অধ্যায় ৪০

ঈশ্বরের কাছে, মানুষ যেন তাঁর কুক্ষিগত এক খেলনা, যেন তাঁর করায়ত্ত এক হস্ত-প্রসারিত সেমাই—ঈশ্বর যেটিকে তাঁর ইচ্ছামতো সরু বা মোটা বানাতে পারেন, তাঁর যেমন খুশি সেভাবেই ব্যবহার করতে পারেন। এমনটা বলা ন্যায্য হবে যে মানুষ বস্তুতই ঈশ্বরের হস্তধৃত এক ক্রীড়নক, বাজার থেকে কোনো ভদ্রমহিলা দ্বারা ক্রীত কোনও পারস্যদেশীয় মার্জার-সমতুল। নিঃসন্দেহে সে ঈশ্বরের হাতের এক খেলনা—এবং সেকারণেই পিতরের জ্ঞানে কোনো অসত্য ছিল না। এর থেকে দেখা যায় যে, ঈশ্বরের বাক্য ও কার্যকলাপসমূহ মানুষের মধ্যে অনায়াসে ও আনন্দসহকারে নিষ্পন্ন হয়। মানুষের কল্পনামাফিক তিনি প্রভূত মস্তিষ্কপ্রয়োগ বা পরিকল্পনা করেন না; মানুষের মধ্যে যে কার্য তিনি সাধন করেন তা অতি স্বাভাবিক, মানুষের প্রতি তাঁর উচ্চারিত বাক্যগুলিও তা-ই। ঈশ্বর যখন বাক্যোচ্চারণ করেন, মনে হয় জিহ্বাকে বুঝি তিনি অর্গলমুক্ত করে দিয়েছেন, তিলমাত্র সংবরণ ব্যতিরেকে যা তাঁর মনে উৎসারিত হয় তা-ই তিনি ব্যক্ত করেন। কিন্তু ঈশ্বরের বাক্যসমূহ পাঠের পর, মানুষ সম্পূর্ণরূপে প্রতীত হয়, তারা বাকরুদ্ধ, বিস্ফারিত-চক্ষু ও হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে। এখানে বিষয়টি কী ঘটছে? ঈশ্বরের প্রজ্ঞা ঠিক কতখানি মহান, এতে তা উত্তমরূপে প্রতিপন্ন হয়। মানুষের কল্পনা মোতাবেক, যথাযথ ও সঠিক হওয়ার খাতিরে মানুষের মধ্যে ঈশ্বরের কার্যকে যদি নিখুঁতভাবে পরিকল্পিত হতে হতো, তাহলে—এই কল্পনাসমূহকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলে—ঈশ্বরের প্রজ্ঞা, বিস্ময়করতা, ও রহস্যময়তাও পরিমাপযোগ্য হতো, যা প্রমাণ করে যে, ঈশ্বর সম্পর্কে মানুষের মূল্যায়ন অতি নিম্ন। মানুষের ক্রিয়াকর্মে সততই মূঢ়তা রয়েছে বলে, ঈশ্বরকেও তারা একই পদ্ধতিতে পরিমাপ করে। তাঁর কার্যের ব্যাপারে ঈশ্বর পরিকল্পনা বা আয়োজন করেন না; পরিবর্তে, তা সরাসরি ঈশ্বরের আত্মার দ্বারা সম্পন্ন হয়—এবং যে নীতিতে ঈশ্বরের আত্মা কার্যনির্বাহ করেন তা নির্মুক্ত ও নির্বাধ। মনে হয় ঈশ্বর বুঝি মানুষের অবস্থার প্রতি ভ্রূক্ষেপমাত্র করেন না এবং নিজের খুশিমতো বক্তব্য রেখে যান—তারপরেও মানুষ কদাচিৎ ঈশ্বরের বাক্য থেকে নিজিকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে, ঈশ্বরের প্রজ্ঞাই এর কারণ। যা সত্য, সবকিছুর পরেও, তা সত্যই রয়। যেহেতু সকল মানুষের মধ্যে ঈশ্বরের আত্মার কার্য এত সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান, সেহেতু তা ঈশ্বরের কার্যের নীতিসমূহ প্রদর্শন করানোর পক্ষে যথেষ্ট। সৃজিত সত্তাসমূহের মধ্যে তাঁর কার্যে ঈশ্বরকে এত উচ্চ মূল্য পরিশোধ করতে হলে, তা কি উচ্চমানের কাষ্ঠকে তুচ্ছ কাজে ব্যবহারের মতো ঘটনা দাঁড়াতো না? ঈশ্বরকে কি ব্যক্তিগতভাবে কার্য সম্পাদন করতে হবেই? এমন করাটা কি যুক্তিযুক্ত হতো? যেহেতু ঈশ্বরের আত্মা এতদিন যাবৎ কার্যসাধন করে আসছেন, তথাপি যুগযুগান্তব্যাপী কখনোই ঈশ্বরের আত্মা এভাবে কার্য সম্পাদন করেননি, সেকারণেই কেউ কখনো ঈশ্বরের কার্যসাধনের পদ্ধতি ও নীতিসমূহের বিষয়ে অবহিত হয়নি, কোনোদিন এ সম্পর্কে তারা কোনো সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করেনি। কিন্তু আজ তারা এক স্বচ্ছ ধারণা লাভ করেছে, কারণ ঈশ্বরের আত্মা স্বয়ং তা উদ্ঘাটিত করেছেন—এবং তা সন্দেহাতীত, প্রত্যক্ষভাবে তা ঈশ্বরের আত্মার দ্বারা প্রদর্শিত, মানুষের দ্বারা সারসংক্ষিপ্ত নয়। বরং তৃতীয় স্বর্গে একদফা প্রমোদসফরে গিয়ে দেখেই আসা যাক না, সেখানে প্রকৃতই এই ঘটনাগুলি সংঘটিত হচ্ছে কিনা; দেখে আসা যাক, এই সমস্ত কার্য সমাপনান্তে, ঈশ্বরের পরিশ্রম তাঁকে পরিশ্রান্ত করে তুলেছে কি না, তাঁর পৃষ্ঠদেশ ব্যথায় কাতর এবং তাঁর পদযুগল বেদনাক্লিষ্ট হয়ে পড়েছে কি না, কিংবা তিনি আহার-নিদ্রায় অক্ষম হয়ে পড়েছেন কি না; এবং এই সমস্ত বাক্য উচ্চারণ করতে তিনি উল্লেখ্য হিসাবে বহুসংখ্যক উপাদানসূত্রের অধ্যয়ন করেছেন কি না, ঈশ্বরের উচ্চারণের খসড়াগুলি টেবিলজুড়ে ছড়ানো রয়েছে কিনা, এবং এত বাক্য উচ্চারণের পর তাঁর মুখগহ্বর বিশুষ্ক হয়ে পড়েছে কিনা। বাস্তব সত্য ঠিক বিপরীত: উপরের বাক্যগুলির সাথে ঈশ্বরের বাসস্থানের কোনো সাদৃশ্যই নেই। ঈশ্বর বলেন, “মানুষের স্বার্থে আমি প্রভূত সময় ব্যয় করেছি এবং এক বিরাট মূল্য পরিশোধ করেছি—কিন্তু এক্ষণে, কোনো এক অজ্ঞাত কারণে, মানুষের বিবেকবোধ নিজের আদি কার্যটি সম্পাদন করতেও নিরন্তর অসমর্থ রয়ে যায়।” ঈশ্বরের বেদনার বিষয়ে মানুষের কোনো বোধ রয়েছে কি নেই তা নির্বিশেষে, তারা যদি স্বীয় বিবেকের বিরুদ্ধে না গিয়ে ঈশ্বরের ভালোবাসার নিকটবর্তী হতে পারতো, তাহলে তা যুক্তিসিদ্ধ ও সমীচীন বলে বিবেচিত হতে পারতো। একমাত্র যা আশঙ্কার তা হল, বিবেককে দিয়ে তার আদি কার্যটি সম্পন্ন করাতে তারা অনিচ্ছুক। তা কি তোমার সমীচীন বলে বোধ হয়? এই বাক্যগুলি কি তোমায় সহায়তা করে? আমি আশা রাখি, তোমরা বিবেকবোধববর্জিত আবর্জনা নও, বরং বিবেকসম্পন্ন বস্তুগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। এই বাক্যগুলির বিষয়ে তোমাদের কী চিন্তাভাবনা? এবিষয়ে তোমাদের কারো কি কোনো বোধ রয়েছে? তোমাদের হৃদয়ে কোনো সুচ বিঁধে থাকলে তোমরা কি ব্যথা পাও না? ঈশ্বর কি এক সংবেদনহীন শবদেহে সুচ বিদ্ধ করেন? ঈশ্বর কি ভ্রমাক্রান্ত, বৃদ্ধ বয়স কি তাঁর দৃষ্টিশক্তি নিষ্প্রভ করে ফেলেছে? আমি বলি, তা অসম্ভব! যাই ঘটুক না কেন, তা মানুষের ত্রুটি। একবার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা করিয়ে আসছো না কেন? মানুষের হৃদয়ে নিঃসন্দেহে কোনো সমস্যা রয়েছে; এতে নতুন “যন্ত্রাংশ” সংযুক্ত করা দরকার—তোমাদের কী মনে হয়? তা কি করবে?

ঈশ্বর বলেন, “আমি তাদের কুৎসিত মুখাবয়ব ও অদ্ভুত অবস্থার দিকে চেয়ে দেখি, এবং আরেকবার আমি মানুষকে ত্যাগ করে প্রস্থান করি। এমৎ পরিস্থিতিতে, মানুষ বোধক্ষমতা বিবর্জিতই রয়ে যায়, এবং যাকিছু থেকে তাদের আমি বঞ্চিত রেখেছিলাম পুনরায় সেগুলি গ্রহণ করে আমার প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় থাকে।” এই “নতুন প্রযুক্তিগত যুগে” ঈশ্বর এখনো কেন গরুর গাড়ির উল্লেখ করছেন? এমন কেন? কারণ কি এ-ই যে ঈশ্বর অবিরাম খুঁত ধরতে পছন্দ করেন? তাঁর যোগ্যতর কিছু করার নেই বলেই কি তিনি সময় অতিবাহিত করছেন? ঈশ্বর কি মানুষের মতোই উদরপূর্তি করে খাদ্য ভক্ষণের পর আলস্যে কালক্ষেপ করছেন? এই বাক্যগুলি বারংবার পুনরাবৃত্ত করার কি কোনো উপযোগিতা রয়েছে? আমি মতামত প্রকাশ করেছি যে মানুষ নরাধম, কর্ণাকর্ষণ না করলে কোনোকিছুই তাদের বোধগম্য হয় না। আজ যদি তাদের উদ্দেশ্যে বাক্যপ্রয়োগ করা হয়, তাহলে আগামীকাল তারা অবিলম্বে তা বিস্মৃত হবে—মনে হয় বুঝি তারা স্মৃতিভ্রংশতায় ভুগছে। সেকারণেই, ঘটনাটি এমন নয় যে কিছু বাক্য উচ্চারিত হয়নি, বরং সত্যটি হল, মানুষ সেই বাক্য অনুসারে আচরণ করেনি। কোনোকিছু যদি এক কি দুইবার মাত্র উক্ত হয়, তাহলে মানুষ অনবহিতই রয়ে যায়—বাক্যটি অবশ্যই তিনবার পুনরাবৃত্ত হতে হবে, এটিই ন্যূনতম সংখ্যা। এমনকি এমন কিছু “বয়স্ক মানুষ” রয়েছে যাদের তা দশ থেকে কুড়িবার অবধিও বলতেই হবে। এইভাবে, মানুষ পরিবর্তিত হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করতে, একই বাক্য বারংবার বিভিন্ন উপায়ে উক্ত হয়। তোমরা কি প্রকৃতই এইভাবে কর্মসাধন করেছো? মানুষের উপর তর্জন-গর্জনের মাধ্যমে আমি কর্তৃত্ব জাহির করতে চাই না, কিন্তু তারা সকলেই ঈশ্বরের সাথে মস্করা করছে; তারা সকলেই আরো বেশি পরিমাণে সম্পূরক পুষ্টিউপাদান গ্রহণ করতে জানে, কিন্তু ঈশ্বরের কারণে উদ্বিগ্ন বোধ করে না—এ-ই কি ঈশ্বর-সেবা? এই-ই কি ঈশ্বর-প্রেম? এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই যে সারাটা দিন তারা কোনোকিছুর তোয়াক্কা না করে, অলস ও নিষ্ক্রিয়ভাবে অতিবাহিত করে। কিন্তু তারপরেও, কিছু মানুষ তখনো সন্তুষ্ট নয়, উপরন্তু তাদের নিজ-নিজ দুঃখ সৃজন করে। হয়তো আমি কিছুটা রূঢ় হয়ে পড়ছি, কিন্তু একেই বলা হয় নিজের বিষয়ে অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠা! ঈশ্বর কি তোমায় বিষাদগ্রস্ত করে তোলেন? এ কি নিজের উপর যন্ত্রণা বয়ে আনার এক দৃষ্টান্ত নয়? ঈশ্বরের কোনো অনুগ্রহই কি তোমার আনন্দের উৎস হওয়ার যোগ্য নয়? প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত, ঈশ্বরের অভিপ্রায়ের বিষয়ে তুমি মনোযোগী ছিলে না, এবং তুমি নেতিবাচক, রুগ্ন, ও মর্মপীড়িত ছিলে—এমন কেন? তোমায় দেহসর্বস্বভাবে জীবনধারণ করানোই কি ঈশ্বরের ইচ্ছা? ঈশ্বরের ইচ্ছার বিষয়ে তুমি অবিদিত, নিজ অন্তরে তুমি অস্বচ্ছন্দ, তুমি অসন্তোষ প্রকাশ করো ও অনুযোগ করো, আর সারাটা দিন উদাসীন হয়ে অতিবাহিত করো, এবং তোমার দেহ ব্যথা ও যন্ত্রণা ভোগ করে—এ-ই কি তোমার প্রাপ্য! তুমি জিজ্ঞাসা করো যে অন্যেরা শাস্তির মাঝেও ঈশ্বরের বন্দনা করার মাধ্যমে শাস্তি থেকে নিষ্ক্রান্ত হয়, তা দ্বারা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে না—অথচ তুমি এতে পতিত হয়েছো এবং তা থেকে নিষ্কৃতি পেতে সক্ষম হচ্ছো না। এই ডং কুনরুই-সুলভ “আত্মোৎসর্গের মানসিকতা”-র সমকক্ষ হয়ে উঠতে বহু বছর লেগে যায়। বাক্যাবলী ও মতবাদসমূহের বিষয়ে ধর্মোপদেশ দেওয়ার সময় তুমি লজ্জিত বোধ করো না? তুমি কি নিজেকে জানো? তুমি কি আত্মচিন্তাকে দূরে সরিয়ে রেখেছো? তুমি কি প্রকৃতই ঈশ্বরকে ভালোবাসো? তুমি কি তোমার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও অদৃষ্টকে দূরে সরিয়ে রেখেছো? এতে বিস্ময়ের কিছু নেই যে ঈশ্বর বলেন, মানুষই বিস্ময়কর ও দুর্জ্ঞেয়। কে ভেবেছিল যে মানুষের মধ্যে এত “মহামূল্য রত্নরাজি” এখনো খননের মাধ্যমে নিষ্কাশন করতে বাকি রয়ে গিয়েছে? আজ, এর দর্শনটুকুই “যেকারো চক্ষু উন্মিলিত করার” পক্ষে যথেষ্ট—মানুষ এতোই “চমকপ্রদ”! মনে হয় আমি বুঝি গণনায় অক্ষম এক শিশু। এমনকি আজও আমি ধারণা করে উঠতে পারিনি, কতজন মানুষ ঈশ্বরকে যথার্থই ভালোবাসে। সংখ্যাটি কখনো আমি স্মরণই করতে পারি না—সেহেতু, আমার “অনানুগত্য”-এর কারণে, যখন ঈশ্বরের সম্মুখে হিসাব দাখিলের সময় আসে, তখন সর্বদাই আমি হয়ে পড়ি রিক্তহস্ত, নিজ ইচ্ছানুসারে কার্যসম্পাদনে অক্ষম, সততই আমি ঈশ্বরের নিকট ঋণগ্রস্ত রয়ে যাই। ফলস্বরূপ, হিসাব দাখিলকালে, সর্বদাই আমি ঈশ্বরের দ্বারা “তিরস্কৃত” হই। মানুষ এত নিষ্ঠুর কেন আমি জানিনা, এই কারণেই সবসময়ই তারা আমায় কষ্টভোগ করায়। মানুষ অট্টহাস্যে পঞ্জর বিদীর্ণ করার এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে, যথার্থ অর্থেই তারা আমার সুহৃদ নয়। সমস্যায় পড়লে তারা আমায় কোনো সহায়তা প্রদান তো করেই না, বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমায় নিয়ে রঙ্গতামাসা করে—প্রকৃতই তারা বিবেকবর্জিত!

পূর্ববর্তী: অধ্যায় ৩৯

পরবর্তী: অধ্যায় ৪১

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।

সেটিংস

  • লেখা
  • থিমগুলি

ঘন রং

থিমগুলি

ফন্টগুলি

ফন্ট সাইজ

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

পৃষ্ঠার প্রস্থ

বিষয়বস্তু

অনুসন্ধান করুন

  • এই লেখাটি অনুসন্ধান করুন
  • এই বইটি অনুসন্ধান করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন