অধ্যায় ৪৭

মানুষের জীবনকে পরিণত করে তোলার উদ্দেশ্যে, এবং যাতে মানুষ ও আমি এক অভিন্ন উচ্চাকাঙ্ক্ষার অংশীদার হয়ে ফলাফল অর্জন করতে পারি সেই উদ্দেশ্যে, মানুষকে আমি সবসময় কিছু ছাড় দিয়েছি, আমার বাক্য থেকে তাদের পুষ্টি ও পরিপোষণ লাভ করার এবং আমার সকল প্রাচুর্য গ্রহণ করার অনুমতি দিয়েছি। কখনো আমি এমন কিছু করি নি যাতে মানুষ অপ্রতিভ হয়, কিন্তু তবু মানুষ কখনো আমার অনুভূতির বিষয়ে বিবেচনাশীল হয় না। এর কারণ হল মানুষ হৃদয়হীন এবং আমি ব্যতীত অন্য সকলকিছুকেই সে “ঘৃণা” করে। তাদের অক্ষমতার কারণে, তাদের প্রতি আমি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল; মানুষের পিছনে আমি তাই কিছুটা বেশি প্রচেষ্টা প্রয়োগ করি, যাতে এই জগতে তাদের সময়কালে তারা প্রাণভরে পৃথিবীর সকল প্রাচুর্য উপভোগ করতে পারে। মানুষের প্রতি আমি অন্যায্য আচরণ করি না, বহু বছর ধরে তাদের আমাকে অনুসরণ করার কথা বিবেচনা করে, তাদের প্রতি আমার হৃদয় কোমল হয়েছে। এই মানবদের উপর আমার কার্য সম্পন্ন করা যেন আমি সহ্য করতে পারি না। তাই, এই অস্থিসার মানুষগুলি, আমাকে যারা নিজেদের সমান ভালোবাসে, তাদেরকে দেখে আমার অন্তরে সর্বদা এক ব্যাখ্যাতীত ব্যথার অনুভূতি হয়। কিন্তু সেই কারণে কে-ই বা রীতিপ্রথা কে ভঙ্গ করতে পারে? সেই কারণে কে-ই বা নিজেকে বিঘ্নিত করবে? তা সত্ত্বেও, আমি আমার সকল বদান্যতা মানবজাতির উপর অর্পণ করেছি যাতে তারা তা পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করতে পারে, এবং এই বিষয়ে মানুষের প্রতি আমি মন্দ আচরণ করি নি। এই কারণেই মানুষ এখনো আমার সহমর্মী ও কল্যাণময় রূপ দর্শন করে। সতত আমি ধৈর্যশীল ছিলাম, এবং সর্বদা আমি অপেক্ষারত আছি। যথেষ্ট পরিমাণে উপভোগ করার পর মানুষ যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ে, সেই সময় আমি তাদের অনুরোধ “পূরণ” করতে শুরু করবো এবং সকল মানুষকে তাদের অন্তঃসারহীন জীবন থেকে নিষ্কৃতিলাভের অনুমোদন দেবো, এবং আর কখনো মানবজাতিকে কোনোভাবে মোকাবিলা করবো না। পৃথিবীর বুকে, মানুষকে গ্রাস করার জন্য আমি সমুদ্রের জলকে ব্যবহার করেছি, দুর্ভিক্ষের সাহায্যে তাদের নিয়ন্ত্রণ করেছি, পতঙ্গঘটিত উপদ্রবের মাধ্যমে তাদের ভীতিপ্রদর্শন করেছি, এবং তাদের “সিঞ্চিত” করার জন্য প্রবল বর্ষণের প্রয়োগ ঘটিয়েছি, তবু কখনো তারা জীবনের রিক্ততাকে অনুভব করেনি। এমনকি এখনও, মানুষ পৃথিবীর বুকে জীবনধারণের তাৎপর্য উপলব্ধি করে না। এমন কি হতে পারে যে, আমার বিদ্যমানতায় জীবনযাপনই মানবজীবনের নিগূঢ়তম তাৎপর্য? আমার অভ্যন্তরে স্থিতিলাভের মাধ্যমে কি কেউ বিপর্যয়ের আশঙ্কাকে এড়াতে পারে? পৃথিবীর বুকে কতগুলি রক্তমাংসের শরীর আত্ম-উপভোগের স্বাধীনতা-সম্বলিত অবস্থায় জীবনযাপন করেছে? রক্তমাংসের দেহে জীবনধারণের শূন্যতা থেকে কে নিষ্কৃতি পেয়েছে? তবু কে-ই বা তা স্বীকার করতে পারে? আমি মনুষ্যজাতিকে সৃষ্টি করার পর থেকে, কোনো মানুষই পৃথিবীর বুকে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যমণ্ডিত এক জীবন যাপন করতে সক্ষম হয়নি, এবং সেহেতু, মানুষ সর্বদা সম্পূর্ণ তাৎপর্যহীন এক জীবন আলস্যে অতিবাহিত করেছে। কিন্তু কেউই এধরনের দুঃখজনক পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে ইচ্ছুক নয়, এবং কেউই এই শূন্যগর্ভ ও ক্লান্তিকর জীবনকে পরিহার করতে ইচ্ছুক নয়। মনুষ্যজাতির অভিজ্ঞতায়, রক্তমাংসের দেহধারীদের মধ্যে কেউ-ই মানবজগতের রীতিপ্রথা এড়িয়ে যেতে পারেনি, যদিও আমাকে উপভোগ করার সুবিধা তারা গ্রহণ করে। পরিবর্তে, সবসময় তারা কেবল নিশ্চেষ্ট থেকে যা ঘটবার তা ঘটতে দিয়েছে এবং নিজেদের প্রতারণা করে গিয়েছে।

একদিন আমি যখন মনুষ্যজাতির অস্তিত্বের সম্পূর্ণ পরিসমাপ্তি টানবো, সেদিন পার্থিব “নিপীড়ন” সহ্য করার মতো একজনও পৃথিবীর বুকে অবশিষ্ট থাকবে না; একমাত্র তখনই এটা বলা সম্ভব হবে যে আমার মহান কার্য সম্পূর্ণভাবে নিষ্পন্ন হয়েছে। অন্তিম সময়ে আমার অবতাররূপ ধারণপূর্বক যে কার্য আমি সম্পন্ন করতে চাই, তা হল রক্তমাংসের দেহে জীবনধারণের অন্তঃসারশূন্যতা মানুষকে উপলব্ধি করানো, এবং এই উপলক্ষ্যকে ব্যবহার করে দৈহিক ইচ্ছাকে নির্বাপিত করবো। তার পর থেকে, পৃথিবীর আর কোনো মানুষের অস্তিত্ব থাকবে না, পৃথিবীর রিক্ততার বিষয়ে আর কেউ কোনোদিন কান্নাকাটি করবে না, কেউ কোনোদিন আর লৌকিক দেহের অসুবিধা নিয়ে কথা বলবে না, কেউ কখনোই আর অভিযোগ করবে না যে আমি ন্যায়বিচারহীন, এবং সকল মানুষ ও বস্তুসমূহ বিশ্রামে প্রবেশ করবে। তারপর, মানুষ সদাসর্বদা আর শশব্যস্ত হয়ে ছুটে বেড়াবে না, এবং তারা আর পৃথিবীর ইতি-উতি খুঁজেও বেড়াবে না, কারণ নিজেদের জন্য তারা তখন এক যথোপযুক্ত গন্তব্যের হদিশ পেয়ে যাবে। তখন আমি মানুষের কাছ থেকে আর কিছুই চাইবো না, এবং তাদের সঙ্গে আমার আর কোনো বিতণ্ডা থাকবে না; আমাদের মধ্যে আর কোনো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে না। আমি পৃথিবীর বুকে বিরাজ করি এবং মানুষ পৃথিবীর বুকে বাস করে; আমি তাদের সঙ্গেই জীবনযাপন ও বসবাস করি। আমার উপস্থিতির আনন্দ তারা সবাই অনুভব করে, আর তাই অকারণে তাদের ত্যাগ করে আমায় চলে যেতে দিতে তারা অনিচ্ছুক, পরিবর্তে, তারা শুধু চায় যে আমি আরো কিছুকাল থাকি। ন্যূনতম সাহায্যটুকুও না করে কীভাবে আমি পৃথিবীর এই বিষন্ন রিক্ততার সাক্ষী থাকতে পারি? আমি পৃথিবীর কেউ নই; অনেক ধৈর্যসহকারে নিজেকে আমি আজ অবধি এখানে থেকে যেতে বাধ্য করেছি। মানুষের অশেষ সানুনয় মিনতির কারণে না হলে অনেক আগেই আমি চলে যেতাম। অধুনা মানুষ নিজেদের পরিচর্যা করতে পারে, এবং আমার সহায়তার প্রয়োজন নেই তাদের, কারণ তারা পরিণত হয়েছে এবং আমার আর তাদেরকে খাইয়ে দেওয়ার দরকার নেই। সেই কারণেই, মানুষের সাথে আমি একটা “বিজয় উদযাপন” অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চাই, যার পরে আমি তাদের কাছ থেকে বিদায়গ্রহণ করবো, যাতে তারা অনবহিত না থাকে। নিশ্চিতভাবেই, খারাপ সম্পর্কের মধ্যে বিদায় নেওয়াটা শ্রেয় কাজ হবে না, কারণ আমাদের মধ্যে কোনো তিক্ততা নেই। তাই, আমাদের মধ্যে মৈত্রী চিরস্থায়ী হবে। আমি আশা করি যে, আমরা পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর, মানুষ আমার “উত্তরাধিকার” বহন করে যেতে সক্ষম হবে, এবং আমার জীবৎকালে যে শিক্ষা আমি দিয়েছি তা ভুলে যাবে না। আমি আশা করি যে, আমার দুর্নাম ঘটে এমন কিছু তারা করবে না, এবং আমার বাক্যের প্রতি তারা মনোযোগী থাকবে। আমার আশা, আমি বিদায় নেওয়ার পর সকল আমার সন্তুষ্টিবিধানের উদ্দেশ্যে মানুষেরা তাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করতে পারবে; আমার আশা, তারা আমার বাক্যকে তাদের জীবনের এক ভিত্তি হিসাবে ব্যবহার করবে, এবং তারা আমার আশা পূরণ করতে ব্যর্থ হবে না, কারণ আমার অন্তর সততই মানুষের বিষয়ে চিন্তান্বিত ছিল, আমি সর্বদা তাদের সাথে সম্পর্কিত ছিলাম। মানুষ ও আমি একদা মিলিত হয়েছিলাম, এবং পৃথিবীর বুকে আমার স্বর্গের অনুরূপ একই আশীর্বাদ উপভোগ করেছিলাম। মানুষের সঙ্গে আমি একত্রে জীবনযাপন করেছিলাম এবং তাদের সাথে বসবাস করেছিলাম; মানুষ সবসময়ই আমায় ভালোবেসেছে, এবং আমিও নিরন্তর তাদের ভালোবেসেছি। আমাদের পরস্পরের প্রতি এক আসক্তি রয়েছে। মানুষের সাথে একত্রে অতিবাহিত সময়টুকুর দিকে পিছন ফিরে দেখে, আমার মনে পড়ছে যে আমাদের দিনগুলি হাসি ও আনন্দে পূর্ণ ছিল, এবং কলহও ছিল। তবু, এর ভিত্তিতেই আমাদের মধ্যে ভালোবাসা গড়ে উঠেছিল, এবং আমাদের পরস্পরের মধ্যে আদান-প্রদান কখনো ছিন্ন হয়নি। আমাদের এই বহু বছরের যোগাযোগে, মনুষ্যজাতি আমার উপর এক গভীর ছাপ রেখে গেছে, এবং আমিও মানুষকে উপভোগ করার জন্য অনেককিছু দিয়েছি, যে কারণে নিয়ত তারা আমার প্রতি দ্বিগুণ কৃতজ্ঞতা বোধ করেছে। এখন, আমাদের জমায়েত আর কখনো আগের মতো হবে না; আমাদের বিচ্ছেদের এই মুহূর্ত থেকে কে পালাতে পারে? আমার প্রতি মানুষের এক গভীর মমত্ববোধ আছে, এবং তাদের প্রতি আমার রয়েছে অশেষ ভালোবাসা—কিন্তু সে বিষয়ে কী-ই বা করা যেতে পারে? কিন্তু স্বর্গস্থ পিতার শর্তকে লঙ্ঘন করার স্পর্ধা কে করবে? আমি আমার বাসস্থানে প্রত্যাবর্তন করবো, যেখানে আমি আমার কার্যের আরেকটি অংশ সম্পূর্ণ করবো। সম্ভবত আমাদের পুনরায় মিলিত হওয়ার সুযোগ আসবে। আমার আশা, মানুষ অত্যন্ত বেশি দুঃখিত বোধ করবে না, এবং পৃথিবীর বুকে তারা আমায় সন্তুষ্ট করবে; স্বর্গে আমার আত্মা প্রায়শই তাদের উপর অনুগ্রহ বর্ষণ করবে।

সৃষ্টিলগ্নে, আমি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলাম যে, অন্তিম সময়ে আমি একদল মানুষ তৈরি করবো যারা আমার সঙ্গে সমভাব হবে। আমি পূর্বেই জানিয়েছিলাম যে অন্তিম সময়ে মর্ত্যলোকে এক দৃষ্টান্ত স্থাপনের পর আমি আমার আলয়ে ফিরে আসবো। সমগ্র মানবজাতি যখন আমায় সন্তুষ্ট করবে, তাদের কাছে আমার যা চাহিদা তখন তারা তা অর্জন করে ফেলবে, এবং আমি তাদের আর কিছু করতে বলবো না। পরিবর্তে, মানুষ ও আমি পরস্পরের সঙ্গে বিগত দিনগুলিকে নিয়ে গল্প বিনিময় করবো, এবং তারপর আমরা সাহচর্য ত্যাগ করবো। এই কার্য আমি আরম্ভ করেছি, এবং মানুষকে আমি সুযোগ দিয়েছি যাতে মনস্তাত্বিকভাবে তারা নিজেদের প্রস্তুত করতে ও আমার অভিপ্রায় উপলব্ধি করতে পারে, পাছে তারা ভুল বুঝে আমায় নিষ্ঠুর ও হৃদয়হীন ভেবে না বসে, যা আমার অভিপ্রেত নয়। মানুষ কি আমায় ভালোবাসে অথচ আমাকে এক উপযুক্ত বিশ্রামস্থল প্রদান করতে অস্বীকার করে? আমার হয়ে স্বর্গস্থ পিতার কাছে সনির্বন্ধ মিনতি করতে কি তারা অনিচ্ছুক? মানুষ কি আমার সঙ্গে সহানুভূতির অশ্রু বর্ষণ করেনি? তারা কি আমাদের মধ্যে—পিতা ও পুত্রের মধ্যে—এক আগাম পুনর্মিলন অর্জনে সহায়তা করেনি? তাহলে এখন তারা অনিচ্ছুক কেন? ধরাতলে আমার সেবাব্রত নিষ্পন্ন হয়েছে, এবং মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরেও তাদের সহযোগিতা করে যাবো; এ কি সুখবর নয়? আমার কার্য যাতে আরো সন্তোষজনক ফল অর্জন করতে পারে, এবং যাতে তা পারস্পরিক হিতকর হয়, তাই আমাদের বিচ্ছিন্ন হতে হবেই, যদিও তা বেদনাদায়ক। আমাদের অশ্রু নীরবেই ঝরে যাক; মানুষকে আমি আর ভর্ৎসনা করবো না। অতীতে, মানুষকে আমি অনেক কথা বলেছি, এইসব কথা সরাসরি তাদের হৃদয়কে বিদ্ধ করেছে, যার ফলে তারা দুঃখ পেয়ে চোখের জল ফেলেছে। তার জন্য, আমি এতদ্দ্বারা মানুষের কাছে ক্ষমা চাইছি, এবং তাদের মার্জনা প্রার্থনা করছি। আমি অনুরোধ করছি তারা যেন আমায় ঘৃণা না করে, কারণ এই সবকিছুই তাদের নিজেদের মঙ্গলের জন্যই। তাই, আমি আশা করি যে মানুষ আমার অন্তরকে উপলব্ধি করবে। বিগত সময়ে আমাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল, কিন্তু পিছন ফিরে দেখলে মনে হয়, আমরা উভয়েই উপকৃত হয়েছিলাম। আমাদের বিসম্বাদের কারণে, ঈশ্বর ও মানুষ এক সৌহার্দ্যের সেতু নির্মাণ করেছে। তা কি আমাদের সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টারই ফলশ্রুতি নয়? আমাদের সকলের তা উপভোগ করা উচিত। মানুষকে আমি আমার পূর্বতন “প্রমাদ” মার্জনা করতে অনুরোধ জানাই। তাদের অধর্মও আমি বিস্মৃত হবো। ভবিষ্যতে যত দিন প্রতিদানে তারা আমায় ভালোবাসা দিতে পারবে, ততদিন তা আমার স্বর্গস্থ আত্মাকে তৃপ্তি দেবে। এই ব্যাপারে মানুষের সংকল্প কী আমি জানি না—আমার অন্তিম অনুরোধ মতো মানুষ আমায় সন্তুষ্ট করতে ইচ্ছুক কিনা। মানুষের কাছে আমি আর কিছু চাইছি না, শুধু তারা আমাকে ভালোবাসুক, এটুকুই চাই। এই-ই যথেষ্ট। তা কি অর্জনীয়? আমাদের মধ্যে অপ্রীতিকর যাকিছু ঘটেছিল তা অতীতেই পরিত্যক্ত হোক; আমাদের মধ্যে সতত ভালোবাসা বিরাজ করুক। মানুষকে আমি এত বেশি ভালোবাসা দিয়েছি, এবং আমায় ভালোবাসার জন্য তারা এত বিপুল মূল্য পরিশোধ করেছে, তাই, আমি আশা পোষণ করি যে, আমাদের মধ্যে এই অবিমিশ্র ও বিশুদ্ধ ভালোবাসাকে মানুষ মূল্যবান জ্ঞান করবে, যাতে আমাদের প্রেম সমগ্র মানবজগত জুড়ে প্রসারিত হয়, এবং পরবর্তী প্রজন্মগুলিতে চিরকাল ব্যাপী সঞ্চারিত হয়। আবার যখন আমরা মিলিত হবো, তখনো আমরা যেন ভালোবাসার দ্বারা সংযুক্ত থাকি, যাতে আমাদের ভালোবাসা অনাদি কাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে এবং সকল মানুষের দ্বারা বন্দিত ও প্রচারিত হয়। এ-ই আমায় পরিতৃপ্ত করবে, এবং মানুষকে আমি আমার স্মিতহাস্যময় মুখশ্রী প্রদর্শন করবো। আমি আশা রাখি যে মানুষ আমার এই সনির্বন্ধ অনুরোধ স্মরণে রাখবে।

জুন ১, ১৯৯২

পূর্ববর্তী: অধ্যায় ৪৬

পরবর্তী: অধ্যায় ১

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।

সেটিংস

  • লেখা
  • থিমগুলি

ঘন রং

থিমগুলি

ফন্টগুলি

ফন্ট সাইজ

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

পৃষ্ঠার প্রস্থ

বিষয়বস্তু

অনুসন্ধান করুন

  • এই লেখাটি অনুসন্ধান করুন
  • এই বইটি অনুসন্ধান করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন