ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: ঈশ্বরের স্বভাব এবং তিনি কে ও তাঁর কী আছে | উদ্ধৃতি 260

যারাই এই জগতে আসে তাদের অবশ্যই জীবন ও মৃত্যুর মধ্য দিয়ে যেতে হবে, আর তাদের মধ্যে বেশির ভাগই মৃত্যু ও পুনর্জন্ম—এই চক্রের মধ্য দিয়ে নিজেকে অতিবাহিত করেছে। যারা বেঁচে আছে, তারা খুব শীঘ্রই মারা যাবে, আর মৃতরা আবার দ্রুত ফিরে আসবে। এ সবই হল জীবনচক্রের অংশ যা ঈশ্বর প্রত্যেক জীবের জন্য নির্ধারিত করেছেন। তবু এই জীবনচক্র ও তার বারবার ফিরে আসাই হল সেই সত্য যা ঈশ্বর মানুষকে দেখাতে চান: ঈশ্বর মানুষকে যে জীবনের আশীর্বাদ দিয়েছেন তা সীমাহীন, স্থান-কাল-পাত্রের প্রভাবমুক্ত। এই হল জীবনের রহস্য যা ঈশ্বরের আশীর্বাদে মানুষ পেয়েছে, আর এটাই প্রমাণ যে জীবনের উৎস হলেন ঈশ্বর। যদিও অনেকে এটা বিশ্বাস নাও করতে পারে যে জীবন ঈশ্বরের অবদান, তবু মানুষ অনিবার্যভাবে ঈশ্বরের সমস্ত অবদানকে উপভোগ করে, তা সে ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করুক বা তাঁকে অস্বীকার করুক। ঈশ্বর যদি হঠাৎ করে হৃদয় পরিবর্তন করেন আর জগতে যা কিছু আছে সব ফিরিয়ে নিতে চান, ফিরিয়ে নিতে চান যে প্রাণ তিনি সঞ্চার করেছেন, তাহলে আর কিছুই থাকবে না। ঈশ্বর তাঁর প্রাণশক্তিকে ব্যবহার করেন সমস্ত কিছুর, তা জীব হোক বা জড়বস্তু, যোগান দেওয়ার জন্য, সমস্ত কিছুকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করার জন্য ব্যবহার করেন তাঁর শক্তি ও কর্তৃত্ব। এটা এমন এক সত্য যা কেউ অনুভব করতে বা তার অর্থ হৃদয়ঙ্গম করতে পারেনা, আর এই ধারণাতীত সত্যই হল ঈশ্বরের জীবনীশক্তির প্রকৃত প্রকাশ ও তার প্রমাণ। এখন আমি তোমাকে একটা গোপন কথা বলব: ঈশ্বরের জীবনের মহত্ত্ব এবং তাঁর প্রাণশক্তি কোনো জীবের পক্ষে অনুধাবন করা সম্ভব না। এটা এখন এরকম, অতীতেও তাই ছিল, আর আগামী দিনেও তাই থাকবে। আমি দ্বিতীয় যে গোপন কথা বলতে চাই সেটা হল: জীবনের রূপ বা কাঠামো নির্বিশেষে সমস্ত সৃষ্ট জীবের জীবনের উৎস হলেন ঈশ্বর; তুমি যে ধরনের জীবই হয়ে থাকো না কেন, তুমি ঈশ্বরের ঠিক করে দেওয়া জীবন ধারণের পথের বিরুদ্ধে যেতে পারো না। সে যাই হোক, আমি কেবল চাই মানুষ যেন এটা বুঝতে সক্ষম হয়: ঈশ্বরের পরিচর্যা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংস্থান ছাড়া, মানুষের প্রাপ্য কোনও কিছুই সে পেতে পারেনা, সে যতই অধ্যবসায় সহকারে চেষ্টা করুক বা যতই কষ্ট সহ্য করে সংগ্রাম করুক। ঈশ্বরের দিক থেকে জীবনের যোগান না থাকলে মানুষ বেঁচে থাকার মূল্য অনুভব করতে এবং জীবনের অর্থ অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়। মানুষ যেভাবে তুচ্ছ মনে করে তাঁর দেওয়া জীবনের মূল্য নষ্ট করে ফেলে, সেই মানুষকে ঈশ্বর কীভাবে এমন অযত্নশীল হতে দিতে পারেন? আগেও যেমন বলেছি: ভুলো না যে ঈশ্বরই হলেন তোমার জীবনের উৎস। ঈশ্বরের আশীর্বাদে মানুষ যা কিছু পেয়েছে সেগুলিকে যদি মানুষ যত্ন করে রাখতে না পারে, তাহলে ঈশ্বর প্রারম্ভে যা দিয়েছেন শুধু যে সেগুলি ফিরিয়ে নেবেন তা-ই নয়, তিনি মানুষকে যা কিছু দিয়েছেন তার দ্বিগুণ মূল্য ফিরিয়ে দিতে বাধ্য করতেও পারেন।

—বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, ঈশ্বর হলেন মানুষের জীবনের উৎস

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।

সম্পর্কিত তথ্য

ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: কর্মের তিনটি পর্যায় | উদ্ধৃতি 25

মানুষ যদি অনুগ্রহের যুগে আটকে থাকে, তবে তারা কখনই তাদের ভ্রষ্ট স্বভাব থেকে মুক্তি পাবে না, ঈশ্বরের অন্তর্নিহিত স্বভাবকে জানা তো দূরের কথা।...

ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: গন্তব্য ও পরিণতি | উদ্ধৃতি 587

এই বিশাল জগতে, মহাসমুদ্রের পলি জমে মাটি তৈরি হচ্ছে, আর মাটি ভেসে গিয়ে মহাসমুদ্রে ডুবে যাচ্ছে, বারংবার। সবকিছু যাঁর শাসনে চলে, সেই পরমাত্মা...

ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: ঈশ্বরের কাজ সম্বন্ধে জানা | উদ্ধৃতি 217

সমস্ত মানুষদের এই পৃথিবীতে আমার কাজের লক্ষ্যগুলি বুঝতে হবে, অর্থাৎ, আমি পরিশেষে কী অর্জন করতে চাই এবং আমার কাজ সম্পূর্ণ করার আগে আমাকে...

ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: জীবনে প্রবেশ | উদ্ধৃতি 455

সমগ্র মহাবিশ্ব জুড়ে তাঁর কাজ শুরু করার সময় থেকে, ঈশ্বর বহু মানুষকে তাঁর সেবা করার জন্যে পূর্বনির্দিষ্ট করেছেন। সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রের...

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন