ঈশ্বরের প্রতিদিনের বাক্য: অবতার জন্ম | উদ্ধৃতি 135
বর্তমানে, বাস্তববাদী ঈশ্বর সম্বন্ধে মানুষের জ্ঞান খুবই একপেশে, এবং ঈশ্বরের অবতাররূপ ধারণের তাৎপর্য সম্বন্ধে তাদের উপলব্ধি এখনও অতীব নগণ্য।...
ঈশ্বরের আবির্ভাবের জন্য যারা আকুলভাবে অপেক্ষা করছেন তাদের সবাইকে স্বাগত জানাই!
আমি চাই তোমরা অনেক কিছুই অর্জন করো, কিন্তু তোমাদের সমস্ত কর্ম, তোমাদের জীবনের সবকিছু মিলেও আমার সে আশা পূর্ণ করতে অক্ষম। তাই আমার ইচ্ছের কথা তোমাদের সরাসরি বুঝিয়ে বলা ছাড়া আমার আর কোনো বিকল্প নেই। যেহেতু তোমাদের বিচক্ষণতা, তোমাদের বোধশক্তি একইরকম দুর্বল, তাই আমার স্বভাব, আমার সারসত্য সম্পর্কে তোমরা প্রায় পুরোপুরি অজ্ঞ। তাই এই বিষয়ে তোমাদের জানানো অত্যন্ত জরুরি। আগে তোমরা যতটুকুই বুঝে থাকো, এসব সমস্যা তোমরা বুঝতে চাও বা না চাও, আমাকে বিষয়গুলো বিশদভাবে তোমাদের কাছে ব্যাখ্যা করতেই হবে। বিষয়গুলো তোমাদের কাছে একেবারে নতুন নয়, কিন্তু এসবের অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝার ক্ষমতা, বা এসবের সঙ্গে তোমাদের পরিচয়, বেশি নেই। তোমাদের অনেকেরই ধারণা যৎসামান্য, আংশিক, অসম্পূর্ণ। আমার মনে হয় সত্যের অনুশীলন আরও ভালোভাবে করার জন্য, আমার বাক্য আরও ভালো করে অনুশীলন করার জন্য, এই বিষয়গুলোই তোমাদের বুঝতে হবে সবার আগে। তা না হলে তোমাদের বিশ্বাস থেকে যাবে অস্পষ্ট, ভণ্ডামিপূর্ণ, হয়ে যাবে ধর্মের বাইরের আড়ম্বরমাত্র। ঈশ্বরের স্বভাব যদি বুঝতে না পারো, তবে তাঁর জন্য যে কাজ তোমার করা দরকার, তা করা সম্ভব হবে না তোমার পক্ষে। ঈশ্বরের সারসত্যকে না জানলে তাঁর প্রতি তোমার শ্রদ্ধা, ভয় কিছুই থাকা সম্ভব নয়। তার বদলে থাকবে শুধু আন্তরিকতাহীন উদাসীনতা ও অসত্যাচরণ, আর সর্বোপরি, সংশোধনাতীত অধার্মিকতা। যদিও ঈশ্বরের স্বভাব উপলব্ধি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাঁর সারসত্যকে উপলব্ধি করা একেবারেই উপেক্ষণীয় বিষয় নয়, তবুও কেউই আজও বিষয়গুলো ভালো করে বোঝার অথবা তলিয়ে দেখার চেষ্টা করেনি। আমার প্রশাসনিক ফরমান তোমরা সবাই স্পষ্টতই খারিজ করে দিয়েছ। ঈশ্বরের স্বভাব যদি তোমরা না বুঝতে পারো, তবে তোমরা তাঁর স্বভাবকেই ক্ষুব্ধ করবে। তাঁর স্বভাবকে ক্ষুব্ধ করার অর্থ হল তাঁর ক্রোধের উদ্রেক করা। সেক্ষেত্রে তোমাদের কাজের চূড়ান্ত পরিণাম হল তাঁর প্রশাসনিক ফরমান লঙ্ঘন। অতএব তোমাদের বুঝতে হবে যে, ঈশ্বরের সারসত্যকে জানলে তোমরা বুঝবে তাঁর স্বভাবের কথা, আর তাঁর স্বভাবকে বুঝতে পারলে তোমরা বুঝতে পারবে তাঁর প্রশাসনিক ফরমান। বলাই বাহুল্য, তাঁর প্রশাসনিক ফরমানে যা আছে তার অধিকাংশই প্রকাশিত তাঁর স্বভাব। তবে তাঁর সম্পূর্ণ বৈশিষ্ট প্রশাসনিক ফরমানে ব্যক্ত নয়। তাই ঈশ্বরের স্বভাব আরও ভালো করে উপলব্ধি করার জন্য তোমাদের আরও এক ধাপ এগোতে হবে।
—বাক্য, খণ্ড ১, ঈশ্বরের আবির্ভাব ও তাঁর কার্য, ঈশ্বরের স্বভাব বোঝা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়
প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।
বর্তমানে, বাস্তববাদী ঈশ্বর সম্বন্ধে মানুষের জ্ঞান খুবই একপেশে, এবং ঈশ্বরের অবতাররূপ ধারণের তাৎপর্য সম্বন্ধে তাদের উপলব্ধি এখনও অতীব নগণ্য।...
মানুষ যদি অনুগ্রহের যুগে আটকে থাকে, তবে তারা কখনই তাদের ভ্রষ্ট স্বভাব থেকে মুক্তি পাবে না, ঈশ্বরের অন্তর্নিহিত স্বভাবকে জানা তো দূরের কথা।...
সকল মানুষের মাঝে বিদ্যমান সাধারণ সমস্যা হলো যে তারা সত্য উপলব্ধি করতে পারে কিন্তু তা পালনে ব্যর্থ হয়। এর কারণ হল, একদিকে তারা মূল্য দিতে...
তুমি যখন তোমার ভ্রষ্ট স্বভাব ত্যাগ করবে এবং স্বাভাবিক মানবতার জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে যাবে, কেবলমাত্র তখনই তুমি নিখুঁত হয়ে উঠবে। যদিও তুমি...