অধ্যায় ১৪১৯৯২

যুগযুগান্ত ধরে আজ অবধি, কোনো মানুষ রাজ্যে প্রবেশ করেনি, আর তাই কেউই রাজ্যের যুগের অনুগ্রহ উপভোগ করেনি, বা রাজ্যের রাজাকে দেখেও নি। আমার আত্মার প্রদীপ্তির নীচে অনেক মানুষ রাজ্যের সৌন্দর্যের বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে তা সত্য, কিন্তু তারা শুধু এর বাহ্যিক রূপকে জানে, অন্তর্নিহিত তাৎপর্য জানে না। আজ, রাজ্য যখন পৃথিবীর বুকে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করছে, এর দ্বারা সঠিক কী সম্পন্ন করা হবে, বা রাজ্যের যুগ চলাকালীন মানুষকে পরিশেষে কোন জগতে নিয়ে যাওয়া হবে, অধিকাংশ মানুষ এখনও তা জানে না। আমার আশঙ্কা, এ বিষয়ে প্রত্যেকেই এক বিভ্রান্তিময় অবস্থায় রয়েছে। রাজ্যের সম্পূর্ণ বাস্তবায়নের দিনটি এখনো পুরোপুরি আসেনি বলে সকল মানুষ হতবুদ্ধি, এবং বিষয়টিকে পরিষ্কারভাবে অনুধাবন করতে অসমর্থ। রাজ্যের যুগের সাথে সাথে দেবত্বে আমার কার্য আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়, এবং রাজ্যের যুগের আনুষ্ঠানিক সূত্রপাতের সাথে সাথে আমার স্বভাব মনুষ্যলোকের কাছে আনুক্রমিকভাবে স্ব-প্রকাশিত হতে আরম্ভ করছে। অতএব, ঠিক এই মুহূর্তেই, পবিত্র তূর্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিনাদিত হতে শুরু করে, সকলের কাছে উদ্ঘোষিত হতে আরম্ভ করে। আনুষ্ঠানিকভাবে আমি যখন আমার ক্ষমতা গ্রহণ করবো এবং রাজ্যের নৃপতি হয়ে শাসন করবো, আমার সকল লোকজনকে ধীরে ধীরে আমি সম্পূর্ণ করে তুলবো। যখন পৃথিবীর সকল রাষ্ট্র বিপর্যস্ত হয়ে যাবে, ঠিক তখনই আমার রাজ্য প্রতিষ্ঠিত ও রূপায়িত হবে, এবং তখনই আমি রূপান্তরিত হবো ও সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সম্মুখীন হতে ঘুরে দাঁড়াবো। সেই সময়, সকল মানুষ আমার মহিমান্বিত মুখমণ্ডল প্রত্যক্ষ করবে, এবং আমার প্রকৃত মুখভাব চাক্ষুষ করবে। বিশ্ব সৃজনের পর থেকেই, শয়তান কর্তৃক মানুষের বিকৃতি থেকে শুরু করে তাদের আজকের অনাচারের এই ব্যাপ্তি পর্যন্ত, তাদের ভ্রষ্ট আচরণের কারণেই, তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে, আমি ক্রমাগত আরো বেশি প্রচ্ছন্ন ও উত্তরোত্তর আরো বেশি দুর্জ্ঞেয় হয়ে ঊঠেছি। মানুষ কখনো আমার প্রকৃত মুখাবয়ব প্রত্যক্ষ করেনি, এবং কখনো আমার সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করেনি। কেবল জনশ্রুতি ও কিংবদন্তির মধ্যেই মানুষের কল্পনায় একটা “আমি” রয়ে গেছে। সেই কারণেই আমি মানুষের মননে উপস্থিত এই “আমি”-র সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য মানুষের কল্পনার সাথে—অর্থাৎ, মানুষের পূর্ব ধারণার সাথে—সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে উঠি, যাতে এতো বছর ধরে যে “আমি”-কে তারা মনে পোষণ করে এসেছে, তার গতিক আমি বদলে দিতে পারি। আমার কার্যের এই হল নীতি। একজন মানুষও তা সম্যকরূপে জানতে সক্ষম হয়নি। যদিও মানুষ আমার সম্মুখে সাষ্টাঙ্গে প্রণত হয়েছে, এবং আমার আরাধনা করতে সামনে এসেছে, কিন্তু আমি এহেন মানবীয় আচরণ উপভোগ করি না, কারণ মানুষ তাদের অন্তরে আমার নয়, আমি ভিন্ন অন্য কারো প্রতিমূর্তি ধারণ করে। তাই, আমার স্বভাবের বিষয়ে তাদের উপলব্ধিতে খামতি আছে বলে, মানুষ আমার প্রকৃত মুখচ্ছবি আদৌ শনাক্ত করে না। ফলস্বরূপ, তাদের যখন মনে হয় যে তারা আমায় প্রতিরোধ করেছে বা আমার প্রশাসনিক ফরমানসমূহ লঙ্ঘন করেছে, তখনো আমি না দেখার ভান করি—আর সেই কারণেই, তাদের স্মৃতিতে, হয় আমি এমন এক ঈশ্বর যিনি শাস্তি প্রদান করার পরিবর্তে মানুষের প্রতি করুণা প্রদর্শন করেন, নয়তো আমি স্বয়ং ঈশ্বর যাঁর নিজের বাক্যের প্রতিই কোনো দায়বদ্ধতা নেই। এসবই মানুষের চিন্তা সঞ্জাত কল্পনা, এবং বাস্তবের সাথে তা সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

দিনের পর দিন আমি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে পর্যবেক্ষণ করি, এবং বিনীতভাবে নিজেকে আমার বাসস্থানে প্রচ্ছন্ন রেখে মানবজীবনের অভিজ্ঞতা অর্জন করি ও মানুষের প্রতিটি ক্রিয়াকলাপ নিবিড়ভাবে লক্ষ্য করি। কেউ কখনো যথার্থই নিজেকে আমার কাছে নিবেদন করেনি; কেউ কখনো সত্যের অন্বেষণ করেনি। কর্তব্যবোধ থেকে কেউ কখনো আমার প্রতি চালিত হয়নি, বা আমার কাছে সঙ্কল্প করে তার কর্তব্যে অবিচল থাকেনি। কেউ কখনো আমায় তার মধ্যে বসবাস করতে দেয়নি, বা আমাকে মানুষের নিজের জীবনের সমান মূল্যবান জ্ঞানও করেনি। ব্যবহারিক বাস্তবতার মধ্যে কেউ কখনো আমার সম্পূর্ণ দেবত্বকে প্রত্যক্ষ করেনি; স্বয়ং বাস্তববাদী ঈশ্বরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে কেউ কখনো আগ্রহী ছিল না। জলরাশি যখন সমস্ত মানুষকে আগাগোড়া গ্রাস করে নেয়, সেই আবদ্ধ জল থেকে আমি তাদের উদ্ধার করে নতুন করে বাঁচার সুযোগ দিই। মানুষ যখন তাদের বেঁচে থাকার আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে, মৃত্যুর কিনারা থেকে আমি তাদের টেনে তুলি, তাদের এগিয়ে চলার সাহস দিই যাতে আমাকে তারা তাদের অস্তিত্বের ভিত্তিভূমি হিসাবে ব্যবহার করতে পারে। মানুষ যখন আমায় অমান্য করে, তখন আমি সেই অবাধ্যতার ভিতর থেকেই তাদেরকে আমায় জানতে দিই। মানুষের পুরাতন প্রকৃতি ও আমার করুণার কথা বিবেচনা করে, মানুষকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরিবর্তে আমি তাদের অনুশোচনা করার ও নতুন করে শুরু করার সুযোগ দিই। যখন তারা দুর্ভিক্ষের শিকার হয়, তাদের শরীরে কেবল শেষ শ্বাসবায়ুটুকু অবশিষ্ট থাকলেও আমি তাদের মৃত্যুর মুখ থেকে ছিনিয়ে আনি, তাদের শয়তানের চালাকির শিকার হতে দিই না। কতবার মানুষ আমার হস্ত প্রত্যক্ষ করেছে, কতবার তারা আমার দয়ার্দ্র মুখভঙ্গিমা ও সহাস্য মুখমণ্ডল চাক্ষুষ করেছে, এবং কতবার তারা আমার মহিমা ও ক্রোধ দর্শন করেছে। যদিও মানুষ আমায় কখনো জানেনি, তবু তাদের দুর্বলতাকে আমি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ক্রোধান্বিত হওয়ার সুযোগ হিসাবে গ্রহণ করি না। মানুষের দুঃখকষ্ট অনুভব করেছি বলে মানুষের দুর্বলতার প্রতি আমি সহমর্মিতা বোধ করতে পারি। কেবলমাত্র মানুষের আনুগত্যহীনতা ও কৃতঘ্নতার দরুনই আমি তাদের বিভিন্ন মাত্রায় শাস্তিবিধান করি।

মানুষ যখন ব্যস্ত আমি তখন নিজেকে প্রচ্ছন্ন রাখি, এবং তাদের অবসর সময়ে নিজেকে প্রকাশ করি। মানুষ কল্পনা করে যে আমি সর্বজ্ঞ; মানুষ মনে করে আমি সেই স্বয়ং ঈশ্বর যিনি সকল যাচ্ঞা পূরণ করেন। তাই, অধিকাংশ মানুষ কেবল ঈশ্বরের সহায়তার খোঁজে আমার সম্মুখে আসে, আমাকে জানার কোনো আকাঙ্ক্ষা থেকে আসে না। তীব্র রোগযন্ত্রণায় কাতর হয়ে মানুষ জরুরি ভিত্তিতে আমার সাহায্যের ভিক্ষা চায়। দুর্ভোগের সময় তাদের যন্ত্রণার কথা সর্বশক্তি প্রয়োগ করে তারা আমায় ভরসা করে জানায়, ভাবে বুঝি যত তেমন করবে, তত তাদের দুঃখমোচন ঘটবে। কিন্তু, স্বস্তিপূর্ণ অবস্থাতেও আমায় ভালোবাসতে সক্ষম এমন একজন মানুষও আমি দেখিনি; সুখ ও শান্তির সময় একজন মানুষও আমায় তাদের আনন্দের ভাগীদার করে নিতে হাত বাড়িয়ে দেয়নি। যখন তাদের ছোট্ট পরিবার সুস্থ ও সুখী, তখন মানুষ অনেক আগেই আমায় একপাশে নিক্ষেপ করেছে, বা আমার মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিয়েছে, ঘরে ঢুকতে বারণ করেছে যাতে তারা তাদের পরিবারের আশীর্বাদধন্য আনন্দ উপভোগ করতে পারে। মানুষের মন অত্যন্ত সংকীর্ণ; এত সংকীর্ণ যে এমনকি আমার মতো প্রেমময়, করুণাঘন, এবং অভিগম্য এক ঈশ্বরকে স্বীকার করতেও তা অক্ষম। তাদের আনন্দমুখর হাস্যকলরবের সময় বহুবার আমি মানুষের দ্বারা পরিত্যক্ত হয়েছি; মানুষ যখন হোঁচট খেয়েছে তখন কতবার তারা খঞ্জের যষ্টির মতো আমার উপর হেলান দিয়ে দাঁড়িয়েছে; রোগভোগী মানুষেরা কতবার আমাকে ডাক্তারের ভূমিকা নিতে বাধ্য করেছে। মানুষ কত নিষ্ঠুর! তারা নিতান্তই যুক্তিবোধহীন ও নৈতিকতাশূন্য। এমনকি মানুষকে যে অনুভূতিগুলির অধিকারী বলে মনে করা হয়, সেগুলি-ও তাদের মধ্যে পরিলক্ষিত হয় না; প্রায় আদ্যন্তই তাদের মধ্যে মানবিকতার লেশমাত্র নেই। অতীতের কথা চিন্তা করে দেখো, এবং বর্তমানের সাথে তা তুলনা করো: তোমাদের মধ্যে কি কোনো পরিবর্তন ঘটছে? তোমাদের অতীতের কিছু বিষয়কে তোমরা পরিহার করেছো কি? নাকি অতীতকে প্রতিস্থাপিত করতে এখনো বিলম্ব আছে?

আমি পর্বতশ্রেণী ও নদী উপত্যকা অতিক্রম করে গিয়েছি, মানবজগতের উত্থান-পতনের অভিজ্ঞতা লাভ করেছি। মানুষের মাঝে আমি ভ্রাম্যমাণ থেকেছি, এবং বহু বছর আমি মানুষের মাঝে বসবাস করেছি, তবু মনে হয়, মানুষের স্বভাবের তেমন কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। বরং মানুষের সাবেক প্রকৃতি যেন তাদের মধ্যে মূলবদ্ধ তথা পল্লবিত হয়ে উঠেছে। আর কোনোদিন তারা সেই পুরাতন প্রকৃতি বদলাতে পারবে না; এর আদি বুনিয়াদের উপর তারা কেবল কিছুটা শ্রীবৃদ্ধি করে। প্রবচনে যেমন বলে, উপাদানে কোনো বদল হয়নি, কিন্তু আকার আমূল বদলে গেছে। মনে হয় সকল মানুষ যেন আমায় বোকা বানানোর আর আমার চোখে ধন্দ লাগানোর চেষ্টা করছে, যাতে প্রতারণাপূর্বক তারা আমার স্বীকৃতি আদায় করে নিতে পারে। মানুষের চালাকির আমি তারিফ করি না, বা তার প্রতি ভ্রূক্ষেপমাত্র করি না। ক্রোধে ফেটে পড়ার পরিবর্তে বরং আমি দেখেও না-দেখার মনোভাব অবলম্বন করি। আমার পরিকল্পনা হল মানুষকে একটা নির্দিষ্ট মাত্রা অবধি স্বাধীনতা দেওয়া, এবং, তারপর, সকল মানুষের একত্রে মোকাবিলা করা। সকল মানুষই যখন অপদার্থ দুরাত্মা, যারা নিজেদের ভালোবাসে না এবং নিজেদের আদৌ লালন করে না, তাহলে কেনই বা পুনরায় করুণা ও ভালোবাসা প্রদর্শনের জন্য আমায় তাদের প্রয়োজন হবে? ব্যত্যয়হীনভাবে মানুষ নিজেদেরকে জানে না, এবং, নিজেদের মূল্য ঠিক কতটুকু, তা-ও তাদের জানা নেই। তাদের উচিত ওজন নেওয়ার জন্য নিজেদের দাঁড়িপাল্লায় চড়ানো। মানুষ আমার প্রতি কোনো কর্ণপাত করে না, তাই আমিও তাদের গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করি না। আমার প্রতি তারা কোনো মনোযোগ দেয় না, তাই আমারও তাদের নিমিত্ত এত বেশি পরিশ্রম করার কোনো প্রয়োজন নেই। এই ব্যবস্থা কি উভয়ের পক্ষেই সর্বাপেক্ষা শ্রেয় নয়? আমার লোকসকল, এইগুলি কি তোমাদেরই চিত্রিত করে না? তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে আমার সম্মুখে সংকল্প গ্রহণ করে পরবর্তীকালে তা বর্জন করেনি? দণ্ডে দণ্ডে বিভিন্ন বিষয়ে মনোনিবেশ করার পরিবর্তে, কে-ই বা আমার সম্মুখে দীর্ঘমেয়াদী সংকল্প গ্রহণ করে? মানুষ সর্বদা তাদের স্বস্তির সময় আমার সম্মুখে এসে সংকল্প গ্রহণ করে, আর দুর্ভোগের সময় সেই সকলকিছুকে খারিজ করে দেয়; তারপর, পরবর্তীকালে, তারা নিজেদের মানসিক দৃঢ়তা পুনরুদ্ধার করে তা আমার সম্মুখে পুমঃস্থাপিত করে। আমি কি এতোই অশ্রদ্ধাভাজন যে আবর্জনার স্তূপ থেকে মানুষের কুড়িয়ে আনা এই বাতিল জিনিসপত্র স্বচ্ছন্দে গ্রহণ করবো? কম মানুষই তাদের সংকল্পে অবিচল থাকে, শুদ্ধাত্মা মানুষ কমই রয়েছে, এবং মুষ্টিমেয় মানুষই তাদের মহার্ঘতম বস্তুটি উৎসর্গ হিসাবে আমায় নিবেদন করে। তোমরা সকলেই কি একই প্রকারের নও? রাজ্যে আমার লোকজনের অন্যতম সদস্য হিসাবে তোমরা যদি তোমাদের কর্তব্যে অচঞ্চল থাকতে অসমর্থ হও, তাহলে তোমরা আমার দ্বারা ঘৃণিত ও পরিত্যক্ত হবে!

মার্চ ১২, ১৯৯২

পূর্ববর্তী: অধ্যায় ১২

পরবর্তী: অধ্যায় ১৮

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

সম্পর্কিত তথ্য

ঈশ্বর হলেন মানুষের জীবনের উৎস

ক্রন্দনরত অবস্থায় এই জগতে ভূমিষ্ঠ হবার সময় থেকেই তুমি তোমার কর্তব্য পালন করা শুরু করো। ঈশ্বরের পরিকল্পনা ও তাঁর নির্ধারিত নিয়তি অনুসারে...

একটি সাধারণ আধ্যাত্মিক জীবন মানুষকে সঠিক পথে নিয়ে যায়

তোমরা ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাসের পথে খুব সামান্য অংশই হেঁটেছো, এবং তোমরা এখনও সঠিক পথে প্রবেশ করতে পারোনি, তাই তোমরা এখনও ঈশ্বরের নির্ধারিত...

তুমি কি জানো? ঈশ্বর মানুষের মধ্যে এক মহান কাজ করেছেন

পুরনো যুগ অতিক্রান্ত এবং নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর ঈশ্বর প্রভূত কাজ করেছেন। তিনি জগতে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং তারপর...

পরিশিষ্ট ২ ঈশ্বর সমগ্র মানবজাতির ভাগ্য নির্ধারক

মানব প্রজাতির সদস্য এবং ধর্মপ্রাণ খ্রীষ্টান হিসাবে আমাদের সকলের দায়িত্ব এবং কর্তব্য হলো নিজেদের দেহ ও মনকে ঈশ্বরের অর্পিত দায়িত্বে নিযুক্ত...

সেটিংস

  • লেখা
  • থিমগুলি

ঘন রং

থিমগুলি

ফন্টগুলি

ফন্ট সাইজ

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

পৃষ্ঠার প্রস্থ

বিষয়বস্তু

অনুসন্ধান করুন

  • এই লেখাটি অনুসন্ধান করুন
  • এই বইটি অনুসন্ধান করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন