কাজ এবং প্রবেশ (১)

ঈশ্বর বিশ্বাসের সঠিক পথে পদার্পণের সূচনা থেকেই, এমন অনেক বিষয় রয়েছে, যেগুলো সম্পর্কে মানুষের ধারণা এখনও অস্পষ্ট রয়ে গেছে। ঈশ্বরের কাজ এবং সেই কাজের কতটুকু তাদের করা উচিত, সেই বিষয়ে তারা এখনও সম্পূর্ণ বিভ্রান্ত। এক দিক থেকে এর কারণ হল তাদের অভিজ্ঞতার মধ্যে থাকা বিচ্যুতি এবং তাদের গ্রহণ করার ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা; অন্য দিক থেকে এর কারণ হল, ঈশ্বরের কাজ এখনও মানুষকে এই পর্যায়ে উপনীত করেনি। তাই অধিকাংশ আধ্যাত্মিক বিষয়ে সকলেই অস্পষ্ট। কীসে তোমাদের প্রবেশ করা উচিত, তোমরা যে শুধু সেই বিষয়েই অস্পষ্ট তা নয়, ঈশ্বরের কাজের বিষয়ে তোমরা আরো বেশি অজ্ঞ। এটা তোমাদের মধ্যে থাকা নিছক অসম্পূর্ণতার থেকে আরো বড় বিষয়: এটা ধর্মীয় জগতে যারা রয়েছে তাদের সকলের মধ্যে থাকা একটা বড় ত্রুটি। মানুষ কেন ঈশ্বরকে জানে না, এটার চাবিকাঠি এর মধ্যেই নিহিত রয়েছে, আর তাই যারা তাঁর অনুসন্ধান করে তাদের সকলের জন্যই এটা একটা সাধারণ ত্রুটি। কোনো একজন মানুষও ঈশ্বরকে কখনো জানতে পারে নি, অথবা কখনো তাঁর প্রকৃত মুখাবয়ব প্রত্যক্ষ করে নি। এই কারণেই ঈশ্বরের কাজ পর্বতকে সরানো বা সমুদ্র নিষ্কাসনের মতোই কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। বহু মানুষ ঈশ্বরের কাজের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছে; তাঁর কাজ করার জন্য বহু লোককে বহিষ্কার করা হয়েছে; তাঁর কাজের স্বার্থে অনেককেই যন্ত্রণা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে; ঈশ্বরের প্রতি ভালবাসায় যাদের নয়ন অশ্রুসিক্ত এমন অনেককেই অন্যায়ভাবে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে; অনেকেই নিষ্ঠুর এবং অমানবিক নিপীড়নের শিকার হয়েছে…। এই বিয়োগান্তক ঘটনাগুলো যে ঘটেছে—তা সবই কি ঈশ্বর সম্পর্কে মানুষের জ্ঞানের অভাবের কারণে নয়? যে ঈশ্বরকে জানে না, সে তাঁর সম্মুখে কোন মুখে এসে দাঁড়াতে পারে? যে ঈশ্বরে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও তাঁকে নির্যাতন করে, সে কোন মুখে তাঁর সম্মুখে আসতে পারে? এগুলো শুধুমাত্র ধর্মীয় জগতের লোকেদের অপ্রতুলতা নয়, বরং এগুলো তোমাদের এবং তাদের উভয়ের মধ্যের সাধারণ বিষয়। মানুষ ঈশ্বরকে না জেনেই তাঁকে বিশ্বাস করে; শুধুমাত্র এই কারণেই তারা নিজেদের অন্তরে ঈশ্বরকে সম্মান করে না, অন্তর থেকে তাঁকে ভয় পায় না। এমনকি অনেকেই আছে, যারা প্রকাশ্যে এবং নির্লজ্জভাবে, এই স্রোতের মধ্যে তাদের নিজেদের কল্পনাপ্রসূত কাজ করে, এবং নিজস্ব চাহিদা ও অপরিমিত আকাঙ্ক্ষা অনুসারে ঈশ্বরের অর্পিত কাজ চালিয়ে যায়। অনেকেই বর্বরোচিত আচরণ করে, ঈশ্বরকে সম্মান করার পরিবর্তে নিজেদের ইচ্ছা অনুসরণ করে। এই উদাহরণগুলো কি মানুষের অন্তরের স্বার্থপরতারই নিখুঁত প্রকাশ নয়? এই উদাহরণগুলো কি মানুষের মধ্যে প্রতারণার অত্যধিক উপাদানকেই প্রকাশিত করে না? মানুষ অবশ্যই চূড়ান্ত বুদ্ধিমান হতে পারে, কিন্তু তাদের প্রতিভা ঈশ্বরের কাজের স্থান কীভাবে অধিকার করতে পারে? মানুষ অবশ্যই ঈশ্বরের অর্পিত দায়িত্বের যত্ন নিতে পারে, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত স্বার্থপর আচরণ করতে পারে না। মানুষের কাজ কি সত্যিই ঈশ্বরের মতো? কেউ কি শতভাগ নিশ্চিত হতে পারে? ঈশ্বরের সাক্ষ্য দেওয়া, তাঁর মহিমার উত্তরাধিকারী হতে পারা—ঈশ্বর নিছক ব্যতিক্রম করছেন এবং মানুষকে উন্নীত করছেন; মানুষ কীভাবে এর যোগ্য হতে পারে? ঈশ্বরের কাজ শুধু সবেমাত্র শুরু হয়েছে, এবং তাঁর বাক্যও সবেমাত্র কথিত হতে শুরু করেছে। এই সময়ে মানুষ নিজেদের সম্পর্কে ভালো বোধ করে, কিন্তু এটা কি শুধুই নিজের জন্য অপমান ডেকে আনা নয়? তাদের উপলব্ধি ভীষণই কম। এমনকি সবচেয়ে প্রতিভাধর তাত্ত্বিক, সবচেয়ে সুবক্তাও ঈশ্বরের সমস্ত প্রাচুর্য বর্ণনা করতে পারে না, তাহলে তোমরা আর কতটুকু করতে পারো? তোমাদের নিজেদের মূল্য স্বর্গের চেয়েও বড় করে নির্ধারণ করা উচিত নয়, বরং যে যুক্তিবোধসম্পন্ন লোকেরা ঈশ্বরকে ভালোবাসতে চায়, তোমাদের উচিত তাদের যে কারোর থেকে নিজেদের নিচু মনে করা। এটাই সেই পথ যার মাধ্যমে তোমাদের প্রবেশ করতে হবে: নিজেকে অন্য সকলের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে নিচু হিসাবে দেখতে হবে। নিজেকে এত সুউচ্চ ভাবো কেন? নিজের সম্পর্কে এত উচ্চ ধারণা পোষণ করো কেন? জীবনের দীর্ঘ যাত্রায়, তোমরা কেবল প্রাথমিক কয়েকটা পদক্ষেপই গ্রহণ করেছ। তোমরা কেবল ঈশ্বরের বাহুটুকুই প্রত্যক্ষ করেছ, সম্পূর্ণ ঈশ্বরকে নয়। তোমাদের উচিত ঈশ্বরের কাজ আরো প্রত্যক্ষ করা, কীসে প্রবেশ করা উচিত তা আরো বেশি করে আবিষ্কার করা, কারণ তোমাদের যেটুকু পরিবর্তন হয়েছে তা খুবই সামান্য।

ঈশ্বর মানুষকে নিখুঁত করেন এবং তার স্বভাবের রূপান্তর ঘটান, যেহেতু মানুষের মধ্যে এত রকমের ঘাটতি রয়েছে, তাঁর নির্ধারিত মানের থেকে তারা এত নিচে, যে ঈশ্বরের কাজ কখনোই শেষ হয় না। তাই এটা বলা যেতে পারে যে, ঈশ্বরের দৃষ্টিতে, তোমরা চিরকাল নবজাতক শিশুর মতোই থেকে যাবে, তাঁকে সন্তুষ্ট করার মতো খুব স্বল্প উপাদানই তোমাদের রয়েছে, কারণ তোমরা ঈশ্বরের হাতে অবস্থিত এক সৃষ্ট জীব ছাড়া আর কিছুই নও। কেউ যদি আত্মতুষ্টিতে ভোগে, তাহলে তারা কি ঈশ্বরের ঘৃণার পাত্র হবে না? এ কথা বলা, যে তোমরা আজ ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করতে সক্ষম, তা শুধু তোমাদের দেহরূপী শরীরের সীমিত দৃষ্টিকোণ থেকে বলা; তোমাদের ঈশ্বরের সাথে সত্যিই তুলনা করা হলে, এই ক্ষেত্রে তোমরা সর্বদা পরাজিতই রয়ে যেতে। মানুষের দৈহিক সত্তা কখনো একবারের জন্যেও জয়ের স্বাদ পায় নি। শুধুমাত্র মানুষের উপর পবিত্র আত্মার কাজের মাধ্যমেই মানুষের পক্ষে শুভ ও ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য অর্জন করা সম্ভব। প্রকৃতপক্ষে, ঈশ্বরের সৃষ্ট অগণিত জিনিসের মধ্যে, মানুষই হীনতম। যদিও মানুষ সমস্ত সৃষ্ট বস্তুর সেরা, কিন্তু সেই সমস্তকিছুর মধ্যে মানুষই একমাত্র যে শয়তানের কৌশলের লক্ষ্যবস্তু, একমাত্র মানুষই সীমাহীন উপায়ে তার দুর্নীতির শিকার হয়। নিজের ওপর কখনোই মানুষের সার্বভৌমত্ব ছিল না। অধিকাংশ মানুষই শয়তানের অপবিত্র স্থানে বাস করে আর তার উপহাসের যন্ত্রণা ভোগ করে; শয়তান তাদের অর্ধমৃত হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকারে উত্যক্ত করতে থাকে, যাতে মানব জগতের প্রতিটা উত্থানপতন, প্রতিটা কষ্ট তারা সহ্য করে। তাদের সাথে খেলে নেওয়ার পর, শয়তান তাদের নিয়তির সমাপ্তি টেনে দেয়। এবং সেজন্যই মানুষ সমস্ত জীবন বিভ্রান্তির মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত করে, তাদের জন্য ঈশ্বরের প্রস্তুত করা ভালো জিনিসগুলো একবারও কখনো তারা উপভোগ করে না, পরিবর্তে শয়তানের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং জীর্ণ অবস্থা প্রাপ্ত হয়। আজ তারা এতই দুর্বল ও অবসন্ন হয়ে পড়েছে যে ঈশ্বরের কাজ লক্ষ্য করার কোনো প্রবণতাই তাদের মধ্যে নেই। ঈশ্বরের কাজ লক্ষ্য করার কোনো প্রবণতা মানুষের মধ্যে না থাকলে তাদের অভিজ্ঞতা চিরতরে খণ্ডিত ও অসম্পূর্ণই থেকে যাবে, এবং তাদের প্রবেশ চিরকালের জন্য এক শূন্য স্থানই হবে। ঈশ্বরের পৃথিবীতে আগমনের পরের কয়েক হাজার বছরে, উচ্চ আদর্শ সম্পন্ন যে কোনো সংখ্যক মানুষকে ঈশ্বর যে কোনো সংখ্যক বছর ধরে তাঁর কাজে ব্যবহার করেছেন; কিন্তু যে কতিপয় লোক তাঁর কাজ সম্পর্কে অবগত, তাদের সংখ্যা প্রায় অস্তিত্বহীন। এই কারণে, অগণিত মানুষ ঈশ্বরের কাজ নির্বাহ করার সময়েই তাঁকে প্রতিরোধ করার ভূমিকাও পালন করে, কারণ, ঈশ্বরের কাজ করার পরিবর্তে, তারা প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বর প্রদত্ত অবস্থানে থেকে মানুষের কাজ করে। এটাকে কি কাজ বলা যায়? তারা কীভাবে প্রবেশ করতে পারে? মানবজাতি ঈশ্বরের অনুগ্রহকে গ্রহণ করে সেটাকে কবরস্থ করে দিয়েছে। এই কারণে, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে যারা তাঁর কাজ করে তারা সামান্যই প্রবেশ করতে পেরেছে। তারা ঈশ্বরের কাজ জানার সম্পর্কে কোনো কথাই বলে না, কারণ ঈশ্বরের প্রজ্ঞা সম্পর্কে তাদের জ্ঞান খুবই কম। বলা যেতে পারে যে, ঈশ্বরের সেবা করার মতো অনেকে থাকলেও, তিনি কত উন্নীত তা প্রত্যক্ষ করতে তারা ব্যর্থ হয়েছে, এবং এই কারণে তারা সকলেই নিজেদের ঈশ্বর হিসাবে স্থাপন করেছে, যাতে অন্যেরা তাদের উপাসনা করে।

ঈশ্বর অনেক বছর ধরে সৃষ্টির মধ্যেই প্রচ্ছন্ন ছিলেন; কুয়াশার পর্দার আড়াল থেকে তিনি বহু বসন্ত ও শরৎ পর্যবেক্ষণ করেছেন; তিনি তৃতীয় স্বর্গ থেকে বহু দিন বহু রাত ধরে নিচের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন; বহু মাস ও বছর ধরে তিনি মানুষের মাঝে পথ চলেছেন। তিনি সকল মানুষের ঊর্ধ্বে আসন গ্রহণ করেছেন, বহু শীতল শীত শান্তভাবে অপেক্ষা করছেন। একবারও তিনি নিজেকে প্রকাশ্যে কাউকে দেখাননি, একটা শব্দও করেননি, এবং তিনি কোনো চিহ্ন না রেখেই প্রস্থান করেন আবার ঠিক একইভাবে নীরবে ফিরে আসেন। কে তাঁর আসল চেহারা জানতে পারে? তিনি কখনও মানুষের সাথে কথা বলেননি, একবারও কখনো মানুষের সামনে অবতীর্ণ হননি। ঈশ্বরের অর্পিত কাজ নির্বাহ করা মানুষের পক্ষে কতটা সহজ? এ বিষয়ে তাদের উপলব্ধি খুবই কম যে সমস্ত কিছুর মধ্যে তাঁকে জানাই সবচেয়ে কঠিন কাজ। বর্তমানে ঈশ্বর মানুষের সাথে কথা বলেছেন, কিন্তু মানুষ কখনোই তাঁকে জানতে পারেনি, কারণ জীবনে মানুষের প্রবেশের মাত্রা খুবই সীমিত ও অগভীর। তাঁর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, মানুষ ঈশ্বরের সম্মুখে আসার পক্ষে সম্পূর্ণ অযোগ্য। ঈশ্বরের বিষয়ে তাদের বোধগম্যতা খুবই সামান্য, এবং তাঁর থেকে তারা বহুদূরে বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। তাছাড়াও, যে হৃদয় দিয়ে তারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করে, তা খুবই জটিল, এবং হৃদয়ের অন্তঃস্থলে তারা একেবারেই ঈশ্বরের প্রতিমূর্তি ধারণ করে না। ফলস্বরূপ, ঈশ্বরের কষ্টসাধ্য প্রচেষ্টা, ও তাঁর কাজ, বালিতে প্রোথিত সোনার টুকরোর মতোই রয়ে যায়, আলোর এতটুকু দীপ্তিও বিচ্ছুরণ করতে পারে না। ঈশ্বরের কাছে এই সমস্ত মানুষের ক্ষমতা, উদ্দেশ্য এবং দৃষ্টিভঙ্গি চরমতম ঘৃণ্য। তাদের গ্রহণ করার ক্ষমতা দুর্বল, অনুভূতির বোধের মাত্রা অসংবেদনশীল, তারা হীন এবং অধঃপতিত, অত্যধিক দাস-মনোবৃত্তির, দুর্বল এবং ইচ্ছাশক্তিহীন, তাদের গবাদি পশু এবং ঘোড়ার মতোই চালনা করা উচিত। আত্মায় প্রবেশ বা ঈশ্বরের কাজে প্রবেশের ক্ষেত্রে, তারা সামান্যতমও মনোযোগ দেয় না, তাদের মধ্যে সত্যের জন্য কষ্ট ভোগ করার এক বিন্দু সংকল্পও নেই। এই ধরনের মানুষদের ঈশ্বরের দ্বারা সম্পূর্ণ হয়ে ওঠা সহজ হবে না। সুতরাং এই দৃষ্টিকোণ থেকেই তোমাদের প্রবেশ স্থির করা গুরুত্বপূর্ণ—যে তোমাদের কাজ এবং প্রবেশের মাধ্যমেই তোমরা ঈশ্বরের কাজ জানার সূচনা করবে।

পূর্ববর্তী: যারা ঈশ্বরকে জানে না তারা সকলেই ঈশ্বরবিরোধী

পরবর্তী: কাজ এবং প্রবেশ (২)

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

সম্পর্কিত তথ্য

পরিশিষ্ট ২ ঈশ্বর সমগ্র মানবজাতির ভাগ্য নির্ধারক

মানব প্রজাতির সদস্য এবং ধর্মপ্রাণ খ্রীষ্টান হিসাবে আমাদের সকলের দায়িত্ব এবং কর্তব্য হলো নিজেদের দেহ ও মনকে ঈশ্বরের অর্পিত দায়িত্বে নিযুক্ত...

শুধুমাত্র অন্তিম সময়ের খ্রীষ্ট মানুষকে অনন্ত জীবনের পথ দেখাতে পারেন

জীবনের গতিপথ কারও নিয়ন্ত্রণে থাকে না, বা এটি সহজে অর্জন করতে পারার মতো বিষয়ও নয়। কারণ জীবন কেবল ঈশ্বর প্রদত্ত, অর্থাৎ, শুধুমাত্র ঈশ্বর...

সেটিংস

  • লেখা
  • থিমগুলি

ঘন রং

থিমগুলি

ফন্টগুলি

ফন্ট সাইজ

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

পৃষ্ঠার প্রস্থ

বিষয়বস্তু

অনুসন্ধান করুন

  • এই লেখাটি অনুসন্ধান করুন
  • এই বইটি অনুসন্ধান করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন