অধ্যায় ৪৫

তুমি প্রকাশ্যে তোমার ভ্রাতা ও ভগিনীদের বিচার করো যেন এটা কিছুই নয়। তুমি সত্যিই মন্দ থেকে ভালোকে আলাদা করে জানো না; তুমি লজ্জা কাকে বলে জানো না! এই আচরণ কি সাঙ্ঘাতিক রকমের দুঃসাহসী ও স্বৈরাচারী নয়? তোমাদের মধ্যে প্রত্যেকে দ্বিধাগ্রস্ত ও বিষাদগ্রস্ত; তুমি প্রচুর ভার বহন করো এবং তোমার মনে আমার জন্য কোনো স্থান নেই। অন্ধ মনুষ্যগণ! তোমার নিষ্ঠুরতা এমন এক চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে—কবে এর সমাপ্তি ঘটবে?

আমার হৃদয় থেকে তোমাদের সঙ্গে বারবার কথা কথা বলি এবং আমার যা কিছু আছে তার সবটুকুই তোমাদের প্রদান করি, কিন্তু তোমরা এত কৃপণ এবং লেশমাত্র মনুষ্যত্ব নেই তোমাদের মধ্যে; এর মর্মোদ্ধার সত্যিই কঠিন। নিজেদের পূর্বধারণা কেন আঁকড়ে থাকো? কেন তোমার মনে আমাকে একটু স্থান নিতে দাও না? আমি কী করে তোমাদের ক্ষতি করতে পারি? তোমরা এইরূপ আচরণ চালিয়ে যেতে পারো না—আমার দিবস এখন থেকে সত্যিই আর বেশি দূরে নেই। অসতর্ক হয়ে কথা বোলো না, বেপরোয়া আচরণ কোরো না বা লড়াই এবং সমস্যা সৃষ্টি কোরো না; এমনটা তোমাদের জীবনে কী মঙ্গল বয়ে আনবে? আমি সত্যনিষ্ঠার সঙ্গে বলছি যে যখন আমার সময় আসবে তখন যদি এমনকি একজন ব্যক্তিও উদ্ধার নাপায়, আমি তখনও আমার পরিকল্পনা অনুসারে বিষয়গুলি পরিচালনা করব। তোমাদের জানা উচিত যে আমিই সর্বশক্তিমান ঈশ্বর! কোনো বস্তু, কোনো ব্যক্তি, বা কোনো বিষয়ই আমার অগ্রগতির পথে বাধাসৃষ্টির সাহস করে না। তোমাদের ছাড়া আমার ইচ্ছা সাধনের অন্য কোনো পথ নেই এমন ভাবা তোমাদের উচিত নয়। আমি তোমাকে এটা বলতে পারি যে, এইরূপ নেতিবাচকভাবে যদি তুমি নিজের জীবন পরিচালনা করো, তাহলে তুমি শুধু নিজের জীবনকেই নষ্ট করবে; তাতে আমার কিছুই এসে-যাবে না।

পবিত্র আত্মার কর্ম একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে এবং সাক্ষ্য একটি শিখরে পৌঁছেছে। এ হল এক সরল সত্য। ত্বরা করো, নিজেদের ঝাপসা চোখ খোলো; তোমাদের উপর আমার শ্রমসাধ্য প্রয়াসকে বৃথা যেতে দিয়ো না, এবং নিজেদের আর প্রশ্রয় দিয়ো না। তোমরা আমার সম্মুখে ভালো কাজ করে সুখী হও, কিন্তু আমি যখন উপস্থিত থাকি না, তখন কি তোমাদের কাজকর্ম ও আমার সামনে তুলে ধরা যাবে যাতে আমি তা দেখতে পারি? তোমরা ভালো ও মন্দের তফাত জানো না! তোমরা আমার কথা শোনো না, তোমরা আমার সামনে এক কাজ করো, আর আমার পেছনে আরেক কাজ করো। তোমরা এখনও উপলব্ধি করোনি যে আমি সেই ঈশ্বর যিনি মানুষের হৃদয়ের অন্তঃস্থলে দৃষ্টিপাত করেন। তোমরা চূড়ান্ত রকমের অজ্ঞ!

পরবর্তীকালে, সামনের পথে তোমাদের একেবারেই কৃত্রিমতা সৃষ্টি করা বা ছলনা ও কুটিলতার মধ্যে নিজেদের জড়িত করবে না, অন্যথায় পরিণতি হবে অকল্পনীয়! তোমরা সকলে এখনও উপলব্ধি করো না ছলনা ও কুটিলতা কী! যে কাজকর্ম ও আচরণ তোমরা আমাকে দেখাতে পারো না, যা তোমরা প্রকাশ্যে আনতে পারো না, সেগুলিই ছলনা ও কুটিলতা। এবার তোমাদের এটা উপলব্ধি করা উচিত! ভবিষ্যতে যদি ছলনা ও কুটিলতার মধ্যে লিপ্ত হও তাহলে না বোঝার ভান কোরো না—যদি তা করো, তাহলে তোমরা জেনেশুনে ভুল করছ, এবং তোমরা দ্বিগুণ দোষী। এর একমাত্র পরিণাম হিসাবে তোমরা আগুনে দগ্ধ হয়ে, বা এমনকি তার চেয়েও মারাত্মক ভাবে, নিজেদের ধ্বংস করবে। তোমাদের উপলব্ধি করতেই হবে! আজ তোমরা যার সম্মুখীন হয়েছে তা হল ভালোবাসার শোধন; এটা অবশ্যই নির্দয় বিচার নয়। তোমরা যদি তা দেখতে না পাও তাহলে তোমাদের অবস্থা খুবই দুঃখজনক, এবং তোমরা একেবারেই সমস্ত আশার ঊর্ধ্বে। তোমরা যদি ভালোবাসার শোধন গ্রহণে ইচ্ছুক না হও তাহলে তোমাদের উপর কেবল নির্দয় বিচারই নেমে আসবে। সেটা যখন হবে, তখন যেন অভিযোগ কোরো না যে আমি তোমাদের বলিনি। আমি নিজের দায়িত্ব পালনে পিছপা হই নি, বরং তোমরাই আমার বাক্যগুলি শোনোনি এবং আমার বাক্যগুলি পালন করোনি। আমি তোমাদের এখন এটা বলছি, পরে যাতে মানুষ আমাকে দোষারোপ না করে।

পূর্ববর্তী: অধ্যায় ৪৪

পরবর্তী: অধ্যায় ৪৬

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

সম্পর্কিত তথ্য

প্রার্থনার অনুশীলন বিষয়ে

তোমরা তোমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রার্থনার উপর জোর দাও না। মানুষ প্রার্থনার বিষয়টিকে অবহেলা করে। প্রার্থনা সাধারণত করা হয়ে থাকে দায়সারাভাবে...

রাজ্যের যুগই হল বাক্যের যুগ

রাজ্যের যুগে, যে পদ্ধতিতে তিনি কাজ করেন তা পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে, এবং সমগ্র যুগের কাজ সম্পাদন করার জন্য, ঈশ্বর নতুন যুগের সূচনা করতে বাক্যের...

সেটিংস

  • লেখা
  • থিমগুলি

ঘন রং

থিমগুলি

ফন্টগুলি

ফন্ট সাইজ

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

পৃষ্ঠার প্রস্থ

বিষয়বস্তু

অনুসন্ধান করুন

  • এই লেখাটি অনুসন্ধান করুন
  • এই বইটি অনুসন্ধান করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন