ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: ধর্মীয় ধারণা প্রকাশ করা | উদ্ধৃতি 281

ঈশ্বরের সাথে মানুষের কখনোই তুলনা করা যায় না। তাঁর সারসত্য এবং তাঁর কাজ মানুষের কাছে ধারণাতীত এবং অজ্ঞেয়। ঈশ্বর যদি নিজে মানুষের জগতে তাঁর কাজ না করেন এবং তাঁর বাক্য না বলেন, তাহলে মানুষ কখনোই ঈশ্বরের ইচ্ছা বুঝতে সক্ষম হবে না। এবং তাই, যারা তাদের সমগ্র জীবন ঈশ্বরের জন্য উৎসর্গ করেছে, তারাও তাঁর অনুমোদন পেতে সক্ষম হবে না। যদি ঈশ্বর কাজ করার জন্য প্রস্তুত না হন, তবে মানুষ যতই ভালো কাজ করুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নিষ্ফল হবে, কারণ ঈশ্বরের চিন্তা সর্বদা মানুষের চিন্তার চেয়ে উচ্চতর এবং ঈশ্বরের জ্ঞান মানুষের বোধগম্যতার বাইরে। আর তাই আমি বলি যে যারা ঈশ্বর এবং তাঁর কাজকে “পুরোপুরি বোঝে” বলে দাবি করে তারা অযোগ্য ব্যক্তি; তারা সকলেই দাম্ভিক ও অজ্ঞ। মানুষের ঈশ্বরের কাজকে সংজ্ঞায়িত করা উচিত নয়; অধিকন্তু, মানুষ ঈশ্বরের কাজকে সংজ্ঞায়িত করতে অক্ষম। ঈশ্বরের দৃষ্টিতে মানুষ পিঁপড়ার মতই নগণ্য; তাহলে মানুষ কীভাবে ঈশ্বরের কাজের গভীরতা নির্ণয় করতে পারে? যারা ক্রমাগত বলতে পছন্দ করে, “ঈশ্বর এভাবে বা ওভাবে কাজ করেন না,” বা “ঈশ্বর এইরকম বা ওইরকম”—তারা কি অহংকার করে কথা বলছে না? আমাদের সকলেরই জানা উচিত যে মানুষ, যে আসলে রক্তমাংসের তৈরী, শয়তান দ্বারা ভ্রষ্ট হয়েছে। মানবজাতির স্বভাবই হল ঈশ্বরের বিরোধিতা করা। মানবজাতি ঈশ্বরের সমকক্ষ হতে পারে না, মানবজাতি ঈশ্বরের কাজে পরামর্শ দেওয়ার আশা করতে পারে না। ঈশ্বর কীভাবে মানুষকে পথ দেখাবেন, তা স্বয়ং ঈশ্বরের কাজ। এটাই সঙ্গত যে এটা-ওটা দৃষ্টিভঙ্গি স্বীকার না করে মানুষের উচিত আত্মসমর্পণ করা, কারণ মানুষ ধূলিকণা ব্যতীত আর কিছুই নয়। যেহেতু ঈশ্বরের সন্ধান করা আমাদের অভিপ্রায়, তাই ঈশ্বরের বিবেচনার জন্য আমাদের ধারণাগুলিকে তাঁর কাজের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়, উপরন্তু, আমাদের ভ্রষ্ট স্বভাবকে ইচ্ছাকৃতভাবে ঈশ্বরের কাজের বিরোধিতা করার জন্য প্রয়োগ করা তো আরোই অনুচিত। তার ফলে কি আমরা খ্রীষ্টবিরোধী হয়ে পড়বো না? এই ধরনের মানুষ কীভাবে ঈশ্বরে বিশ্বাস করতে পারে? যেহেতু আমরা বিশ্বাস করি যে একজন ঈশ্বর আছেন, এবং যেহেতু আমরা তাঁকে সন্তুষ্ট করতে চাই এবং তাঁকে দেখতে চাই, তাই আমাদের সত্যের পথ অনুসন্ধান করা উচিত এবং ঈশ্বরের সাথে সুসংগত হওয়ার পথের সন্ধান করা উচিত। আমাদের তাঁর বিরুদ্ধে একগুঁয়ে বিরোধিতা করা উচিত নয়। এই ধরনের কাজের থেকে কীই বা লাভ হতে পারে?

আজ, ঈশ্বর নতুন কাজ করেছেন। তুমি এই বাক্যগুলি গ্রহণ করতে সক্ষম নাও হতে পারো এবং সেগুলি তোমার কাছে অদ্ভুত বলে মনে হতে পারে, তবে আমি তোমাকে তোমার স্বাভাবিকতা প্রকাশ না করার পরামর্শই দেবো, কারণ যারা ঈশ্বরের সামনে ন্যায়পরায়ণতার জন্য প্রকৃতপক্ষেই ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত বোধ করে, শুধুমাত্র তারাই সত্য লাভ করতে পারে, এবং যারা সত্যিকারের ভক্ত তারাই তাঁর দ্বারা আলোকিত ও পরিচালিত হতে পারে। সংযমী প্রশান্তির মাধ্যমে সত্য অনুসন্ধান করলেই ফলাফল লাভ করা যায়, দ্বন্দ্ব ও বিরোধের মাধ্যমে নয়। যখন আমি বলি যে, “আজ, ঈশ্বর নতুন কাজ করেছেন,” তখন আমি ঈশ্বরের দেহরূপে প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি বলছি। হতে পারে এই কথাগুলি তোমার উপর কোনও প্রভাব ফেলে না; হতে পারে তুমি সেগুলিকে অবজ্ঞা করো; অথবা হতে পারে সেগুলি তোমার অত্যন্ত আগ্রহের বিষয়। যাই হোক না কেন, আমি আশা করি যারা ঈশ্বরের আবির্ভাবের জন্য সত্যিকারের আকুল, তারা এই ঘটনাটির সম্মুখীন হতে পারবে এবং সেটি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার আগে সেগুলি ভালো করে যাচাই করতে উদ্যোগী হবে; একজন জ্ঞানী ব্যক্তির এটাই করা উচিত।

—বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, ভূমিকা

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।

সম্পর্কিত তথ্য

ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: ঈশ্বরের কাজ সম্বন্ধে জানা | উদ্ধৃতি 171

পবিত্র আত্মা যাদের বিশেষ উপদেশ আর পথনির্দেশ দেন তারা ছাড়া আর কেউ স্বাধীন হয়ে বাঁচতে পারে না, কারণ ঈশ্বর যাদের ব্যবহার করেন সেসব মানুষের...

ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: কর্মের তিনটি পর্যায় | উদ্ধৃতি 22

যীশু যে কাজ করেছিলেন তা সেই যুগের মানুষের প্রয়োজনের সাথে সঙ্গত ছিল। তাঁর কাজ ছিল মানবজাতিকে মুক্তি দান করা, তাদের পাপের ক্ষমা করা, আর তাই...

ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: মানবজাতির দুর্নীতি উদ্ঘাটিত করা | উদ্ধৃতি 358

খুব শীঘ্রই আমার কার্য সম্পন্ন হবে, এবং অনেকগুলো বছর একসঙ্গে মিলে একটা দুঃসহ স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে। আমি বিরামহীন ভাবে আমার বাক্য বারবার বলে...

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন