কেবলমাত্র যারা অনুশীলনে লক্ষ্য নিবদ্ধ রাখে, তাদেরই নিখুঁত করা যেতে পারে

অন্তিম সময়ে, ঈশ্বর তাঁর করণীয় কাজ ও বাক্যের সেবাব্রত সম্পাদনের জন্য দেহধারণ করেছিলেন। ঈশ্বর তাঁর ইচ্ছার সাথে সঙ্গত মানুষদের নিখুঁত করার লক্ষ্য নিয়ে মানুষের মাঝে স্বয়ং কাজ করতে এসেছিলেন। সৃষ্টির লগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত, কেবলমাত্র অন্তিম সময়েই তিনি এই ধরনের কার্য সম্পাদন করেছেন। শুধুমাত্র অন্তিম সময়েই ঈশ্বর এমন বৃহৎ মাপের কার্য সম্পাদনের জন্য অবতাররূপ ধারণ করেছেন। যদিও তিনি যা কষ্ট সহ্য করেন তা সাধারণ মানুষের পক্ষে সহ্য করা কঠিন এবং মহান ঈশ্বর হওয়ার পরেও তাঁর মধ্যে সাধারণ মানুষের মতো নম্রতা রয়েছে, তা সত্ত্বেও তাঁর কাজের কোনো বিষয় বিলম্বিত হয় নি, পরিকল্পনার ক্ষুদ্রতম অংশও বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে নি। তিনি তাঁর মূল পরিকল্পনা অনুসারেই তাঁর কাজ করে চলেছেন। তাঁর অবতাররূপ ধারণের একটি উদ্দেশ্য হল মানুষদের জয় করা, অপরটি হল তাঁর প্রিয় মানুষদের নিখুঁত করা। তিনি তাঁর দ্বারা নিখুঁত হওয়া মানুষদের নিজের চোখে দেখার ইচ্ছা পোষণ করেন এবং এই মানুষেরা কীভাবে তাঁর জন্য সাক্ষ্য দেয়, তা স্বয়ং দেখতে চান। শুধু যে একজন বা দুজনকে নিখুঁত করা হয়েছে এমনটা নয়। বরং এটি হল শুধুমাত্র অল্প কয়েকজনকে নিয়ে গঠিত একটি দল। এই দলের মানুষেরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং জাতিসত্তা থেকে এসেছে। এই বহুল পরিমাণ কাজের উদ্দেশ্য হল এই মানবদলকে অর্জন করা, এই মানবদল তাঁর জন্য যে সাক্ষ্য দেয় তা অর্জন করা, এবং তাদের থেকে সম্ভাব্য গৌরব অর্জন করা। তিনি যেমন তাৎপর্যহীন কোনও কাজ করেন না, তেমনই মূল্যহীন কাজও করেন না। এটা বলা যেতে পারে যে এই বহুল কাজের পিছনে ঈশ্বরের উদ্দেশ্য হচ্ছে, তিনি যেসব মানুষদের নিখুঁত করতে চান, তাদের সকলকে নিখুঁত করে তোলা। এই কাজের বাইরে তিনি যে অবকাশ পাবেন, সে সময়ে তিনি মন্দ লোকেদের অপসারণ করবেন। জেনে রেখো, তিনি এই মহান কাজ মন্দ লোকেদের জন্য করেন না; বরং এর বিপরীতে যে অল্পসংখ্যক মানুষ তাঁর দ্বারা নিখুঁত হবে, সেই মানুষদের জন্যই তাঁর সমস্তটা উজাড় করে দেন। তাঁর করা কাজ, কথিত বাক্য, প্রকাশিত রহস্য, এবং বিচার ও শাস্তি – সমস্ত কিছুই এই অল্পসংখ্যক মানুষদের জন্যই। তিনি মন্দ লোকেদের জন্য দেহধারণ করেন নি, এবং এই মন্দ লোকেরা তাঁকে ক্রোধে উত্তেজিত করতে পারে না। যাদের নিখুঁত করা হবে, তাদের জন্যই তিনি সত্যের কথা এবং প্রবেশের কথা বলেন; তাদের জন্যই তিনি দেহধারণ করেন, এবং তাঁর প্রতিশ্রুতি ও আশীর্বাদও তাদের কারণেই বর্ষিত হয়। সত্য, প্রবেশ এবং মানবতার জীবনের কথা – যা তিনি বলেন, সেগুলি মন্দ লোকেদের সুবিধার জন্য করা হয় নি। তিনি মন্দ লোকেদের সাথে কথা বলা এড়িয়ে যেতে চান, বরং যাদের নিখুঁত করা হবে, তাদের ওপরেই সমস্ত সত্য অর্পণ করতে চান। তবুও তাঁর কাজের প্রয়োজনে, এই মুহূর্তে মন্দ লোকেদেরও তাঁর কিছু ঐশ্বর্য উপভোগ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যারা সত্যকে দেয় না, ঈশ্বরকে তুষ্ট করে না, তাঁর কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে – তারা সকলেই মন্দ লোক। তাদের নিখুঁত করা যায় না, আর তারা ঈশ্বরের দ্বারা ঘৃণিত এবং প্রত্যাখ্যাত হয়। এর বিপরীতে, যারা সত্য অনুশীলন করে এবং ঈশ্বরকে তুষ্ট করতে পারে, এবং ঈশ্বরের কাজে নিজেদের সম্পূর্ণ সত্তা ব্যয় করে – তারাই ঈশ্বরের দ্বারা নিখুঁত হতে পারবে। এই ব্যক্তিদেরই ঈশ্বর সম্পূর্ণ করতে চান, এবং তিনি যে কাজ করেন, তা এদের স্বার্থেই। তাঁর কথিত সত্যকে যারা অনুশীলনে রাখতে চায়, তাদের উদ্দেশ্যেই তিনি তা বলে থাকেন। যেসব মানুষ অনুশীলনে সত্যকে স্থান দেয় না, তাদের সাথে তিনি কথা বলেন না। যারা সত্যকে বহন করতে পারে, তাদের উদ্দেশ্যেই তিনি অন্তর্দৃষ্টি এবং বিচক্ষণতা বৃদ্ধি সম্পর্কিত কথা বলেন। তিনি যখন নিখুঁত করতে চাওয়া মানুষদের উল্লেখ করেন, তখন তিনি এই দলের মানুষদের কথাই বলেন। পবিত্র আত্মার কাজ সত্য অনুশীলনে ইচ্ছুক মানুষদের প্রতি নির্দেশিত। প্রজ্ঞা ও মানবতার অধিকারী হওয়ার মতো বিষয়গুলি সত্য অনুশীলনে ইচ্ছুক মানুষদের প্রতিই নির্দেশিত। যারা সত্যকে বহন করে না, তারা হয়ত অনেক সত্য বাক্যই শোনে, কিন্তু তাদের স্বভাব এতই মন্দ, এবং তারা সত্যের প্রতি এতই অনাগ্রহী, যে তারা যা বোঝে তা শুধুই মতবাদ, বাক্য এবং অন্তঃসারশূন্য তত্ত্ব, জীবনে প্রবেশ করার মতো ন্যূনতম মূল্যও যার নেই। তাদের কেউই ঈশ্বরের অনুগত নয়, তারা সেই সমস্ত মানুষজন যারা ঈশ্বরকে দেখতে পেলেও তাঁকে অর্জন করতে পারে না; তারা সকলেই ঈশ্বরের দ্বারা নিন্দিত।

প্রত্যেকের মধ্যেই পবিত্র আত্মার চলার পথ রয়েছে, এবং তা প্রত্যেক ব্যক্তিকেই নিখুঁত হওয়ার সুযোগ করে দেয়। তোমার নেতিবাচকতার দ্বারা তোমাকে নিজের ভ্রষ্টাচরণ চেনানো হয় এবং তারপরে সেই নেতিবাচকতা বর্জনের ফলে তুমি খুঁজে পাবে অনুশীলনের পথ; এই সমস্তই তোমাকে নিখুঁত করার উপায়। অধিকন্তু, তোমার অন্তঃস্থ কিছু ইতিবাচক বিষয়ের অবিরত নির্দেশ এবং প্রদীপ্তির মাধ্যমে তুমি সক্রিয়ভাবে তোমার কার্যকারিতা সম্পূর্ণ করতে পারবে, অন্তর্দৃষ্টিতে সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে এবং বিচক্ষণতা অর্জন করবে। যখন তোমার অবস্থা ভালো, তুমি বিশেষভাবে ঈশ্বরের বাক্য পড়তে চাও, এবং বিশেষভাবে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে চাও, আর যে ধর্মোপদেশগুলি তুমি শোনো, নিজের অবস্থার সাথে তাদের মেলাতে পারো। এই সময়ে ঈশ্বর তোমাকে ভিতর থেকে আলোকিত এবং প্রদীপ্ত করেন, যাতে ইতিবাচক দিকের কিছু জিনিস তুমি উপলব্ধি করতে পারো। ইতিবাচক দিকে এইভাবেই তোমাকে নিখুঁত করে তোলা হয়। নেতিবাচক অবস্থায় তুমি দুর্বল ও নিষ্ক্রিয়, তোমার হৃদয়ে ঈশ্বর না থাকার অনুভূতি হয়, তা সত্ত্বেও ঈশ্বর তোমাকে প্রদীপ্ত করেন, অনুশীলনের পথ খুঁজে পেতে সাহায্য করেন। এই অবস্থাকে অতিক্রম করাই হল নেতিবাচক দিক দিয়ে নিখুঁত হওয়াকে অর্জন করা। ঈশ্বর মানুষকে ইতিবাচক বা নেতিবাচক উভয় দিক দিয়েই নিখুঁত করতে পারেন। এটি নির্ভর করে তোমার উপলব্ধি করতে পারার সক্ষমতা, এবং তুমি ঈশ্বরের দ্বারা নিখুঁত হওয়ার অন্বেষণ করতে চাও কিনা, তার ওপর। তুমি যদি প্রকৃত অর্থে ঈশ্বরের দ্বারা নিখুঁত হতে চাও, তাহলে নেতিবাচকতা তোমায় ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে না। বরং তোমার সামনে আরও বাস্তবিক বিষয় উপস্থাপিত করতে পারে, এবং তোমার মধ্যে কিসের অভাব রয়েছে তা জানার ক্ষমতা দেয়, তোমার বাস্তবিক অবস্থার আরও ভালো উপলব্ধিতে সক্ষম করে, এবং দেখার ক্ষমতা দেয় যে, মানুষের কিছুই নেই, সে কিছুই নয়; পরীক্ষার অভিজ্ঞতা লাভ না করলে তুমি এই বিষয়ে অজ্ঞ থেকে যাবে এবং সর্বদা নিজেকে অপরের থেকে উচ্চ, বাকি সকলের থেকে বেশি ভালো হিসাবে উপলব্ধি করবে। এই সবের মাধ্যমে তুমি দেখবে আগে যা এসেছে, তার সমস্ত কিছুই ঈশ্বরের করা এবং তাঁর দ্বারাই সুরক্ষিত। পরীক্ষায় প্রবেশের ফলে তোমার মধ্যে ভালোবাসা বা বিশ্বাস অবশিষ্ট থাকে না, দেখা যায় প্রার্থনার অভাব, তুমি আর স্তুতি গাইতে পারো না এবং এইসবের মাঝে সচেতন উপলব্ধি ছাড়াই তুমি নিজেকে চিনতে পারো। ঈশ্বরের কাছে মানুষকে নিখুঁত করার অনেক উপায় রয়েছে। মানুষের ভ্রষ্ট স্বভাবের মোকাবিলা করার জন্য ঈশ্বর সমস্ত রকমের পরিবেশ ব্যবহার করেন, এবং মানুষের উন্মোচনের জন্য বিভিন্ন জিনিসের ব্যবহার করেন; এক দিকে তিনি মানুষের সাথে মোকাবিলা করেন, অপর দিকে, মানুষের উন্মোচন করেন, আবার অন্য দিকে তিনি মানুষকে প্রকাশ করেন, তাদের হৃদয়ের গহিনে থাকা “রহস্য” খুঁড়ে বার করে প্রকাশিত করেন এবং মানুষের বিভিন্ন অবস্থা প্রকাশের মাধ্যমে তাকে তার চরিত্র দেখান। ঈশ্বর মানুষকে বিভিন্ন উপায়ে – যেমন প্রকাশের মাধ্যমে, মানুষের সাথে মোকাবিলার মাধ্যমে, পরিমার্জনের মাধ্যমে, এবং শাস্তির মাধ্যমে নিখুঁত করেন – যাতে সে জানতে পারে যে ঈশ্বর হলেন বাস্তববাদী।

তোমরা এখন কিসের সন্ধান করছো? ঈশ্বরের দ্বারা নিখুঁত হতে, তাঁকে জানতে, তাঁকে অর্জন করতে চাও – অথবা হয়তো তুমি ৯০-এর দশকের পিতরের মতো নিজেকে গড়ে তুলতে চাও; বা হয়তো ইয়োবের চাইতে অধিক বিশ্বাস লাভ করতে চাও, অথবা তুমি হয়তো ঈশ্বরের কাছ থেকে ধার্মিক আখ্যা পেতে চাও এবং তাঁর সিংহাসনের সামনে দাঁড়াতে চাও, অথবা পৃথিবীতে ঈশ্বরকে প্রকাশ করতে সক্ষম হতে চাও এবং শক্তিশালী ও সুস্পষ্টরূপে ঈশ্বরের সাক্ষ্য দিতে চাও। তোমরা যাই সন্ধান করো না কেন, সামগ্রিকভাবে, তোমরা ঈশ্বরের দ্বারা উদ্ধার লাভের জন্যই তা করছ। তুমি যাই চাও না কেন, যদি একজন ধার্মিক মানুষ হতে চাও, যদি পিতরের পদ্ধতি অবলম্বন করতে চাও, বা ইয়োবের মতো বিশ্বাস লাভ করতে চাও, কিংবা ঈশ্বরের দ্বারা নিখুঁত হতে চাও, এ সবই ঈশ্বরের কাজ, যা তিনি মানুষের উপর করেন। অন্য কথায়, তুমি যাই খোঁজো না কেন, তার সমস্তটাই ঈশ্বরের দ্বারা নিখুঁত হওয়া, তাঁর বাক্যের অভিজ্ঞতা লাভ এবং তাঁর হৃদয়কে তুষ্ট করার জন্য; তোমার সমস্ত অনুসন্ধানের উদ্দেশ্য হল ঈশ্বরের মাধুর্য আবিষ্কার করা, নিজের বিদ্রোহী স্বভাব ত্যাগ করতে পারার লক্ষ্যে প্রকৃত অভিজ্ঞতায় অনুশীলনযোগ্য একটি পথের সন্ধান করা, নিজের স্বাভাবিক অবস্থা অর্জন করা, ঈশ্বরের ইচ্ছার সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গত হতে পারা, একজন সঠিক মানুষ হয়ে ওঠা এবং সমস্ত কাজের পিছনে সঠিক উদ্দেশ্য রাখতে সক্ষম হওয়া। ঈশ্বরকে জানা এবং জীবনের বৃদ্ধি লাভের জন্যই তুমি এই সমস্ত কিছুর অভিজ্ঞতা লাভ করছ। তোমার অভিজ্ঞতা ঈশ্বরের বাক্য এবং বাস্তব ঘটনা, এমনকি তোমার চারপাশের মানুষ, বিষয়াদি এবং জিনিসপত্র সম্বলিত হলেও, পরিশেষে তুমি ঈশ্বরকে জানতে সক্ষম হও এবং তাঁর দ্বারা নিখুঁত হও। একজন ধার্মিক ব্যক্তি হওয়ার পথে এগোবার আকাঙ্ক্ষা অথবা ঈশ্বরের বাক্য অনুশীলন করার ইচ্ছা: এগুলি হল চলার রাস্তা, যখন গন্তব্য হল ঈশ্বরকে জানা এবং তাঁর দ্বারা নিখুঁত হওয়া। তোমার ঈশ্বরের দ্বারা নিখুঁত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা অথবা তাঁর জন্য সাক্ষ্য দেওয়ার ইচ্ছা নির্বিশেষে, সমস্ত কিছুই কিন্তু ঈশ্বরকে জানার জন্যই; যাতে তোমার মধ্যে যে কাজ তিনি করেন তা বৃথা না যায়, যাতে পরিশেষে তুমি ঈশ্বরের বাস্তবিকতা, মহানতা এবং এমন আরও অনেক কিছুর সাথে সাথে তাঁর নম্রতা এবং গোপনতা সম্পর্কেও জানতে পারো, আর ঈশ্বর তোমার মধ্যে যে বিপুল পরিমাণ কাজ করেন তাও জানতে পারো। ঈশ্বর এমন বিনয়ের স্তরে নিজেকে নিয়ে গেছেন যে এই কলুষিত ও ভ্রষ্ট মানুষদের মধ্যেও তিনি কাজ করেন এবং এই মানুষের দলকে নিখুঁত করে তোলেন। ঈশ্বর মানুষের মধ্যে কেবলমাত্র থাকা-খাওয়ার জন্য, তাদের পথ দেখাতে এবং প্রয়োজন মেটাতেই দেহধারণ করেন নি। এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল তিনি এই অসহনীয় ভ্রষ্ট মানুষদের পরিত্রাণ এবং জয় করার মহান কাজ করেন। তিনি অতিকায় লাল ড্রাগনের অন্তঃস্থলে এই সর্বাপেক্ষা ভ্রষ্ট মানুষদের উদ্ধার করতে অবতীর্ণ হয়েছেন, যাতে সেই মানুষদের পরিবর্তন করে নতুন করে গড়ে তোলা যায়। ঈশ্বরের সহ্য করা অসীম কষ্ট যে কেবল ঈশ্বরের অবতারের সহ্য করা কষ্ট তা নয়, সবচেয়ে বড় কথা হল ঈশ্বরের আত্মা চরম অপমান ভোগ করেন – তিনি নিজেকে এতটাই বিনীত এবং আড়াল করে ফেলেন, যে একজন সাধারণ মানুষে পরিণত হন। ঈশ্বর অবতার হিসাবে দেহরূপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন যাতে মানুষেরা দেখতে পায় যে তাঁর স্বাভাবিক মানব জীবন এবং চাহিদা রয়েছে। এটাই যথেষ্ট প্রমাণ যে ঈশ্বর নিজেকে অনেকাংশে বিনীত করেছেন। ঈশ্বরের আত্মা দেহরূপে প্রতিভাত হয়েছে। তাঁর আত্মা সুউচ্চ এবং মহান হওয়া সত্ত্বেও, আত্মার কাজ সম্পাদনের জন্য তিনি এক সাধারণ মানুষ, এক নগণ্য মানুষের রূপ ধারণ করেন। তোমাদের প্রত্যেকের ক্ষমতা, অন্তর্দৃষ্টি, অনুভূতি, মানবতা এবং জীবন প্রদর্শন করে যে, তোমরা সত্যিই ঈশ্বরের এই ধরনের কাজ গ্রহণের পক্ষে অযোগ্য। ঈশ্বর তোমাদের জন্য যে কষ্ট ভোগ করছেন তার জন্য তোমরা সত্যিই অযোগ্য। ঈশ্বর এতই মহান। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ, এবং মানুষেরা এত নিম্নস্তরের, তা সত্ত্বেও তিনি তাদের ওপর কাজ করেন। তিনি কেবলমাত্র মানুষদের প্রয়োজন পূরণ করার জন্য, তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য অবতাররূপ ধারণ করেন নি, এমনকি তিনি তাদের সাথে বসবাসও করেন। ঈশ্বর কত নম্র, কত প্রেমময়। যদি, ঈশ্বরের ভালোবাসার কথা, তাঁর অনুগ্রহের কথা উল্লেখের সাথে সাথে, অসামান্য প্রশংসা উচ্চারণ করতে করতে তোমার অশ্রুপাত হয়, যদি তুমি এমত অবস্থায় পৌঁছাও, তবেই বোঝা যাবে যে তোমার কাছে ঈশ্বরের প্রকৃত জ্ঞান রয়েছে।

বর্তমানে মানুষের অনুসন্ধানে বিচ্যুতি রয়েছে; তারা কেবল ঈশ্বরকে ভালবাসতে চায়, তুষ্ট করতে চায়, কিন্তু ঈশ্বর সম্পর্কে তাদের কোনও জ্ঞান নেই, এবং তারা নিজেদের অন্তরে পবিত্র আত্মার প্রদীপ্তি এবং আলোকপ্রাপ্তিকেও অবহেলা করেছে। তাদের ঈশ্বর সম্পর্কিত প্রকৃত জ্ঞানের ভিত্তি নেই। এইভাবে, অভিজ্ঞতার অগ্রগতির সাথে সাথে তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। যারা ঈশ্বর সম্পর্কে প্রকৃত জ্ঞানের অনুসন্ধান করতে চায়, যদিও তারা অতীতে ভালো অবস্থায় ছিল না, নেতিবাচকতা ও দুর্বলতার দিকে ঝুঁকে পড়েছিল, প্রায়শই অশ্রুপাত করত, নিরুৎসাহ হয়ে পড়েছিল এবং সমস্ত আশা হারিয়ে ফেলেছিল – এখন তারা যত অভিজ্ঞতা অর্জন করে, তাদের অবস্থার উন্নতি হয়। তাদের সাথে হওয়া মোকাবিলার পর, এবং ভেঙে পড়ার অভিজ্ঞতা লাভ করার পর, এবং পরীক্ষা ও পরিমার্জনের ধাপগুলির মধ্যে দিয়ে যাওয়ার পর, তারা প্রভূত অগ্রগতি করেছে। তাদের নেতিবাচক অবস্থা হ্রাস পেয়েছে এবং তাদের জীবন চরিত্রেও পরিবর্তন এসেছে। তারা যত বেশি পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে চালিত হয়, তাদের হৃদয় ঈশ্বরকে ভালবাসতে শুরু করে। মানুষদের নিখুঁতকরণের কার্যে ঈশ্বরের কিছু নিয়ম রয়েছে, তিনি তোমার মধ্যেকার কাঙ্ক্ষিত অংশ ব্যবহার করে তোমায় আলোকিত করেন, যাতে তোমার অনুশীলনের মতো পথ থাকে এবং তুমি সমস্ত নেতিবাচক অবস্থা থেকে নিজেকে আলাদা রাখতে পারো, তোমার আত্মার মুক্তিতে সহায়ক হন এবং তাঁকে আরও ভালোবাসতে সক্ষম করেন। এইভাবে, তুমি শয়তানের ভ্রষ্ট স্বভাব বর্জনে সক্ষম হও। নৈপুণ্যবিহীন এবং উন্মুক্ত হয়ে তুমি নিজেকে জানতে ইচ্ছুক হও এবং সত্যের অনুশীলন করো। ঈশ্বর নিশ্চিতভাবে তোমাকে আশীর্বাদ করবেন, তাই দুর্বল এবং নেতিবাচক থাকাকালীন তিনি তোমাকে দ্বিগুণ আলোকিত করেন, নিজেকে আরও জানতে সাহায্য করেন, আরও অনুতপ্ত হতে ইচ্ছুক করে তোলেন এবং সেই জিনিসগুলির অনুশীলনে আরও সক্ষমতা প্রদান করেন যেগুলি তোমার অনুশীলন করা উচিত। কেবলমাত্র এইভাবেই তোমার হৃদয় সহজ এবং শান্তিপূর্ণ হতে পারে। সাধারণত ঈশ্বরকে জানতে, নিজেকে জানতে এবং নিজ অনুশীলনের বিষয়ে মনযোগী ব্যক্তিই বারংবার ঈশ্বরের কাজ, এমনকি তাঁর নির্দেশনা এবং আলোকপ্রাপ্তি লাভ করতে পারে। এমন ব্যক্তি নেতিবাচক অবস্থায় থাকলেও বিবেকের তাড়নাতেই হোক অথবা ঈশ্বরের বাক্যের আলোকপ্রাপ্তির দ্বারাই হোক না কেন-সে অবিলম্বেই সমস্ত বিষয়ের অভিমুখ পাল্টে দিতে সক্ষম। মানুষের স্বভাবের পরিবর্তন সর্বদা তখনই অর্জিত হয় যখন সে নিজেকের প্রকৃত অবস্থা এবং ঈশ্বরের স্বভাব ও কাজ সম্পর্কে জানে। যে মানুষ নিজেকে জানতে এবং উন্মুক্ত করতে ইচ্ছুক, সে-ই সত্য নির্বাহ করতে পারে। এই ধরনের মানুষেরা ঈশ্বরের অনুগত, এবং ঈশ্বরের অনুগত মানুষেরই ঈশ্বর সম্পর্কে জ্ঞান থাকে, তা গভীর বা অগভীর, স্বল্প বা বহুল যেমনই হোক। এটি ঈশ্বরের ন্যায়পরায়ণতা, এবং এটাই মানুষ অর্জন করে; এ হল তাদের নিজেদের লাভ। সে-ই হল ঈশ্বর জ্ঞান সম্পন্ন মানুষ, যার ভিত্তি আছে, দৃষ্টি আছে। এই ধরনের মানুষ ঈশ্বরের দেহরূপ, তাঁর বাক্য এবং কাজের বিষয়ে নিশ্চিত থাকে। ঈশ্বর কীভাবে কাজ করছেন বা বলছেন অথবা মানুষের কাছ থেকে আগত সমস্ত বাধা নির্বিশেষে সে তার দৃঢ়তায় অবিচল থাকতে পারে এবং ঈশ্বরের জন্য সাক্ষ্য দিতে পারে। মানুষ যত এইরকম হয়ে ওঠে, ততই সে তার বোধগম্য সত্য নির্বাহ করতে পারে। সর্বদা ঈশ্বরের বাক্য অনুশীলনের কারণে, সে ঈশ্বরের সম্পর্কে আরও উপলব্ধি অর্জন করে এবং চিরদিন ঈশ্বরের পক্ষে সাক্ষ্যদানের সংকল্পের অধিকারী হয়।

বিচক্ষণতা, সমর্পণ এবং নানা বিষয়ের প্রতি অন্তর্দৃষ্টির ক্ষমতা থাকার ফলে যদি তুমি আত্মায় সক্রিয়তা অনুভব করো, তবে এর অর্থ হল কোনও কিছুর মুখোমুখি হওয়ার সাথে সাথে তোমার অন্তর ঈশ্বরের বাক্য দ্বারা প্রদীপ্ত এবং আলোকিত হয়ে উঠেছে। একেই আত্মায় সক্রিয়তা বলে। ঈশ্বরের সমস্ত কাজ মানুষের আত্মার পুনর্জীবনে সহায়তার জন্য। কেন ঈশ্বর সবসময় বলেন মানুষেরা অনুভূতিহীন ও বুদ্ধিহীন? কারণ মানুষের আত্মা মৃত, তা এতই অসাড় হয়ে গেছে যে তারা আত্মার বিষয়ে সম্পূর্ণ অচেতন। ঈশ্বরের কাজ হল মানুষের জীবনে প্রগতি এবং মানুষের আত্মাকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করা, যাতে তারা আত্মার অন্তঃস্থ বিষয়গুলিতে দৃষ্টিপাত করতে পারে, সর্বদা নিজেদের অন্তরে ঈশ্বরকে ভালবাসতে এবং তুষ্ট করতে পারে। এই পর্যায়ে উপনীত হওয়ার অর্থ হল কোনও ব্যক্তির আত্মা পুনরুজ্জীবিত হয়েছে এবং সে পরে কোনো কিছুর সম্মুখীন হলেই অবিলম্বে প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারবে। সে ধর্মোপদেশের প্রতি প্রতিক্রিয়াশীল থাকে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়। এটাই হল আত্মার সক্রিয়তা অর্জনের স্বরূপ। অনেক মানুষ রয়েছে যারা বাহ্যিক ঘটনায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে, কিন্তু বাস্তবিকতায় অথবা আত্মার বিশদে প্রবেশ করা মাত্রই অনুভূতিহীন ও নির্বোধ হয়ে পড়ে। সম্মুখে যা দেখতে পাওয়া যায়, তারা কেবল সেই বিষয়গুলিকেই বোঝে। এগুলি সবই আধ্যাত্মিকভাবে অসাড় এবং নির্বুদ্ধিতার লক্ষণ, আত্মার বিষয়গুলিতে সামান্য অভিজ্ঞতা থাকার ফল। কারো কারো আত্মা সক্রিয় এবং তাদের বিচক্ষণতা থাকে। যে বাক্য তাদের অবস্থার দিকে নির্দেশ করে, তা শোনার সাথে সাথে, সময় নষ্ট না করে সেগুলি লিখে ফেলে। অনুশীলনের নীতি সম্পর্কিত বাক্য শোনার পরে তারা সেগুলিকে গ্রহণ করতে এবং পরবর্তী অভিজ্ঞতায় প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়, ফলে নিজেদের পরিবর্তন ঘটায়। এই মানুষই আত্মায় সক্রিয় রয়েছে। তারা কেন এতো তাড়াতাড়ি প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে? কারণ তারা এই সমস্ত বিষয়গুলি দৈনন্দিন জীবনে নিবদ্ধ রাখে। যখন তারা ঈশ্বরের বাক্য পড়ে, তারা সেই পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থা যাচাই করতে সক্ষম হয়, এবং নিজেদের মধ্যে তার প্রতিফলন ঘটায়। যখন তারা সহকারিতার কথা শোনে, ধর্মোপদেশ শোনে, আলোকপ্রাপ্তি ও প্রদীপ্তি বহনকারী বাক্য তাদের কানে আসে, তারা সঙ্গে সঙ্গে সেগুলি গ্রহণ করতে সক্ষম হয়। এটি যেন ক্ষুধার্ত মানুষকে খাবার দেওয়ার মতো; তারা সঙ্গে সঙ্গে তা খেতে পারে। তুমি যদি এমন ব্যক্তিকে খাবার দাও যে ক্ষুধার্ত নয়, তারা অতো অবিলম্বে প্রতিক্রিয়া দেবে না। তুমি যদি প্রায়ই ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করো, তাহলে কোনো জিনিসের সম্মুখীন হলেই তুমি অবিলম্বে প্রতিক্রিয়া দিতে পারবে: ঈশ্বর এই বিষয়ে কী চান এবং তোমার কীভাবে কাজ করা উচিত। গতবার ঈশ্বর তোমাকে এই বিষয়ে পথ দেখিয়েছিলেন, আজ এই রকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে স্বাভাবিকভাবেই তুমি জানবে কী সেই অনুশীলনের পথ, যা ঈশ্বরের হৃদয়কে তুষ্ট করে। যদি তুমি সর্বদা এই উপায়ে অনুশীলন করো, সর্বদা এই উপায়ে অভিজ্ঞতা লাভ করো তাহলে এক সময়ে এটি তোমার কাছে সহজ হয়ে আসবে। ঈশ্বরের বাক্য পড়ার সময় তুমি জানো যে তিনি কোন ধরনের মানুষের কথা বলছেন, তুমি জানো যে তিনি আত্মার কোন অবস্থার কথা উল্লেখ করছেন, এবং তুমি এগুলির মূল বিষয়গুলি ধারণ করে অনুশীলন করতে সক্ষম হও। এটি তোমার উপলব্ধির সক্ষমতা প্রদর্শন করে। কিছু মানুষের এই বিষয়ে কেন অভাব থেকে যাচ্ছে? কারণ তারা অনুশীলনের এই বিষয়ে যথেষ্ট সচেষ্ট হচ্ছে না। তারা সত্যের অনুশীলনে ইচ্ছুক হলেও, তাদের জীবনে সেবার বিস্তৃত বিবরণের বিষয়ে, সত্যের বিস্তৃত বিবরণের বিষয়ে তাদের প্রকৃত অন্তর্দৃষ্টি থাকে না। কিছু হলেই তারা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। এই উপায়ে, ভণ্ড নবী বা ভণ্ড প্রেরিতজনের আবির্ভাব হলে তুমি বিপথে চালিত হতে পারো। তোমাকে অবশ্যই ঘন ঘন ঈশ্বরের কাজ এবং বাক্যে সহকারিতা করতে হবে – শুধুমাত্র এই উপায়েই তুমি সত্য অনুধাবনে সক্ষম হবে এবং বিচক্ষণতার বিকাশ ঘটাতে পারবে। সত্য অনুধাবন না করতে পারলে, তোমার কোনো বিচক্ষণতাই থাকবে না। উদাহরণস্বরূপ, ঈশ্বর কী বলেন, কীভাবে কাজ করেন, মানুষের থেকে তাঁর কী দাবি, তোমার কী ধরনের মানুষের সংস্পর্শে আসা উচিত, কাদেরই বা প্রত্যাখ্যান করা উচিত – তোমাকে অবশ্যই ঘন ঘন এই সমস্ত বিষয়ে সহকারিতা করতে হবে। তুমি যদি সর্বদা এইভাবে ঈশ্বরের বাক্য উপলব্ধি করো, তাহলেই তুমি সত্য অনুধাবন করতে পারবে, অনেক বিষয়ই তোমার পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বোধগম্য হবে এবং তুমি বিচক্ষণতাও লাভ করবে। পবিত্র আত্মার দ্বারা অনুশাসন বলতে কী বোঝায়, মানুষের ইচ্ছা থেকে কোন দোষের উদ্ভব হয়, পবিত্র আত্মার নির্দেশনা কী, পরিবেশের ব্যবস্থা বলতে কী বোঝায়, অন্তর আলোকিতকারী ঈশ্বরের বাক্য কোনগুলি? এই বিষয়গুলি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকলে তোমার কোনো বিচক্ষণতা থাকবে না। তোমার জানা উচিত পবিত্র আত্মা থেকে কী আসে, বিদ্রোহী স্বভাব বলতে কী বোঝায়, কীভাবে ঈশ্বরের বাক্য মান্য করতে হয়, এবং কীভাবে নিজের বিদ্রোহ ত্যাগ করতে হয়; যদি তোমার এই বিষয়গুলিকে বোঝার মতো অভিজ্ঞগতালব্ধ ধারণা থাকে, তাহলে তোমার ভিত্তি প্রস্তুত থাকবে; যখন কিছু ঘটবে, তোমার কাছে প্রকৃত সত্য থাকবে সেই ঘটনাকে সত্যের মাপকাঠিতে পরিমাপ করার জন্য, এবং উপযুক্ত দৃষ্টি থাকবে তোমার ভিত্তি হিসাবে। তোমার সমস্ত কাজেই নীতি থাকবে, এবং তুমি সত্য অনুসারে কাজ করতে সক্ষম হবে। তখন তোমার জীবন ঈশ্বরের আলোকপ্রাপ্তি, আশীর্বাদে ভরে উঠবে। যে ব্যক্তি আন্তরিকভাবে তাঁকে চায় অথবা তাঁকে যাপন করে এবং তাঁর জন্য সাক্ষ্য দেয় – তাঁর প্রতি ঈশ্বর অন্যায্য আচরণ করবেন না, এবং সত্যের জন্য প্রকৃত তৃষ্ণার্ত কোনো ব্যক্তিকে তিনি অভিশাপ দেবেন না। ঈশ্বরের বাক্য ভোজন ও পানের সময় তুমি যদি তোমার প্রকৃত অবস্থা জানা, নিজস্ব অনুশীলন, নিজস্ব উপলব্ধির বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারো, তাহলে সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার সময়ে তুমি আলোকপ্রাপ্ত হবে এবং বাস্তবিক উপলব্ধি অর্জন করবে। তাহলে তোমার সমস্ত কিছুতেই অনুশীলন ও বিচক্ষণতার পথ থাকবে। যে ব্যক্তির কাছে সত্য রয়েছে তার প্রতারিত হওয়ার, বিঘ্নকারী আচরণ বা চরম আচরণ করার সম্ভাবনা নেই। সত্যের কারণে সে সুরক্ষিত এবং এই কারণেই সে আরও উপলব্ধি অর্জন করে। সত্যের কারণে তার কাছে অনেক অনুশীলনযোগ্য পথ থাকে, পবিত্র আত্মা তার মধ্যে কাজ করার আরও সুযোগ পায় এবং সে নিখুঁত হওয়ার আরও সুযোগ লাভ করে।

পূর্ববর্তী: যারা ঈশ্বরকে ভালোবাসে তারা চিরকাল তাঁর আলোর মধ্যে বাস করবে

পরবর্তী: পবিত্র আত্মার কাজ এবং শয়তানের কাজ

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

সম্পর্কিত তথ্য

ঈশ্বরের সঙ্গে সহজ সম্পর্ক স্থাপন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

যে পথে মানুষ ঈশ্বরকে বিশ্বাস করে, ভালোবাসে এবং ঈশ্বরের আস্থাভাজন হয়ে ওঠে, সেই পথটি হল নিজের হৃদয়ে ঈশ্বরের পরম শক্তিকে স্থান দিয়ে তাঁর...

সেটিংস

  • লেখা
  • থিমগুলি

ঘন রং

থিমগুলি

ফন্টগুলি

ফন্ট সাইজ

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

পৃষ্ঠার প্রস্থ

বিষয়বস্তু

অনুসন্ধান করুন

  • এই লেখাটি অনুসন্ধান করুন
  • এই বইটি অনুসন্ধান করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন