ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: ধর্মীয় ধারণা প্রকাশ করা | উদ্ধৃতি 294

যারা ঈশ্বরের কাজের উদ্দেশ্য বোঝে না তারা প্রত্যেকে ঈশ্বরবিরোধী, আর যে ঈশ্বরের কাজের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছে কিন্তু এখনও তাঁকে সন্তুষ্ট করার অন্বেষণ করে না সে তো আরোই ঈশ্বরবিরোধী হিসাবে গণ্য হয়। অনেকেই আছে যারা মুখ্য গির্জাগুলিতে বাইবেল পড়ে এবং সারাদিন ধরে সেটি আবৃত্তি করে, তবুও তাদের কেউই ঈশ্বরের কাজের উদ্দেশ্য উপলব্ধি করতে পারে না। তাদের মধ্যে কেউই ঈশ্বরকে জানতে সক্ষম নয়, আর তাদের মধ্যে কারোর ঈশ্বরের ইচ্ছার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা তো আরোই কম। তারা সকলে অপদার্থ, জঘন্য মানুষ, প্রত্যেকেই ঈশ্বরকে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য উচ্চে দণ্ডায়মান। তারা ঈশ্বরের ধ্বজা বহন করলেও ইচ্ছাকৃতভাবে ঈশ্বরের বিরোধিতা করে। ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস দাবি করেও তারা মানুষের মাংস ভক্ষণ ও রক্ত পান করে। এই ধরনের মানুষেরা হল মানুষের আত্মা-গ্রাসকারী প্রধান অপদেবতা, সঠিক পথে পা-রাখা মানুষদের ইচ্ছাকৃত ভাবে বাধাদানকারী প্রধান অপদেবতা, এবং তারা হল ঈশ্বর অন্বেষণকারীদের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী বাধাস্বরূপ। তাদের দেখে “ভালো অবস্থার” মনে হতে পারে, কিন্তু তাদের অনুগামীরা কীভাবে জানবে যে তারা মানুষদের ঈশ্বরের বিরুদ্ধাচারী করে তোলা খ্রীষ্টবিরোধী ছাড়া আর কেউ নয়? তাদের অনুগামীরা কীভাবে জানবে যে তারা জীবন্ত শয়তান যারা মানুষের আত্মা গ্রাস করার জন্যই নিবেদিত? নিজেদেরকে ঈশ্বরের সামনে উচ্চ মর্যাদায় রাখা ব্যক্তিরাই মানুষের মধ্যে নিকৃষ্টতম, এবং যারা নিজেদেরকে অকিঞ্চন মনে করে তারাই সর্বাপেক্ষা সম্মানিত। আর যারা মনে করে যে তারা ঈশ্বরের কাজকে জানে, এবং তদুপরি, এমনকি সরাসরি ঈশ্বরের দিকে তাকিয়ে তাঁর কাজকে অন্যদের কাছে প্রচুর সমারোহে বিজ্ঞাপিত করতে পারে—তারাই মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা অজ্ঞ। এই ধরনের লোকেরা ঈশ্বরের সাক্ষ্যবিহীন, উদ্ধত এবং দম্ভে পরিপূর্ণ। যাদের ঈশ্বর সম্পর্কে বাস্তবিক অভিজ্ঞতা এবং ব্যবহারিক জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও বিশ্বাস করে যে ঈশ্বর সম্পর্কে তাদের জ্ঞান খুব কম, তারাই তাঁর কাছে সর্বাপেক্ষা প্রিয়। শুধুমাত্র এই ধরনের মানুষদের প্রকৃত সাক্ষ্য রয়েছে এবং তারাই প্রকৃতভাবে ঈশ্বরের দ্বারা নিখুঁত হয়ে উঠতে সক্ষম। যারা ঈশ্বরের ইচ্ছা উপলব্ধি করে না তারা ঈশ্বরবিরোধী; যারা ঈশ্বরের ইচ্ছা উপলব্ধি করা সত্ত্বেও সত্যের অনুশীলন করে না তারা ঈশ্বরবিরোধী; যারা ঈশ্বরের বাক্য ভোজন ও পান করলেও ঈশ্বরের বাক্যের সারসত্যের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা ঈশ্বরবিরোধী; যারা অবতার ঈশ্বরের বিষয়ে পূর্বধারণার বশবর্তী, এবং বিদ্রোহে লিপ্ত হওয়ার মনোভাব পোষণ করে তারা ঈশ্বরবিরোধী; যারা ঈশ্বরের বিচার করে তারা ঈশ্বরবিরোধী; আর যে ঈশ্বরকে জানতে পারে না বা তাঁর সাক্ষ্য বহনে অক্ষম, সে-ও ঈশ্বরবিরোধী। তাই আমি তোমাদের চালনা করতে চাই এই বলে: তোমাদের যদি সত্যিই বিশ্বাস থাকে যে এই পথে তুমি চলতে পারবে, তাহলে এটাই অনুসরণ করতে থাকো। কিন্তু যদি তোমরা ঈশ্বরের বিরোধিতা করা থেকে বিরত থাকতে অক্ষম হও, তাহলে খুব বেশি দেরি হওয়ার আগেই প্রস্থান করো। নতুবা তোমাদের জন্য বিষয়গুলি খারাপ দিকে মোড় নেওয়ার সম্ভাবনা চূড়ান্ত বেশি, কারণ তোমাদের প্রকৃতি নিতান্তভাবেই অতীব কলুষিত। আনুগত্য বা আজ্ঞাকারিতা অথবা ন্যায়পরায়ণতা এবং সত্যের জন্য তৃষ্ণার্ত হৃদয়, বা ঈশ্বরের জন্য ভালোবাসা—তোমাদের মধ্যে এগুলির কিয়দাংশ বা লেশমাত্রও নেই। বলা যেতে পারে যে ঈশ্বরের সামনে তোমাদের অবস্থা একেবারেই নড়বড়ে। যা মেনে চলা উচিত তা তোমরা মানতে পারো না এবং যা বলা উচিত তা তোমরা বলতে অক্ষম। তোমাদের যা কিছু অনুশীলনীয় তা অনুশীলনে তোমরা ব্যর্থ; এবং করণীয় ক্রিয়াকর্ম পূরণে তোমরা অক্ষম। তোমাদের যে আনুগত্য, বিবেক, আজ্ঞাকারিতা অথবা সংকল্প থাকা উচিত, তা তোমাদের নেই। তোমাদের পক্ষে উপযুক্ত যে যন্ত্রণা সহন করা উচিত ছিল তা তোমরা সহন করো নি, এবং তোমাদের মধ্যে যে বিশ্বাস থাকা উচিত তা নেই। সহজভাবে বললে, তোমরা হলে সম্পূর্ণভাবে সর্বপ্রকার যোগ্যতা বর্জিত। তোমাদের কি বেঁচে থাকতে লজ্জা হয় না? আমি তোমাদের পরামর্শ দিচ্ছি যে তোমাদের অনন্তকালের বিশ্রামে চোখ বোজাই বেশি ভালো হবে, তাহলে ঈশ্বর তোমাদের জন্য দুশ্চিন্তা করা থেকে এবং তোমাদের স্বার্থে কষ্ট পাওয়া থেকে অব্যাহতি পাবেন। তোমরা ঈশ্বরে বিশ্বাস করো কিন্তু তাঁর ইচ্ছা জানো না; তোমরা ঈশ্বরের বাক্য ভোজন ও পান করো তবুও ঈশ্বর মানুষের কাছে যা চান তা পালনে অক্ষম। তুমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করলেও তাঁকে জানো না, এবং প্রচেষ্টা করার মতো কোনো লক্ষ্য ছাড়াই, কোন মূল্যবোধ ছাড়াই, কোন অর্থ ছাড়াই তুমি বেঁচে থাকো। তুমি একজন মানুষ হিসাবে বাস করো এবং তবুও তোমার মধ্যে সামান্যতম বিবেকবোধ, সততা বা বিশ্বাসযোগ্যতা নেই—তোমরা কি এখনও নিজেদেরকে মানুষ বলতে পারো? তুমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করলেও তাঁকে ছলনা করো; উপরন্তু তুমি ঈশ্বরের অর্থ আত্মসাৎ করো এবং তাঁর প্রতি নিবেদিত উৎসর্গ গ্রাস করো। এবং তবুও, শেষাবধি তুমি এখনও ঈশ্বরের অনুভূতির প্রতি সামান্যতম বিবেচনা প্রদর্শনে বা তাঁর প্রতি ক্ষীণতম বিবেক প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়েছ। এমনকি ঈশ্বরের সবচেয়ে তুচ্ছ চাহিদাও তুমি পূরণ করতে পারো না। তোমরা কি এখনও নিজেদেরকে মানুষ বলতে পারো? ঈশ্বর যে খাদ্য প্রদান করেন তা তুমি খাচ্ছ এবং তিনি যে অক্সিজেন দেন তাতে তুমি নিঃশ্বাস নিচ্ছ, তাঁর অনুগ্রহ উপভোগ করছ, তবুও, শেষাবধি, তোমাদের মধ্যে ঈশ্বরের সামান্যতম জ্ঞানও নেই। এর পরিবর্তে, তোমরা ঈশ্বরবিরোধী অকর্মণ্যতে পরিণত হয়েছ। এটা কি তোমাকে কুকুরের চেয়েও ইতর পশু বানিয়ে দেয় না? প্রাণীদের মধ্যে, তোমাদের চেয়ে অধিক বিদ্বেষী আর কেউ আছে কি?

সেইসব যাজক ও প্রবীণ ব্যক্তিরা, যারা উচ্চ মঞ্চে দণ্ডায়মান হয়ে অন্যদের শিক্ষাদান করে, তারা ঈশ্বরের বিরোধী এবং শয়তানের সহযোগী; তোমাদের মধ্যে যারা উচ্চ মঞ্চে দাঁড়িয়ে অন্যদের শিক্ষা দিচ্ছ না, তারা কি ঈশ্বরের আরও বড় বিরোধী নও? তোমরা কি তাদের থেকেও বেশি শয়তানের সাথে মিলিত নও? যারা ঈশ্বরের কাজের উদ্দেশ্য বোঝে না, তারা জানে না কীভাবে ঈশ্বরের ইচ্ছার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হতে হয়। নিশ্চিতভাবেই, এমন হতে পারে না যে ঈশ্বরের কাজের উদ্দেশ্য বুঝতে পারা মানুষেরা তাঁর ইচ্ছার সঙ্গে কীভাবে সঙ্গতিপূর্ণ হতে হয় তা জানে না। ঈশ্বরের কাজে কখনও ত্রুটি হয় না; বরং, মানুষের অন্বেষণই ত্রুটিপূর্ণ। ইচ্ছাকৃতভাবে ঈশ্বরের বিরোধিতাকারী সেইসব অধঃপতিতরা কি সেই যাজক ও প্রবীণদের চেয়েও বেশি অশুভ ও অনিষ্টকারী নয়? অনেকেই ঈশ্বরের বিরোধিতা করে, কিন্তু তাদের ঈশ্বরবিরোধিতা করারও অনেকগুলি উপায় রয়েছে। যেমন সকল প্রকারের বিশ্বাসী রয়েছে, তেমনি ঈশ্বরবিরোধীদেরও প্রকারভেদ রয়েছে, যারা একে অপরের থেকে আলাদা। যারা ঈশ্বরের কাজের উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে চিনতে ব্যর্থ হয় তাদের মধ্যে একজনকেও উদ্ধার করা যাবে না। অতীতে মানুষ যেভাবেই ঈশ্বরের বিরোধিতা করে থাকুক না কেন, মানুষ যখন ঈশ্বরের কাজের উদ্দেশ্য উপলব্ধি করতে পারে এবং ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করার জন্য সচেষ্টভাবে নিবেদিত থাকে, তখন ঈশ্বর তার আগের সমস্ত পাপ মুছে দেবেন। যতক্ষণ মানুষ সত্য অন্বেষণ এবং অনুশীলন করছে, ততক্ষণ সে আগে কি করেছে ঈশ্বর তা মনে রাখেন না। তদুপরি, ঈশ্বর মানুষের সত্যের অনুশীলনের ভিত্তিতে তার বিচার করেন। এই হল ঈশ্বরের ন্যায়পরায়ণতা। ঈশ্বরকে দেখার আগে বা তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা লাভের আগে, মানুষ ঈশ্বরের প্রতি যেমনই আচরণ করে থাকুক না কেন, তিনি তা মনে রাখেন না। তবে, মানুষ একবার ঈশ্বরকে দেখে নিলে এবং তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা লাভ করলে, তার সকল ক্রিয়াকলাপ ঈশ্বরের দ্বারা “ইতিবৃত্তে” প্রবিষ্ট হবে, কারণ মানুষ ঈশ্বরকে প্রত্যক্ষ করেছে এবং তাঁর কাজের মধ্যে জীবনযাপন করেছে।

যখন মানুষেরা প্রকৃতই দেখে ঈশ্বরের যা আছে এবং তিনি যা, যখন সে তাঁর আধিপত্য দেখে নেয়, যখন সে সত্যিই ঈশ্বরের কাজ জানতে পারে, এবং উপরন্তু, যখন মানুষের পুরনো স্বভাব পরিবর্তিত হয়, তখনই মানুষ তার ঈশ্বরবিরোধী বিদ্রোহী স্বভাব সম্পূর্ণ পরিহার করতে পারবে। বলা যেতে পারে যে প্রত্যেকেই কোনো না কোনো সময়ে ঈশ্বরের বিরোধিতা করেছে এবং ঈশ্বরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে। তবুও, যদি তুমি স্বেচ্ছায় অবতাররূপী ঈশ্বরকে মান্য করো, এবং এই মনোভাব থেকে নিজের আনুগত্য দ্বারা ঈশ্বরের হৃদয়কে সন্তুষ্ট করতে পারো, অনুশীলনীয় সত্য অনুশীলন, পালনীয় কর্তব্য পালন এবং পালনীয় বিধান পালন করতে পারো, তাহলে তুমিই হলে সেই ব্যক্তি, যে ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করার জন্য নিজের বিদ্রোহী মনোভাবকে পরিহার করতে ইচ্ছুক, এবং তুমিই হলে সে, যে ঈশ্বরের দ্বারা নিখুঁত হয়ে উঠতে পারবে। তুমি যদি একগুঁয়েভাবে নিজের ত্রুটিগুলি দেখতে অস্বীকার করো এবং অনুতপ্ত হওয়ার অভিপ্রায় না রাখো, যদি ঈশ্বরের সাথে সহযোগিতা করার এবং তাঁকে সন্তুষ্ট করার ন্যূনতম অভিপ্রায় ছাড়াই তুমি বিদ্রোহী আচরণে অবিচল থাকো, তাহলে তোমার মতো একজন একগুঁয়ে এবং অসংশোধনীয় ব্যক্তি অবশ্যই দণ্ড পাবে এবং কোনোভাবেই ঈশ্বরের দ্বারা নিখুঁত হয়ে উঠতে পারবে না। এইভাবে, তুমি আজও ঈশ্বরের শত্রু, এবং আগামীকালও ঈশ্বরের শত্রু থাকবে এবং তার পরেরদিনও তুমি ঈশ্বরের শত্রুই থাকবে; তুমি চিরকাল ঈশ্বরবিরোধী এবং ঈশ্বরের শত্রু রয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে, ঈশ্বর কীভাবে তোমাকে রেহাই দিতে পারেন? ঈশ্বরবিরোধিতা মানুষের প্রকৃতির মধ্যেই রয়েছে, কিন্তু সেই প্রকৃতি পরিবর্তন দুঃসাধ্য বলেই মানুষের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঈশ্বরবিরোধিতার “গুপ্ত” বিষয়ে অনুসন্ধান করা উচিত নয়। যদি তাই হওয়ার থাকে, তাহলে অধিক বিলম্বের পূর্বেই তোমার পক্ষে প্রস্থান করা সমীচীন, অন্যথায় ভবিষ্যতে তোমার শাস্তি কঠিনতর হয়ে পড়বে এবং যতক্ষণ না ঈশ্বর শেষ পর্যন্ত তোমার জৈব দেহের অবসান করেন, ততক্ষণ তোমার বর্বর স্বভাব বিস্ফোরিত হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারাবে। তুমি আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য ঈশ্বরে বিশ্বাস করো; কিন্তু যদি তোমার ওপর শেষ পর্যন্ত শুধুমাত্র দুর্ভাগ্য নেমে আসে, সেটা কি লজ্জাজনক হবে না? আমি তোমাদের জোর দিয়ে বলছি, তোমাদের অন্য পরিকল্পনা করাই ভালো ছিল। তোমরা যা কিছু করতে পারো, তা ঈশ্বর-বিশ্বাসের থেকে বেশি ভালো হবে: এমন তো নয় যে এখানে শুধুমাত্র এই একটি পথই রয়েছে। তুমি যদি সত্যের অন্বেষণ না করো তাহলে কি তুমি টিকে থাকতে পারবে না? কেন তুমি এই ভাবে ঈশ্বরের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়ে থাকবে?

—বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, যারা ঈশ্বরকে জানে না তারা সকলেই ঈশ্বরবিরোধী

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।

সম্পর্কিত তথ্য

ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: অন্তিম সময়ের বিচার | উদ্ধৃতি 79

বিচারের কাজটি ঈশ্বরের নিজস্ব, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটি স্বয়ং ঈশ্বরের দ্বারাই সম্পন্ন হওয়া উচিত; তাঁর পরিবর্তে মানুষ তা করতে পারে না। যেহেতু...

ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: জীবনে প্রবেশ | উদ্ধৃতি 393

সকল মানুষের মাঝে বিদ্যমান সাধারণ সমস্যা হলো যে তারা সত্য উপলব্ধি করতে পারে কিন্তু তা পালনে ব্যর্থ হয়। এর কারণ হল, একদিকে তারা মূল্য দিতে...

ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: মানবজাতির দুর্নীতি উদ্ঘাটিত করা | উদ্ধৃতি 320

যারা অন্যদের প্রতি সন্দেহপ্রবণ নয় আমি তাদের নিয়ে তৃপ্ত হই, এবং যারা সহজে সত্যকে গ্রহণ করতে পারে আমি তাদের পছন্দ করি; এই দুই ধরণের মানুষের...

ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: জীবনে প্রবেশ | উদ্ধৃতি 403

এই বিষয়ে আরও বলতে গেলে, ঈশ্বরের বাক্যের কথাই তোমার কথা বলার নীতি হওয়া উচিত। সাধারণত, যখন তোমরা একত্রিত হও, তখন তোমাদের উচিত ঈশ্বরের বাক্য...

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন