিনি যা বলেন তা অতীতের যুগের তুলনায় দশলক্ষ গুণেরও বেশি। এমনকি ইসরায়েলে বা পিতরের মধ্যেও ঈশ্বর ব্যক্তিগতভাবে এত কাজ করেন নি অথবা এত বাক্য বলেন নি—যার ফলে বোঝা যায় যে, এই মনুষ্যগোষ্ঠী প্রকৃতপক্ষেই অবিশ্বাস্যরকমের আশীর্বাদধন্য, অতীতের সন্তদের তুলনায়ও বেশি। এই কারণেই ঈশ্বর সর্বদা বলেছেন যে, অন্তিম যুগের মানুষেরা আশীর্বাদপ্রাপ্ত। অন্যরা যা-ই বলুক না কেন, আমি বিশ্বাস করি যে আমরাই ঈশ্বরের সর্বাধিক আশীর্বাদপ্রাপ্ত। আমাদের ওপর ঈশ্বরের অর্পিত আশীর্বাদ আমাদের গ্রহণ করা উচিত; অনেকেই ঈশ্বরের কাছে অভিযোগ করলেও আমি মনে করি, এই আশীর্বাদ যদি ঈশ্বরের কাছ থেকে এসে থাকে, তাহলে তা এটাই প্রমাণ করে যে, আমরা তা পাওয়ার যোগ্য। এমনকি যদি অন্যান্যরা অভিযোগ করে অথবা আমাদের মতামতে অখুশি থাকে, তাহলেও আমি বিশ্বাস করি যে ঈশ্বর আমাদের যে আশীর্বাদ দিয়েছেন, তা অন্য কেউ উত্তরাধিকার হিসাবে পেতে বা আমাদের থেকে কেড়ে নিতে পারে না। কারণ ঈশ্বরের কাজ আমাদের মধ্যেই সম্পাদিত হয়েছে এবং তিনি আমাদের সাথেই মুখোমুখি কথা বলেন—অন্য কারোর সাথে নয়—ঈশ্বর তাঁর ইচ্ছা অনুসারেই কাজ করেন। আর যদি মানুষ নিশ্চিত না হয়, তাহলে তারা কি নিজেরাই নিজেদের জন্য সমস্যা ডেকে আনছে না? এমনটা করে তারা কি নিছক নিজেদের উপরেই ঘৃণ্যতা আহ্বান করছে না? আমি কেন এইসব বিষয়ে বলছি? কারণ এই বিষয়ে আমার গভীর উপলব্ধি রয়েছে। ঈশ্বর আমার মধ্যে যা কাজ করেন সেটাকে উদাহরণ হিসাবে ধরো: কেবল আমিই এই কাজের দায়িত্ব নিতে পারি—এটা কি আর কেউ করতে পারে? আমি যথেষ্ট ভাগ্যবান যে, আমি ঈশ্বরের অর্পিত এই দায়িত্ব লাভ করতে পেরেছি—কেউ কি যদৃচ্ছ তা করতে সক্ষম? তবে আমি আশা করি, ভাই ও বোনেরা আমার অন্তরকে বুঝবে। আমি আমার মর্যাদা জাহির করছি না, কেবল বিষয়টি ব্যাখ্যা করছি। আমি চাইব সমস্ত মহিমা ঈশ্বরের হোক এবং তিনি আমাদের প্রত্যেকের হৃদয়ের প্রতি দৃষ্টিপাত করুন, যাতে আমাদের অন্তঃকরণ তাঁর সম্মুখে পরিশুদ্ধ হতে পারে। অন্তরে আমি ঈশ্বরের দ্বারা সম্পূর্ণ অর্জিত হতে চাই, যাতে আমি বেদীতে উৎসর্গীকৃত শুদ্ধ কুমারীর মতো হয়ে উঠতে পারি, এবং তদুপরি, যাতে আমার মধ্যে মেষসুলভ আনুগত্য থাকে, যাতে আমি সমগ্র মানবজাতির মধ্যে এক পবিত্র আধ্যাত্মিক দেহরূপে প্রতীয়মান হতে পারি। এটাই আমার প্রতিশ্রুতি, ঈশ্বরের সামনে আমার গৃহীত অঙ্গীকার। আমি তা পূরণ করতে চাই এবং এর মাধ্যমেই ঈশ্বরের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই। তুমি কি তা করতে ইচ্ছুক? আমার বিশ্বাস, আমার এই প্রতিশ্রুতি আরও ছোট ছোট ভাই ও বোনদের উদ্দীপিত করবে, আরও তরুণদের মধ্যে আশা বহন করে আনবে। আমার মনে হয় যে, ঈশ্বর তরুণদের বিশেষ গুরুত্ব সহকারে দেখেন। এটা আমার নিজের পক্ষপাতও হতে পারে, কিন্তু আমি সর্বদা অনুভব করি যে, তরুণদের মধ্যে সম্ভাবনা এবং আশা রয়েছে; মনে হয় যেন ঈশ্বর তরুণদের মধ্যে অতিরিক্ত কাজ করেন। তাদের অন্তর্দৃষ্টি এবং প্রজ্ঞার অভাব থাকতে পারে, তারা নবজাতক বাছুরের মতো ছটফটে এবং ভীত হতে পারে, তবুও তাদের মেধাহীন বলে আমার মনে হয় না। তাদের মধ্যে তুমি তারুণ্যের সরলতা দেখতে পাবে, আর তারা দ্রুত নতুন বিষয়বস্তুসকল গ্রহণ করতে পারে। যদিও তরুণ লোকজনের মধ্যে একটু উদ্ধত, উগ্র, আবেগপ্রবণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, কিন্তু তা তাদের নতুন আলোক গ্রহণ করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে না, কারণ তরুণেরা খুব কম ক্ষেত্রেই প্রাচীন, পুরাতন বিষয়বস্তু আঁকড়ে পড়ে থাকে। এই কারণেই আমি তরুণদের মধ্যে অসীম প্রতিশ্রুতি দেখতে পাই, এবং তাদের জীবনীশক্তির কারণেই তাদের প্রতি আমার স্নেহপূর্ণ অনুভূতি রয়েছে। বয়স্ক ভাই ও বোনেদের প্রতি আমার কোনও বিরাগ নেই, কিন্তু তাদের প্রতি আমার কোনও আগ্রহও নেই—এজন্য আমি তাদের কাছে বিনীতভাবে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। সম্ভবত আমি যা বলেছি তা প্রসঙ্গের সাথে অসঙ্গত বা বিবেচনাহীন, তবে আমি আশা করি তোমরা সবাই আমার অদূরদর্শিতা ক্ষমা করবে, কারণ কীভাবে কথন করতে হবে, সেবিষয়ে মনোযোগী হওয়ার পক্ষে আমি খুবই অপরিণত। কিন্তু সত্যি কথা বলতে, বর্ষীয়ান ভাই ও বোনেরা, একটি কার্যকারিতা সম্পন্ন করে—তারা একেবারে অকাজের নয়। কারণ তারা পরিচালনার বিষয়ে অভিজ্ঞ; তারা পরিচালনার বিষয়ে স্থির থাকে এবং বেশি ভুল করে না। এগুলো কি তাদের ক্ষমতা নয়? এসো আমরা সবাই ঈশ্বরের সামনে বলি: “হে ঈশ্বর! আমরা সবাই যেন আমাদের বিভিন্ন অবস্থানে আমাদের নিজস্ব কার্যাবলী সম্পন্ন করতে পারি, এবং আমরা সবাই যেন আপনার ইচ্ছা পূরণের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করতে পারি!” আমি বিশ্বাস করি এটা অবশ্যই ঈশ্বরের ইচ্ছা!

আমার অভিজ্ঞতায়, যারা খোলাখুলি এই স্রোতের বিরোধিতা করেছে—যারা ঈশ্বরের আত্মার প্রত্যক্ষ বিরোধিতা করেছে—তারা প্রবীণতর। এদের মধ্যে ধর্মীয় ধারণা প্রবলভাবে উপস্থিত থাকে; প্রতিটি পদক্ষেপেই তারা ঈশ্বরের বাক্যকে অচল বিষয়বস্তুসমূহের সাথে তুলনা করে আর অতীতে ঈশ্বরের বাক্যে গৃহীত বিষয়সকলের সাথে ঐকমত্য পোষণ করে। এগুলি কি অদ্ভূত নয়? এই ধরনের মানুষ কি তাদের উপর ঈশ্বরের অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করতে পারে? ঈশ্বর কি এই ধরনের মানুষদের তাঁর কাজে ব্যবহার করতে পারেন? তাঁর কাজের যে কোনো দিনের জন্যই পবিত্র আত্মার কাছে নির্দিষ্ট পদ্ধতি থাকে; যদি মানুষ পুরনো চিরাচরিত বিষয়বস্তুসমূহ আঁকড়ে বসে থাকে, তাহলে একদিন ইতিহাসের পাতা থেকে তারা মুছে যাবে। তাঁর কাজের প্রতিটি পর্যায়ে ঈশ্বর নতুন লোকেদের ব্যবহার করেন। যারা সেই অপ্রচলিত বিষয়সকল সহকারে অন্যদের পরামর্শ দিতে সচেষ্ট হয়, তারা কি মানুষের ধ্বংসই ডেকে আনে না? এবং তারা কি ঈশ্বরের কাজে বিলম্ব করছে না? আর তাই যদি হয়, তাহলে ঈশ্বরের কাজ কবে শেষ হবে? আমি এইমাত্র যা বললাম, সেই বিষয়ে অনেকের মধ্যে ভিন্ন ধারণা থাকতে পারে। তারা হয়ত সম্পূর্ণ বিশ্বাস করবে না। কিন্তু আমি তোমাকে চিন্তান্বিত করতে চাই না: এহেন অনেককিছু অদূর ভবিষ্যতেই ঘটবে, এবং সেগুলি শুধুমাত্র এই তথ্য দিয়েই ব্যাখ্যা করা সম্ভব। কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সাথে, সম্মানীয় যাজক অথবা বাইবেলের ব্যাখ্যাকারীর সাথে দেখা করা যাক এবং এই স্রোতের বিষয়ে তাদের মধ্যে প্রচার করা যাক। সুনিশ্চিতভাবেই, তারা প্রথমে খোলাখুলি প্রতিরোধ করবে না, কিন্তু বাইবেল বার করে তোমার সাথে বিতর্ক করবে। তারা তোমাকে যিশাইয় বা দানিয়েলের বই খুলে সবিস্তারে বর্ণনা করবে, এমনকি প্রকাশিত বাক্যের বইও তোমার কাছে ব্যাখ্যা করবে। এবং যদি তুমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে না পারো, তবে তারা তোমাকে প্রত্যাখ্যান করবে আর ভণ্ড খ্রীষ্ট হিসাবে অভিহিত করবে, এবং তুমি অবান্তর পন্থা প্রসার করছ বলে তোমায় দোষারোপ করবে। এক ঘন্টা পরে তারা তোমার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অভিযোগ করবে, যা তোমায় শ্বাসরুদ্ধ করে ফেলবে। এটা কি প্রকাশ্য প্রতিরোধ নয়? কিন্তু এ তো সবে শুরু। তারা ঈশ্বরের কাজের পরবর্তী ধাপে বাধা দিতে পারে না, এবং অচিরেই, পবিত্র আত্মা তাদের তা গ্রহণ করতে বাধ্য করবেন। এ হল এক অদম্য প্রবণতা; এই কাজ মানুষের পক্ষে করা অসম্ভব এবং কল্পনাতীতও বটে। আমার বিশ্বাস, ঈশ্বরের কাজ সমগ্র মহাবিশ্বে বাধাহীনভাবে ছড়িয়ে পড়বে। এটাই ঈশ্বরের ইচ্ছা, এবং কেউই তা প্রতিহত করতে পারে না। ঈশ্বর যেন আমাদের আলোকিত করেন, যেন নতুন আলোক গ্রহণ করতে অনুমোদিত করেন, যেন এই বিষয়ে আমরা ঈশ্বরের পরিচালনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি না করি। ঈশ্বর যেন আমাদের ওপর করুণা বর্ষণ করেন, যাতে আমরা তাঁর মহিমান্বিত দিবসের আগমন প্রত্যক্ষ করতে পারি। যখন ঈশ্বর সমগ্র মহাবিশ্ব জুড়ে মহিমায় উদ্ভাসিত হতে পারবেন, তখন আমরাও তাঁর সাথে মহিমা লাভ করব। মনে হচ্ছে যেন সেই সময়ও আসবে, যখন আমি আমার সঙ্গে একসঙ্গে যাত্রা করা লোকেদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবো। আমি আশা করি যে আমার ভাই ও বোনেরা আমার সঙ্গে সমবেত স্বরে ঈশ্বরের কাছে অনুরোধ উত্থাপন করবে: ঈশ্বরের মহান কাজ শীঘ্রই সম্পূর্ণ হোক, যাতে আমরা আমাদের জীবদ্দশাতেই তাঁর মহিমার দিন দেখতে পারি। আমি এখনও জীবদ্দশাতেই ঈশ্বরের ইচ্ছা পূরণের প্রত্যাশা করি, এবং আশা করি ঈশ্বর যেন, কোনও রকম বাধাবিঘ্ন ছাড়াই, আমাদের মধ্যে তাঁর কাজ চালিয়ে যান। এ-ই হল আমার চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা। ঈশ্বর সর্বদা আমাদের মধ্যে থাকুন, এবং তাঁর ভালোবাসা আমাদের মধ্যে সেতু তৈরি করুক, যাতে আমাদের মৈত্রী মহার্ঘতর হয়ে ওঠে। আমি আশা করি যে, ভালোবাসা আমাদের মধ্যে আরও ভালো বোঝাপড়া তৈরি করবে, এবং সেই ভালোবাসা যেন আমাদের গভীরভাবে ঘনিষ্ঠ করে তোলে, আমাদের মধ্যেকার সমস্ত দূরত্ব দূর করে, এবং আমাদের মধ্যেকার ভালোবাসা যেন গভীরতর, বিস্তৃততর এবং মধুরতর হয়ে ওঠে। আমার মতে, আমার ঈশ্বরের ইচ্ছা এমনই হবে। আমার আশা, আমার ভাই ও বোনেরা আমার ঘনিষ্ঠতর হয়ে উঠবে এবং আমাদের একত্রে বাস করা স্বল্পদিনগুলি আমাদের কাছে আরও মূল্যবান হয়ে উঠবে, এবং তারা আমাদের সুন্দর স্মৃতি হিসাবে পরিগণিত হবে।

চীনের মূল ভূখণ্ডে ঈশ্বরের কাজের আরও পদক্ষেপ থাকতে পারে, কিন্তু সেগুলি খুব বেশি জটিল নয়। ভেবে দেখো, তাঁর কাজের প্রতিটি ধাপেরই অর্থ রয়েছে; প্রতিটিই ঈশ্বর দ্বারা সম্পাদিত করেন এবং এই কাজে সকলেই ভূমিকা পালন করেছে। প্রতিটি “দৃশ্য” সত্যিই হাস্যকর, আর কে-ই বা ভেবেছিল যে এই লোকেরা এমন নাটক করবে, প্রতিটি পরীক্ষার মাঝেই তাদের ভূমিকা এতটাই সত্যি হিসাবে প্রতিফলিত হবে, সমস্ত রকমের মানুষদের ঈশ্বরের কলমের আঁচড়ে সম্পূর্ণ স্পষ্টরূপে দেখানো হবে, যার প্রতিটি ঘটনাই প্রকাশ্য দিবালোকে ঘটেছিল? তবে, এর মাধ্যমে আমি কিন্তু বলছি না যে, ঈশ্বর তাঁর কাজের দ্বারা মানুষের সঙ্গে ক্রীড়ারত। এমন বলার কোনও মানে হয় না; ঈশ্বরের কাজের একটি উদ্দেশ্য রয়েছে এবং তিনি নিরর্থক বা মূল্যহীন কিছু করবেন না। তাঁর প্রতিটি কাজই মানুষকে নিখুঁত করার উদ্দেশ্যে, তাদের অর্জন করার জন্য। এর থেকে আমি সত্যিই বুঝতে পারি যে, ঈশ্বরের হৃদয় পূর্ণতই মানুষের মঙ্গলের চিন্তা করে। আমি এটাকে নাটক বলতেই পারি, কিন্তু মানতেই হবে যে এই নাটকও বাস্তব জীবন থেকেই নেওয়া। শুধু এই নাটকের মুখ্য পরিচালক হলেন ঈশ্বর—এই কাজ সম্পূর্ণ করার উদ্দেশ্যে তাঁর সঙ্গে সহযোগিতাকারী লোকজন উপস্থিত রয়েছে। অন্যভাবে দেখলে, যদিও, ঈশ্বর তা মানুষকে অর্জন করতে ব্যবহার করেন, যাতে তারা তাঁকে আরও বেশি ভালোবাসতে পারে। এটাই কি ঈশ্বরের ইচ্ছা নয়? তাই, আমি আশা করি যে, কারোর আর কোনও উদ্বেগ নেই। তুমি কি ঈশ্বরের ইচ্ছার বিষয়ে একেবারেই অজ্ঞ? আমি অনেক কিছু বলেছি—আমি আশা করি যে ভাই ও বোনেরা এর সমস্তটাই উপলব্ধি করেছে, আমার হৃদয়ের অপব্যাখ্যা করেনি। এই বিষয়ে আমি নিঃসন্দেহ যে তোমরা সকলেই ঈশ্বরের দ্বারা অর্জিত হবে। সকলেই আলাদা আলাদা পথে হাঁটে। তোমার পায়ের তলার পথটি ঈশ্বরের দ্বারা উন্মুক্ত হোক, এবং তোমরা তাঁর কাছে প্রার্থনা করো এবং বলো: হে ঈশ্বর! আমি চাই যে আপনি আমাকে অর্জন করুন, যাতে আমার আত্মা আপনার কাছে ফিরতে পারে। তুমি কি তোমার আত্মার গভীরে ঈশ্বরের পথনির্দেশনা অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত?

পূর্ববর্তী: পথ … (৩)

পরবর্তী: পথ … (৫)

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

সম্পর্কিত তথ্য

ঈশ্বর হলেন মানুষের জীবনের উৎস

ক্রন্দনরত অবস্থায় এই জগতে ভূমিষ্ঠ হবার সময় থেকেই তুমি তোমার কর্তব্য পালন করা শুরু করো। ঈশ্বরের পরিকল্পনা ও তাঁর নির্ধারিত নিয়তি অনুসারে...

পরিশিষ্ট ২ ঈশ্বর সমগ্র মানবজাতির ভাগ্য নির্ধারক

মানব প্রজাতির সদস্য এবং ধর্মপ্রাণ খ্রীষ্টান হিসাবে আমাদের সকলের দায়িত্ব এবং কর্তব্য হলো নিজেদের দেহ ও মনকে ঈশ্বরের অর্পিত দায়িত্বে নিযুক্ত...

রাজ্যের যুগই হল বাক্যের যুগ

রাজ্যের যুগে, যে পদ্ধতিতে তিনি কাজ করেন তা পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে, এবং সমগ্র যুগের কাজ সম্পাদন করার জন্য, ঈশ্বর নতুন যুগের সূচনা করতে বাক্যের...

সেটিংস

  • লেখা
  • থিমগুলি

ঘন রং

থিমগুলি

ফন্টগুলি

ফন্ট সাইজ

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

পৃষ্ঠার প্রস্থ

বিষয়বস্তু

অনুসন্ধান করুন

  • এই লেখাটি অনুসন্ধান করুন
  • এই বইটি অনুসন্ধান করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন