সপ্ত বজ্রের নিনাদ—ভবিষ্যদ্বাণী করছে যে রাজ্যের সুসমাচার মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে

আমি আমার কার্য অইহুদি দেশগুলির মধ্যে বিস্তার করে চলেছি। আমার মহিমার ঝলক সমগ্র বিশ্ব-চরাচরে প্রদীপ্ত হয়ে উঠছে; সমস্ত ইত্যবিধ মানুষ আমার ইচ্ছা নিজেদের মধ্যে ধারণ করছে, তারা আমারই হস্তদ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, আমারই নির্ধারিত কর্মপ্রবাহে তারা লিপ্ত। এই সময় থেকে, আমি এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছি, সাথে সমস্ত মানুষদের এক নতুন পৃথিবীতে এনেছি। “স্বদেশ”-এ, আমি আমার মূল কর্ম প্রবাহের এক নতুন অংশের সূচনা করেছি, যাতে মানুষ আমাকে আরও গভীরভাবে জানতে পারে। আমি মহাবিশ্বকে তার সমগ্রতার নিরিখে বিবেচনা করে দেখেছি যে[ক] এটাই আমার কার্য সম্পাদনের উপযুক্ত সময়। সেই কারণেই মানুষের ওপর আমার নতুন কার্য সম্পাদনের জন্য আমি এতো তৎপর। যতই হোক, এটি একটি নতুন যুগ এবং আমার নতুন কাজ হলো এই নতুন যুগে আরও অনেক মানুষদের সামিল করা এবং যাদের আমি বহিষ্কার করব, তাদের মধ্য থেকে আরো বেশিজনকে পরিত্যাগ করা। অতিকায় লাল ড্রাগনের দেশে আমি আমার কাজের এক সুগভীর পর্যায় সুসম্পন্ন করে ফেলেছি যা মানুষের কল্পনাতীত, যাতে তারা হাওয়ায় দোল খায়, আর তারপর অনেকেই ধীরে ধীরে এই হাওয়ার বেগেই নিঃশব্দে দূরে চলে যায়। প্রকৃতপক্ষে, এটাই হলো সেই “নির্বাচনের স্থান”, যা আমি পরিষ্কার করতে চাই; এটাই আমার আকাঙ্ক্ষিত এবং আমার পরিকল্পনাও বটে। আমার কার্য সম্পাদনকালে অনেক দুর্নীতিপরায়ণ মানুষ ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করলেও, তাদের বিতাড়নের জন্য আমার কোনও তাড়া নেই। বরং, উপযুক্ত সময়ে আমি তাদের বিতাড়নের কার্য সমাধা করবো। শুধুমাত্র এই কার্য সমাধার পরেই আমি প্রাণের প্রস্রবণ হয়ে উঠবো। যারা আমাকে প্রকৃত ভালোবাসে, তাদের আমি ডুমুর গাছের ফল আর লিলি ফুলের সুমিষ্ট সুবাস আস্বাদনের সৌভাগ্য প্রদান করবো। ধূলিময় দেশে, যেখানে শয়তানের আবাসস্থল, সেখানে খাঁটি সোনার পরিবর্তে কেবল রয়েছে বালি, আর এই পরিস্থিতিতেই আমি আমার কর্মধারার এই পর্যায় সম্পন্ন করছি। তোমাদের জানা উচিত, আমি কেবল খাঁটি, পরিশুদ্ধ সোনাই গ্রহণ করি, বালি নয়। তাহলে আমার আবাসস্থলে কি দুর্নীতিপরায়ণ মানুষেরা স্থান পেতে পারে? আমি কি ধূর্ত শৃগালদের আমার স্বর্গলোকে পরজীবীদের মতো ঠাঁই দিতে পারি? আমি সর্বতোভাবে তাদের বিতাড়নের প্রচেষ্টা করি। আমার ইচ্ছা প্রকাশিত হওয়ার পূর্বে, আমি কী করতে চলেছি তা কেউ জানতে পারে না। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করেই আমি সেই সব দুর্নীতিপরায়ণদের বিতাড়িত করি, আর তারা আমার উপস্থিতি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। আমি দুর্নীতিপরায়ণদের সাথে এটাই করে থাকি। কিন্তু তা সত্ত্বেও, আমার সেবা করার মতো দিন তাদের কাছে ঠিকই আসবে। মানুষদের মধ্যে আশীর্বাদ-প্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষা খুবই প্রবল; তাই আমি ঘুরে দাঁড়িয়ে অইহুদিদের আমার মহিমাময় উপস্থিতি প্রদর্শন করি, যাতে তারা নিজেদের জগতে থেকেই নিজেদের বিচার করতে পারে, আর আমি আমার উচিত-বাক্যসমূহ প্রকাশ করে যেতে পারি এবং মানুষের যা প্রয়োজন তা সরবরাহ করে যেতে পারি। মানুষ যতক্ষণে সচেতন হবে, আমার কার্য তার অনেক আগেই বিপুল পরিমাণে বিস্তার লাভ করে ফেলবে। তারপরেই আমি মানুষের সামনে আমার ইচ্ছা প্রকাশ করবো, আর তাদের ওপর আমার কর্মধারার দ্বিতীয় অংশের সূচনা করবো, আমার কাজের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ রাখতে আমি তাদের সুষ্ঠুভাবে আমাকে অনুসরণ করতে দেবো, এবং আমার অবশ্যকর্তব্য সম্পাদনকালে তাদের ক্ষমতা অনুযায়ী আমার পাশে থাকতে দেবো।

আমার মহিমা প্রত্যক্ষ করতে পারবে, এমন বিশ্বাস কারোর মধ্যেই নেই, আমি তাদের এই বিষয়ে কোনোভাবে বাধ্যও করি না, বরং আমার মহিমা মানবজাতির মধ্যে থেকে অপসারণ করে তা অন্য এক জগতে স্থানান্তরিত করি। যখন মানুষের মধ্যে আবার অনুতাপ জাগ্রত হবে, সেই সময়ে আমি আমার মহিমা আরও বেশি সংখ্যক বিশ্বাসী মানুষদের সামনে প্রদর্শন করব। এই নীতিতেই আমি আমার কার্য সম্পাদন করে থাকি। সময় এলে আমার মহিমা কনান ত্যাগ করে, আবার যথাসময়ে আমার মহিমা নির্বাচিত ব্যক্তিদেরও ত্যাগ করে যায়। উপরন্তু এমন সময়ও আসে যখন আমার মহিমা সম্পূর্ণ বিশ্বকে ত্যাগ করে গিয়ে তাকে নিষ্প্রভ করে তোলে এবং অন্ধকারে নিমজ্জিত করে। এমনকি কনান দেশের আকাশেও উঠবে না সূর্য, সমস্ত মানুষ বিশ্বাস হারাবে, কিন্তু কনান দেশের সুবাস কেউ ছেড়ে যেতে পারবে না। একমাত্র যখন আমি নতুন স্বর্গ এবং পৃথিবীতে প্রবেশ করবো, আমি আমার মহিমার অন্য অংশটি নিয়ে সর্বপ্রথমেই কনান প্রদেশে প্রকাশ করবো। ফলে এক আলোকছটা সমগ্র বিশ্ব চরাচরকে প্রদীপ্ত করে তুলবে, যাতে নিকষ কালো রাত্রির অন্ধকারে নিমজ্জিত এই পৃথিবী আলোকে উদ্ভাসিত হতে পারে, যাতে পৃথিবীর সমস্ত মানুষ সেই আলোর প্রভাব থেকে শক্তি সংগ্রহ করতে আসতে পারে, যাতে আমার মহিমা বৃদ্ধি পায় এবং প্রতিটি দেশ-জাতির কাছে নতুন রূপে দেখা দেয়। তখনই সমগ্র মানবজাতি উপলব্ধি করবে যে আমি বহু পূর্বেই এই মানব জগতে আবির্ভূত হয়েছিলাম, বহু পূর্বেই আমার মহিমা ইসরায়েল থেকে প্রাচ্যে স্থানান্তর করেছিলাম, আমার মহিমা প্রাচ্য থেকেই উদ্ভাসিত হয়ে অনুগ্রহের যুগ থেকে বর্তমানে আনীত হয়েছে। কিন্তু ইসরায়েল ত্যাগ করে আমি উপস্থিত হয়েছি প্রাচ্যে। যখন পূর্বের আলো ক্রমশ শুভ্র হয়ে উঠবে, সমগ্র পৃথিবীর তমসা ধীরে ধীরে আলোকময় হয়ে উঠবে, কেবল তখনই মানুষ উপলব্ধি করবে যে আমি বহু পূর্বেই ইসরায়েল থেকে প্রস্থান করে নতুন রূপে প্রাচ্যে উদিত হয়েছি। একবার ইসরায়েলে আবির্ভূত হয়ে, পরবর্তীকালে সেইখান থেকে প্রস্থানের পরে, আমি পুনরায় ইসরায়েলে জন্মগ্রহণ করতে পারি না, কারণ আমার কাজ সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে চালিত করে, সর্বোপরি, বজ্রের ঝলক সরাসরি প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যে উদ্ভাসিত হয়। এই কারণেই আমি প্রাচ্যে আবির্ভূত হয়েছি এবং কনানকে প্রাচ্যের মানুষদের কাছে নিয়ে এসেছি। আমি সমগ্র বিশ্বের মানুষদের কনান প্রদেশে নিয়ে আসবো, এবং তাই এই কনান প্রদেশ থেকেই সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে আমি নির্দেশ জারি করে চলেছি। এই সময়ে কনান প্রদেশ ব্যতীত পৃথিবীতে কোনও আলোর উদ্ভাস নেই, সমস্ত মানুষ ক্ষুধায়, শীতে কাতর হয়ে রয়েছে। আমি আমার মহিমা ইস্রায়েলে প্রদান করেও তা সরিয়ে নিয়েছি, ফলে সমস্ত ইসরায়েলবাসীর পাশাপাশি সমগ্র মানবজাতি প্রাচ্যে স্থানান্তরিত হয়েছে। আমি তাদের সকলকে আলোয় নিয়ে এসেছি, যাতে তারা এর সাথে পুনরায় একাত্ম হতে পারে, মিলিত হতে পারে, যাতে তাদের আর অনুসন্ধানের প্রয়োজন না থাকে। যারা আলোর সন্ধান করছে, তাদের আমি আবার আলো দেখাবো এবং ইসরায়েলে আমার কী মহিমা ছিল তাও দেখাবো। তাদের সামনে আমি প্রদর্শন করবো যে আমি বহু পূর্বেই শুভ্র মেঘে আসীন হয়ে মানবজাতির মধ্যে আবির্ভূত হয়েছি, দেখাবো অগণিত শুভ্র মেঘ এবং ফলের গুচ্ছের সমাহার, তদুপরি, তাদের দেখাবো ইসরায়েলের যিহোবা ঈশ্বরকে। তাদের দেখাবো ইহুদিদের প্রভুকে, যে মশীহের আকাঙ্ক্ষা তারা এতদিন করে আসছে, আর যাকে যুগ যুগ ধরে রাজাদের দ্বারা নির্যাতিত হতে হয়েছে, আমার সেই পরিপূর্ণ উপস্থিতিকে। আমি সমগ্র বিশ্বে আমার কার্য চালিয়ে যাবো এবং এই মহান কার্য অন্তিম সময়ে মানুষের প্রতি আমার মহিমা এবং ক্রিয়াকলাপ প্রকাশ করবে। যারা বহু বছর ধরে আমার প্রতীক্ষা করেছে, যারা শুভ্র মেঘে আসীন হয়ে আমার আবির্ভাবের আকাঙ্ক্ষা করেছে, যে ইসরায়েল আমার পুনরাবির্ভাবের জন্য অপেক্ষা করেছে, যে সমস্ত মানুষ আমাকে নির্যাতন করেছে, তাদের সকলের সামনেই আমি আমার সম্পূর্ণ মহিমময় রূপ প্রদর্শন করবো, যাতে সকলে জানতে পারে যে আমি আমার মহিমা বহুকাল আগেই প্রাচ্যে স্থানান্তরিত করেছি, তা আর যিহুদীয়াতে অবশিষ্ট নেই। কারণ অন্তিম সময় ইতিমধ্যেই চলে এসেছে!

সমগ্র ব্রহ্মাণ্ড জুড়ে আমি আমার কাজ করছি, এবং প্রাচ্যে অবিরাম বজ্রপাত চলছে, যাতে সব রাষ্ট্র এবং সম্প্রদায় কেঁপে উঠছে। আমারই কন্ঠস্বর মানুষকে আজকের এই অবস্থায় নিয়ে এসেছে। আমিই সেই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছি, যাতে সকল মানুষ আমার কন্ঠস্বরের দ্বারা পরাজিত হয়, এই স্রোতে তারা সামিল হয়, এবং আমার কাছে তারা আত্মসমর্পণ করে। কারণ দীর্ঘদিন হল আমি আমার মহিমা সমগ্র বিশ্ব থেকে পুনরুদ্ধার করেছি এবং প্রাচ্যে তাকে নতুন করে প্রকাশ করেছি। আমার মহিমা প্রত্যক্ষ করতে কে না ব্যাকুল হয়? আমার প্রত্যাবর্তনের জন্য কে না অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে? আমার পুনরাবির্ভাবের আকুল আকাঙ্ক্ষা করে না এমন কে আছে? আমার মাধুর্যের জন্য কে না উদগ্রীব? জ্যোতির সম্মুখে আসতে কে না চায়? কনানের সমৃদ্ধির প্রতি কে না আগ্রহী? মুক্তিদাতার প্রত্যাবর্তনের জন্য কে না অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে? যিনি ক্ষমতায় মহান, তাঁর উপাসনা কে না করে? সমগ্র বিশ্ব জুড়ে আমার কণ্ঠস্বর ছড়িয়ে পড়বে। আমি আমার নির্বাচিত মানুষদের সম্মুখীন হব এবং তাদের উদ্দেশ্যে আরো কথা বলব। শক্তিশালী বজ্র যেমন পর্বত আর নদীতে আলোড়ন সৃষ্টি করে, সমগ্র ব্রহ্মাণ্ড আর মানবজাতির কাছে আমার উচ্চারিত বাক্যও তেমন। তাই আমার বাক্য মানবজাতির কাছে সম্পদ হয়ে উঠেছে, এবং সব মানুষই আমার বাক্য সযত্নে লালন করছে। সেই বজ্রপাতের ঝলকে পূর্ব থেকে পশ্চিম আলোকিত। আমার বাক্য এমনই যে মানুষ তা উপেক্ষা করতে পারে না, আবার একই সাথে তার গভীরতার পরিমাপও করতে পারে না, অথচ তার মধ্যেই আনন্দ খুঁজে পায়। আমার আবির্ভাবে সকল মানুষই আনন্দিত এবং উচ্ছ্বসিত, যেন কোনো শিশু সদ্য জন্মলাভ করেছে। আমার কণ্ঠস্বরের সাহায্যে আমি সকল মানবজাতিকে আমার সম্মুখে আনব। এরপর আমি আনুষ্ঠানিকভাবে মানবজাতির মধ্যে প্রবেশ করব, যাতে তারা আমার উপাসনা করতে আসে। আমার মহিমার বিকিরণে এবং আমার বাক্যের সাহায্যে আমি বাধ্য করব যাতে সব মানুষ আমার সম্মুখে আসে এবং প্রাচ্যের বজ্রপাত দেখে, এবং সেই সঙ্গে দেখতে পায় যে আমি প্রাচ্যের “অলিভ পর্বত”-এ অবতরণ করেছি। তারা দেখতে পাবে যে, আমি ইতিমধ্যেই দীর্ঘদিন এই পৃথিবীতে আছি এবং তা ইহুদিদের পুত্র হিসাবে নয়, প্রাচ্যের বজ্রপাত হিসাবে। কারণ অনেকদিন হল আমি পুনরুত্থিত হয়েছি, মানবজাতির মধ্য থেকে প্রস্থান করেছি, এবং তারপর মানবজাতির মধ্যে পুনরাবির্ভুত হয়েছি আপন মহিমায়। আমিই সে, যাকে অগণিত যুগ আগে থেকেই উপাসনা করা হচ্ছে, এবং আমিই সেই শিশু যাকে অগণিত যুগ আগে ইসরায়েলীরা পরিত্যাগ করেছিল। আমিই হলাম বর্তমান যুগের সর্বমহিম সর্বশক্তিমান ঈশ্বর! সকলে আমার সিংহাসনের সামনে এসে আমার মহিমময় মুখাবয়ব দেখুক, আমার কন্ঠস্বর শুনুক এবং আমার কীর্তি দেখুক। এই হল আমার সার্বিক ইচ্ছা; এই হল আমার পরিকল্পনার শীর্ষবিন্দু এবং সমাপ্তি, আর আমার ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য: যাতে সব রাষ্ট্র আমার উপাসনা করে, সব মুখেই আমার স্বীকৃতি শোনা যায়, সকল মানুষের বিশ্বাস আমাতেই স্থিত হয় এবং সকলেই আমার অধীনস্থ হয়।

পাদটীকা:

ক. মূল পাঠ্যে এই শব্দবন্ধ “দেখেছি যে” উপস্থিত নেই।

পূর্ববর্তী: মানুষ একমাত্র ঈশ্বরের ব্যবস্থাপনার মধ্যেই উদ্ধার পেতে পারে

পরবর্তী: পরিত্রাতা ইতিমধ্যেই একটি “সাদা মেঘে” চড়ে প্রত্যাবর্তন করেছেন

প্রতিদিন আমাদের কাছে 24 ঘণ্টা বা 1440 মিনিট সময় থাকে। আপনি কি ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের জন্য তাঁর বাক্য শিখতে 10 মিনিট সময় দিতে ইচ্ছুক? শিখতে আমাদের ফেলোশিপে যোগ দিন। কোন ফি লাগবে না।👇

সম্পর্কিত তথ্য

ঈশ্বর হলেন মানুষের জীবনের উৎস

ক্রন্দনরত অবস্থায় এই জগতে ভূমিষ্ঠ হবার সময় থেকেই তুমি তোমার কর্তব্য পালন করা শুরু করো। ঈশ্বরের পরিকল্পনা ও তাঁর নির্ধারিত নিয়তি অনুসারে...

রাজ্যের যুগই হল বাক্যের যুগ

রাজ্যের যুগে, যে পদ্ধতিতে তিনি কাজ করেন তা পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে, এবং সমগ্র যুগের কাজ সম্পাদন করার জন্য, ঈশ্বর নতুন যুগের সূচনা করতে বাক্যের...

সেটিংস

  • লেখা
  • থিমগুলি

ঘন রং

থিমগুলি

ফন্টগুলি

ফন্ট সাইজ

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

লাইনের মধ্যে ব্যবধান

পৃষ্ঠার প্রস্থ

বিষয়বস্তু

অনুসন্ধান করুন

  • এই লেখাটি অনুসন্ধান করুন
  • এই বইটি অনুসন্ধান করুন

Messenger-এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন